নারায়ণগঞ্জসদর
আ.লীগের 'আগুন সন্ত্রাসের' প্রতিবাদে মহানগর জামায়াতের বিক্ষোভ
NewsView

দেশব্যাপী চলমান নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এবং 'পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের' 'আগুন সন্ত্রাসের' প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামী বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) মহানগরীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সহস্রাধিক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে এই কর্মসূচি থেকে নাশকতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
মহানগরীর তিনটি প্রধান পয়েন্টে একই সময়ে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়, চাষাড়া ও মিশন পাড়া: মহানগরীর সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন-এর নেতৃত্বে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মো: জামাল হোসাইন-এর নেতৃত্বে।মহানগরীর প্রচার সম্পাদক হাফেজ আব্দুল মোমিন-এর নেতৃত্বে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে নেতাকর্মীরা চাষাড়া, মিশন পাড়া এবং সাইনবোর্ড এলাকায় জমায়েত হতে শুরু করেন।
সমাবেশে মহানগরীর সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন বলেন, "যারা দেশের মানুষের ক্ষতি করতে চায়, তাদের সাবধান হতে হবে। চব্বিশের বিপ্লব পরবর্তী এই বাংলাদেশ আর কোনো ফ্যাসিস্টদের হত্যা, নৈরাজ্য দেখতে চায় না।"
সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন অভিযোগ করেন, "গণতান্ত্রিক অধিকার নস্যাৎ করার জন্য আওয়ামী লীগের মদদে সারাদেশে আগুন সন্ত্রাসের রাজনীতি শুরু হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং দেশের সম্পদ ধ্বংসকারী এই রাজনীতি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।" তিনি আরও বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের মৌলিক দায়িত্ব।
মহানগরীর প্রচার সম্পাদক হাফেজ আব্দুল মোমিন আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিস্ট দল আখ্যা দিয়ে বলেন, "তারা দেশে গণহত্যা চালিয়ে দেশ থেকে পালিয়ে এখন ভিন্ন দেশ থেকে ষড়যন্ত্র করছে। জনগণ তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আছে, অতএব তাদের কৃতকর্মের বিচার হবেই।"
মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা 'খুনি হাসিনার বিচার চাই', 'সন্ত্রাস-নাশকতা বন্ধ করো', এবং 'মানুষের জানমাল নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবেনা' ইত্যাদি স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ উত্তর থানা আমীর মাওলানা মোস্তফা কামাল, সিদ্ধিরগঞ্জ দক্ষিণ থানা আমীর আলহাজ্ব কফিলউদ্দিন আহমেদ, পশ্চিম থানা আমীর মাহাবুব আলম, বন্দর থানা দক্ষিণ আমীর মাওলানা আব্দুল হাই জাফরি, বন্দর উত্তর থানা আমীর মাওলানা মুফতী আতিকুর রহমান সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
জামায়াত নেতারা ঘোষণা দেন, যতক্ষণ পর্যন্ত দেশে গণভোট অনুষ্ঠিত না হচ্ছে, জনগণের ভোটাধিকার এবং স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরে না আসে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
মহানগরীর তিনটি প্রধান পয়েন্টে একই সময়ে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়, চাষাড়া ও মিশন পাড়া: মহানগরীর সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন-এর নেতৃত্বে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মো: জামাল হোসাইন-এর নেতৃত্বে।মহানগরীর প্রচার সম্পাদক হাফেজ আব্দুল মোমিন-এর নেতৃত্বে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে নেতাকর্মীরা চাষাড়া, মিশন পাড়া এবং সাইনবোর্ড এলাকায় জমায়েত হতে শুরু করেন।
সমাবেশে মহানগরীর সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন বলেন, "যারা দেশের মানুষের ক্ষতি করতে চায়, তাদের সাবধান হতে হবে। চব্বিশের বিপ্লব পরবর্তী এই বাংলাদেশ আর কোনো ফ্যাসিস্টদের হত্যা, নৈরাজ্য দেখতে চায় না।"
সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন অভিযোগ করেন, "গণতান্ত্রিক অধিকার নস্যাৎ করার জন্য আওয়ামী লীগের মদদে সারাদেশে আগুন সন্ত্রাসের রাজনীতি শুরু হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং দেশের সম্পদ ধ্বংসকারী এই রাজনীতি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।" তিনি আরও বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের মৌলিক দায়িত্ব।
মহানগরীর প্রচার সম্পাদক হাফেজ আব্দুল মোমিন আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিস্ট দল আখ্যা দিয়ে বলেন, "তারা দেশে গণহত্যা চালিয়ে দেশ থেকে পালিয়ে এখন ভিন্ন দেশ থেকে ষড়যন্ত্র করছে। জনগণ তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আছে, অতএব তাদের কৃতকর্মের বিচার হবেই।"
মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা 'খুনি হাসিনার বিচার চাই', 'সন্ত্রাস-নাশকতা বন্ধ করো', এবং 'মানুষের জানমাল নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবেনা' ইত্যাদি স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ উত্তর থানা আমীর মাওলানা মোস্তফা কামাল, সিদ্ধিরগঞ্জ দক্ষিণ থানা আমীর আলহাজ্ব কফিলউদ্দিন আহমেদ, পশ্চিম থানা আমীর মাহাবুব আলম, বন্দর থানা দক্ষিণ আমীর মাওলানা আব্দুল হাই জাফরি, বন্দর উত্তর থানা আমীর মাওলানা মুফতী আতিকুর রহমান সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
জামায়াত নেতারা ঘোষণা দেন, যতক্ষণ পর্যন্ত দেশে গণভোট অনুষ্ঠিত না হচ্ছে, জনগণের ভোটাধিকার এবং স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরে না আসে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
লোড হচ্ছে...