জাতীয়
ঈদে পর্যটক বরণে প্রস্তুতি সম্পন্ন
বান্দরবানে হোটেল-মোটেলে আশানুরূপ বুকিং নেই
NewsView6

বগা লেক। ছবি : সংগৃহীত
নিউজভিউ ডেস্ক
পবিত্র ঈদুল আজহা ও সাপ্তাহিক সরকারি ছুটি উপলক্ষ্যে পর্যটন নগরী বান্দরবানে এবার আশানুরূপ হোটেল বুকিং হয়নি। ফলে হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যটকদের অনাগ্রহের কারণে বুকিং প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম হয়েছে। তবে ২৯ থেকে ৩১ এপ্রিল দিনগুলোতে ৭০-৮০ শতাংশ বুকিং পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন হোটেল ব্যবসায়ীরা।
পাহাড়, ঝিড়ি-ঝর্ণা ঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম লীলাভূমি বান্দরবান। বান্দরবান সবসময়ই পছন্দের তালিকায় থাকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের। প্রতিবছরই ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণে মুখর থাকে বিনোদনকেন্দ্রগুলো। পর্যটক বরণ করতে প্রস্তুত বান্দরবানের পর্যটন কেন্দ্র ও অবকাশ যাপন কেন্দ্রগুলো।
পর্যটকরা জানান, এক সময় বান্দরবান শহর থেকে কেউক্রাডং পর্যন্ত গোটা পথ হেঁটে যেতে হতো। তারপর বগালেক পর্যন্ত রাস্তা হল। বর্তমানে কেউক্রাডং পর্যন্ত পিচ ঢালাই রাস্তা। পাহাড় কেটে চলে যাওয়ার রাস্তা ধরে চান্দের গাড়িতে এ পথে ভ্রমণটা এখন বেশ মনোমুগ্ধকর। বগা লেকের পাড়ে একটি রাত কাটানো অনন্য স্মৃতি হয়ে থাকবে।
এছাড়া বান্দরবান আসলে দেখা যাবে নীলগিরি, নীলাচল, মেঘলা, স্বর্ণমন্দির, রামজাদি, শৈলপ্রপাত, নাফাখুম, চিম্বুক, গোল্ডেন টেম্পল, কেওক্রাডং, বগালেক, মিরিন্জা ভ্যালি, দেবুাখুম, জাদিপাই ঝর্ণা, সাতভাই খুম, রিজুক ঝর্ণা, আমিয়াখুম জলপ্রপাত, প্রান্তিক লেক, তাজিংডং, আলীর সুরঙ্গ, উপবন লেক, জীবননগর, বৌদ্ধ ধাতু জাদী, নীলদিগন্ত মিলনছড়ি, তমাতুঙ্গী অন্যতম। রাত কাটানো যাবে কেউক্রাডং পাহাড়ের পাদদেশে দার্জিলিংপাড়ায়।
পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, বছর জুড়ে কম-বেশি পর্যটকের পদচারণায় মুখর থাকে পাহাড় কন্যা বান্দরবান। পর্যটকদের সেবায় গড়ে উঠেছে শতাধিক হোটেল ও রিসোর্ট। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত হয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন প্রায় ২০ হাজার মানুষ। ফলে জেলায় অন্যতম অথর্নৈতিক খাত হিসেবে পর্যটন শিল্পকে গণ্য করা হয়।
পাহাড়ে আনন্দময় সময় কাটানোর জন্য এরই মধ্যে ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ হোটেল মোটেল রিসোর্ট বুকিং হয়ে গেছে। শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি মাঠে থাকবেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরাও।
হোটেল হিলটনের ব্যবস্থাপক জোবায়ের সাকি বলেন, ঈদ পরবর্তী ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দিনগুলোর জন্য ৫০ শতাংশ আগাম বুকিং হয়েছে। হোটেল গ্র্যান্ড ভ্যালির ব্যবস্থাপক আক্কাস উদ্দিন সিদ্দিকী বলেন, তাদের হোটেলেও ৬০ শতাংশ কক্ষ ২৯ থেকে ৩১ মের জন্য ইতিমধ্যে বুকিং হয়েছে। হোটেল হিল ভিউর ব্যবস্থাপক মো. পারভেজ বলেন, অন্যান্য বছর এই সময় তাদের হোটেলের ৯০টি কক্ষের অধিকাংশ বুকিং থাকত। এবারে এখনো আশানুরূপ হয়নি তবে, ঈদ পরবর্তী দিনগুলোতে বুকিং আরও বাড়তে পারে বলে তারা আশা করছেন।
বান্দরবান হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দীন বলেন, হোটেল রিসোর্টগুলো পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। ঈদের ছুটিতে এবারে প্রচুর পর্যটক আসবে বান্দরবানে। ইতিমধ্যে হোটেল রিসোর্টগুলোর ৫০ থেকে ৭০ শতাংশই বুকিং হয়ে গেছে। তবে তা তুলনামূলক কম। আশা করছি, ঈদের পরের কয়েকদিন ভালো সাড়া পাবো।
বান্দরবান টুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক ফরিদ উদ্দিন বলেন, পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় টুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশ কাজ করবে। এছাড়া সাদা পোশাকেও সব পর্যটন কেন্দ্রে পুলিশের নজরদারি থাকবে।
