রাজনীতিসদর
গণসংযোগে তরিকুল সুজন ‘বাবা এমপি হলে ছেলে হন চাঁদাবাজির কর্তা’
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক ও উত্তরাধিকার’ রাজনীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন মাথাল প্রতীকের প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের নেতা তারিকুল ইসলাম সুজন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১২ নং ওয়ার্ডের চানমারি ও ইসদাইর বাজার এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের ডাক দেন।
গণসংযোগকালে তারিকুল ইসলাম বলেন, “নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আমরা এক অদ্ভুত সংস্কৃতি দেখে আসছি। এখানে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁর পুত্ররাই যেন অঘোষিত বড় মন্ত্রী হয়ে উঠেন। বাবা সংসদে বসেন আর ছেলে রাস্তা, বাজারঘাট, অফিস এবং থানা নিয়ন্ত্রণ করেন। বাবা এমপি হলেই ছেলে হয়ে যান চাঁদাবাজির প্রধান কর্তা। এই আসনের মানুষ বারবার দেখেছে, এমপি নয় বরং এমপিপুত্ররাই ক্ষমতার আসল কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন।”
তিনি বলেন, “নারায়ণগঞ্জবাসীর স্মৃতি খুব দুর্বল নয়। মানুষ আর এই পারিবারিক সাম্রাজ্যের জাঁতাকলে পিষ্ট হতে চায় না। রাজনীতি হবে জনগণের জন্য, কোনো নির্দিষ্ট পরিবারের জন্য নয়। এই আসনের মানুষ আর তথাকথিত ‘ভরসার সন্তান’ চায় না, তারা চায় মুক্তি এবং নতুন একটি রাজনৈতিক বন্দোবস্ত।”
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারী নির্বাচনের দিনকে পরিবর্তনের সূচনালগ্ন উল্লেখ করে তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, “আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে এই উত্তরাধিকার রাজনীতির অবসান ঘটাতে চাই। ভয়ভীতি উপেক্ষা করে মাথাল প্রতীকে ভোট দিয়ে নারায়ণগঞ্জের নতুন ইতিহাস গড়ুন।”
গণসংযোগকালে তারিকুল ইসলামের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে মাঠে ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মো. বিপ্লব খান, সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন আলম, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের জেলার সাবেক সভাপতি ফারহানা মানিক মুনা, বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির আহ্বায়ক আবদুল আল মামুন, শ্রমিক সংহতির জেলা দপ্তর সম্পাদক মো. রনি শেখ, যুব ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. মারুফ এবং ছাত্র ফেডারেশনের জেলা সহ-সভাপতি সৃজয় সাহাসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক ও উত্তরাধিকার’ রাজনীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন মাথাল প্রতীকের প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের নেতা তারিকুল ইসলাম সুজন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১২ নং ওয়ার্ডের চানমারি ও ইসদাইর বাজার এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের ডাক দেন।
গণসংযোগকালে তারিকুল ইসলাম বলেন, “নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আমরা এক অদ্ভুত সংস্কৃতি দেখে আসছি। এখানে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁর পুত্ররাই যেন অঘোষিত বড় মন্ত্রী হয়ে উঠেন। বাবা সংসদে বসেন আর ছেলে রাস্তা, বাজারঘাট, অফিস এবং থানা নিয়ন্ত্রণ করেন। বাবা এমপি হলেই ছেলে হয়ে যান চাঁদাবাজির প্রধান কর্তা। এই আসনের মানুষ বারবার দেখেছে, এমপি নয় বরং এমপিপুত্ররাই ক্ষমতার আসল কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন।”
তিনি বলেন, “নারায়ণগঞ্জবাসীর স্মৃতি খুব দুর্বল নয়। মানুষ আর এই পারিবারিক সাম্রাজ্যের জাঁতাকলে পিষ্ট হতে চায় না। রাজনীতি হবে জনগণের জন্য, কোনো নির্দিষ্ট পরিবারের জন্য নয়। এই আসনের মানুষ আর তথাকথিত ‘ভরসার সন্তান’ চায় না, তারা চায় মুক্তি এবং নতুন একটি রাজনৈতিক বন্দোবস্ত।”
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারী নির্বাচনের দিনকে পরিবর্তনের সূচনালগ্ন উল্লেখ করে তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, “আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে এই উত্তরাধিকার রাজনীতির অবসান ঘটাতে চাই। ভয়ভীতি উপেক্ষা করে মাথাল প্রতীকে ভোট দিয়ে নারায়ণগঞ্জের নতুন ইতিহাস গড়ুন।”
গণসংযোগকালে তারিকুল ইসলামের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে মাঠে ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মো. বিপ্লব খান, সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন আলম, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের জেলার সাবেক সভাপতি ফারহানা মানিক মুনা, বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির আহ্বায়ক আবদুল আল মামুন, শ্রমিক সংহতির জেলা দপ্তর সম্পাদক মো. রনি শেখ, যুব ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. মারুফ এবং ছাত্র ফেডারেশনের জেলা সহ-সভাপতি সৃজয় সাহাসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
লোড হচ্ছে...