আন্তর্জাতিক
মার্কিন সমর্থিত গোষ্ঠীর থেকে তেলক্ষেত্র সিরিয়ার সেনাদের দখলে
NewsView

নিউজভিউ
সিরিয়ার দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বড় ধরনের সামরিক পরিবর্তনের খবর পাওয়া গেছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) দেশটির নিরাপত্তা ও সরকারি সূত্র জানিয়েছে, পূর্ব সিরিয়ায় মার্কিন সমর্থিত কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর (এসডিএফ) নিয়ন্ত্রণে থাকা সর্ববৃহৎ তেলক্ষেত্র ‘ওমর’ এবং গুরুত্বপূর্ণ ‘কোনোকো’ গ্যাসক্ষেত্র দখল করে নিয়েছে সিরিয়ার সরকারি সেনারা। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলগুলো দীর্ঘদিন পর দামেস্কের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে এলো।
কৌশলগত বিজয় ও অর্থনৈতিক প্রভাব দেইর আজ-জোর প্রদেশে ইরাক সীমান্ত ঘেঁষা এই এলাকাটি সিরিয়ার প্রধান আয়ের উৎস হিসেবে পরিচিত। ইউফ্রেটিস নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত এই তেল ও গ্যাসক্ষেত্রগুলো এতদিন কুর্দি নেতৃত্বাধীন মিলিশিয়ারা তাদের স্বশাসিত অঞ্চল পরিচালনায় ব্যবহার করছিল। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা গত সপ্তাহেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, দেশের এক-চতুর্থাংশ এলাকা এবং প্রধান সম্পদ কোনো একটি মিলিশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা গ্রহণযোগ্য নয়।
অভিযানের বিস্তার সরকারি সূত্র জানায়, সেনাবাহিনীর মিত্র আরব গোত্রীয় যোদ্ধাদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই ঝটিকা আক্রমণে কুর্দি বাহিনী পরাস্ত হয়। এর ফলে ইউফ্রেটিস নদীর পূর্ব তীরে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকা—ইরাক সীমান্তের বাঘুজ থেকে শুরু করে আল-শুহাইল ও বুসাইরার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহর এখন সরকারি বাহিনীর দখলে। এ ছাড়া শনিবার রাতে উত্তরাঞ্চলীয় শহর তাবকা সংলগ্ন বাঁধ এবং রাক্কার পশ্চিমে অবস্থিত ‘ফ্রিডম ড্যাম’ (সাবেক বাথ ড্যাম) দখল করে নিয়েছে সেনাবাহিনী।
কুর্দি কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া ও অভিযোগ তবে কুর্দি কর্তৃপক্ষ বা এসডিএফ এখনই এসব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হারানোর কথা পুরোপুরি স্বীকার করেনি। তারা দামেস্কের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ এনে বলেছে, বাঁধ এলাকায় এখনও সংঘর্ষ চলছে। এসডিএফ প্রশাসনের দাবি, সরকার আরব ও কুর্দিদের মধ্যে জাতিগত বিভাজন তৈরি করতে চাইছে। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, “আমরা এক সংকটময় মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছি; হয় প্রতিরোধ গড়বো, নয়তো মর্যাদাহীন জীবন বেছে নিতে হবে।”
যোদ্ধাদের দলত্যাগ সিরীয় সরকারি বাহিনীর দাবি, এসডিএফ-এর শত শত যোদ্ধা—যাদের বড় একটি অংশ আরব গোত্র থেকে আসা—তারা বর্তমানে কুর্দি নেতৃত্ব ত্যাগ করে সরকারি মিত্র গোত্রীয় বাহিনীতে যোগ দিচ্ছে। তবে এসডিএফ এই দাবিকে প্রোপাগান্ডা হিসেবে অভিহিত করে প্রত্যাখ্যান করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, তেল ও গ্যাস সমৃদ্ধ এই বিশাল অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ হারানো মার্কিন সমর্থিত কুর্দি বাহিনীর জন্য একটি বড় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ধাক্কা, যা সিরিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিকে নতুন মোড় দিতে পারে।