পবিত্র ঈদুল আজহা ও সাপ্তাহিক সরকারি ছুটি উপলক্ষ্যে পর্যটন নগরী বান্দরবানে এবার আশানুরূপ হোটেল বুকিং হয়নি। ফলে হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যটকদের অনাগ্রহের কারণে বুকিং প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম হয়েছে। তবে ২৯ থেকে ৩১ এপ্রিল দিনগুলোতে ৭০-৮০ শতাংশ বুকিং পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন হোটেল ব্যবসায়ীরা।
পাহাড়, ঝিড়ি-ঝর্ণা ঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম লীলাভূমি বান্দরবান। বান্দরবান সবসময়ই পছন্দের তালিকায় থাকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের। প্রতিবছরই ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণে মুখর থাকে বিনোদনকেন্দ্রগুলো। পর্যটক বরণ করতে প্রস্তুত বান্দরবানের পর্যটন কেন্দ্র ও অবকাশ যাপন কেন্দ্রগুলো।
পর্যটকরা জানান, এক সময় বান্দরবান শহর থেকে কেউক্রাডং পর্যন্ত গোটা পথ হেঁটে যেতে হতো। তারপর বগালেক পর্যন্ত রাস্তা হল। বর্তমানে কেউক্রাডং পর্যন্ত পিচ ঢালাই রাস্তা। পাহাড় কেটে চলে যাওয়ার রাস্তা ধরে চান্দের গাড়িতে এ পথে ভ্রমণটা এখন বেশ মনোমুগ্ধকর। বগা লেকের পাড়ে একটি রাত কাটানো অনন্য স্মৃতি হয়ে থাকবে।
এছাড়া বান্দরবান আসলে দেখা যাবে নীলগিরি, নীলাচল, মেঘলা, স্বর্ণমন্দির, রামজাদি, শৈলপ্রপাত, নাফাখুম, চিম্বুক, গোল্ডেন টেম্পল, কেওক্রাডং, বগালেক, মিরিন্জা ভ্যালি, দেবুাখুম, জাদিপাই ঝর্ণা, সাতভাই খুম, রিজুক ঝর্ণা, আমিয়াখুম জলপ্রপাত, প্রান্তিক লেক, তাজিংডং, আলীর সুরঙ্গ, উপবন লেক, জীবননগর, বৌদ্ধ ধাতু জাদী, নীলদিগন্ত মিলনছড়ি, তমাতুঙ্গী অন্যতম। রাত কাটানো যাবে কেউক্রাডং পাহাড়ের পাদদেশে দার্জিলিংপাড়ায়।
পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, বছর জুড়ে কম-বেশি পর্যটকের পদচারণায় মুখর থাকে পাহাড় কন্যা বান্দরবান। পর্যটকদের সেবায় গড়ে উঠেছে শতাধিক হোটেল ও রিসোর্ট। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত হয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন প্রায় ২০ হাজার মানুষ। ফলে জেলায় অন্যতম অথর্নৈতিক খাত হিসেবে পর্যটন শিল্পকে গণ্য করা হয়।
পাহাড়ে আনন্দময় সময় কাটানোর জন্য এরই মধ্যে ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ হোটেল মোটেল রিসোর্ট বুকিং হয়ে গেছে। শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি মাঠে থাকবেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরাও।
হোটেল হিলটনের ব্যবস্থাপক জোবায়ের সাকি বলেন, ঈদ পরবর্তী ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দিনগুলোর জন্য ৫০ শতাংশ আগাম বুকিং হয়েছে। হোটেল গ্র্যান্ড ভ্যালির ব্যবস্থাপক আক্কাস উদ্দিন সিদ্দিকী বলেন, তাদের হোটেলেও ৬০ শতাংশ কক্ষ ২৯ থেকে ৩১ মের জন্য ইতিমধ্যে বুকিং হয়েছে। হোটেল হিল ভিউর ব্যবস্থাপক মো. পারভেজ বলেন, অন্যান্য বছর এই সময় তাদের হোটেলের ৯০টি কক্ষের অধিকাংশ বুকিং থাকত। এবারে এখনো আশানুরূপ হয়নি তবে, ঈদ পরবর্তী দিনগুলোতে বুকিং আরও বাড়তে পারে বলে তারা আশা করছেন।
বান্দরবান হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দীন বলেন, হোটেল রিসোর্টগুলো পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। ঈদের ছুটিতে এবারে প্রচুর পর্যটক আসবে বান্দরবানে। ইতিমধ্যে হোটেল রিসোর্টগুলোর ৫০ থেকে ৭০ শতাংশই বুকিং হয়ে গেছে। তবে তা তুলনামূলক কম। আশা করছি, ঈদের পরের কয়েকদিন ভালো সাড়া পাবো।
বান্দরবান টুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক ফরিদ উদ্দিন বলেন, পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় টুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশ কাজ করবে। এছাড়া সাদা পোশাকেও সব পর্যটন কেন্দ্রে পুলিশের নজরদারি থাকবে।
লোড হচ্ছে...