সিরিয়ার দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বড় ধরনের সামরিক পরিবর্তনের খবর পাওয়া গেছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) দেশটির নিরাপত্তা ও সরকারি সূত্র জানিয়েছে, পূর্ব সিরিয়ায় মার্কিন সমর্থিত কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর (এসডিএফ) নিয়ন্ত্রণে থাকা সর্ববৃহৎ তেলক্ষেত্র ‘ওমর’ এবং গুরুত্বপূর্ণ ‘কোনোকো’ গ্যাসক্ষেত্র দখল করে নিয়েছে সিরিয়ার সরকারি সেনারা। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলগুলো দীর্ঘদিন পর দামেস্কের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে এলো।
কৌশলগত বিজয় ও অর্থনৈতিক প্রভাব দেইর আজ-জোর প্রদেশে ইরাক সীমান্ত ঘেঁষা এই এলাকাটি সিরিয়ার প্রধান আয়ের উৎস হিসেবে পরিচিত। ইউফ্রেটিস নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত এই তেল ও গ্যাসক্ষেত্রগুলো এতদিন কুর্দি নেতৃত্বাধীন মিলিশিয়ারা তাদের স্বশাসিত অঞ্চল পরিচালনায় ব্যবহার করছিল। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা গত সপ্তাহেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, দেশের এক-চতুর্থাংশ এলাকা এবং প্রধান সম্পদ কোনো একটি মিলিশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা গ্রহণযোগ্য নয়।
অভিযানের বিস্তার সরকারি সূত্র জানায়, সেনাবাহিনীর মিত্র আরব গোত্রীয় যোদ্ধাদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই ঝটিকা আক্রমণে কুর্দি বাহিনী পরাস্ত হয়। এর ফলে ইউফ্রেটিস নদীর পূর্ব তীরে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকা—ইরাক সীমান্তের বাঘুজ থেকে শুরু করে আল-শুহাইল ও বুসাইরার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহর এখন সরকারি বাহিনীর দখলে। এ ছাড়া শনিবার রাতে উত্তরাঞ্চলীয় শহর তাবকা সংলগ্ন বাঁধ এবং রাক্কার পশ্চিমে অবস্থিত ‘ফ্রিডম ড্যাম’ (সাবেক বাথ ড্যাম) দখল করে নিয়েছে সেনাবাহিনী।
কুর্দি কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া ও অভিযোগ তবে কুর্দি কর্তৃপক্ষ বা এসডিএফ এখনই এসব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হারানোর কথা পুরোপুরি স্বীকার করেনি। তারা দামেস্কের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ এনে বলেছে, বাঁধ এলাকায় এখনও সংঘর্ষ চলছে। এসডিএফ প্রশাসনের দাবি, সরকার আরব ও কুর্দিদের মধ্যে জাতিগত বিভাজন তৈরি করতে চাইছে। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, “আমরা এক সংকটময় মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছি; হয় প্রতিরোধ গড়বো, নয়তো মর্যাদাহীন জীবন বেছে নিতে হবে।”
যোদ্ধাদের দলত্যাগ সিরীয় সরকারি বাহিনীর দাবি, এসডিএফ-এর শত শত যোদ্ধা—যাদের বড় একটি অংশ আরব গোত্র থেকে আসা—তারা বর্তমানে কুর্দি নেতৃত্ব ত্যাগ করে সরকারি মিত্র গোত্রীয় বাহিনীতে যোগ দিচ্ছে। তবে এসডিএফ এই দাবিকে প্রোপাগান্ডা হিসেবে অভিহিত করে প্রত্যাখ্যান করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, তেল ও গ্যাস সমৃদ্ধ এই বিশাল অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ হারানো মার্কিন সমর্থিত কুর্দি বাহিনীর জন্য একটি বড় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ধাক্কা, যা সিরিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিকে নতুন মোড় দিতে পারে।
লোড হচ্ছে...