আন্তর্জাতিক
ট্রাম্পের ভাষণে ৭ শতাংশ বাড়ল তেলের দাম
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
আজ বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ভাষণে ইরানের ওপর সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৮ ডলারে পৌঁছায়, যা আগের দিনের তুলনায় ৬.৮ শতাংশ বেশি। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুডের দাম ৬.৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৬.৫২ ডলারে।
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প বলেন, “আমরা খুব দ্রুত এই অভিযান শেষ করব।” তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী তাদের লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি রয়েছে এবং আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই সংঘাত শেষ হতে পারে। তবে কীভাবে বা কোন প্রক্রিয়ায় তা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু ট্রাম্পের বক্তব্যে ছিলনা।
যুদ্ধবিরতি বা কূটনৈতিক সমাধানের কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত না থাকায় বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। ফিলিপ নোভার সিনিয়র বিশ্লেষক প্রিয়াঙ্কা সচদেবা সতর্ক করে বলেন, উত্তেজনা আরও বাড়লে এবং সমুদ্রপথে ঝুঁকি বৃদ্ধি পেলে তেলের দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে।
ইতোমধ্যে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কাতারের জলসীমায় কাতার এনার্জির লিজ নেওয়া একটি তেলবাহী জাহাজে ইরানের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে।
অন্যদিকে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি সতর্ক করে বলেছে, সরবরাহে বিঘ্ন শুরু হলে এর প্রভাব এপ্রিল থেকেই ইউরোপের অর্থনীতিতে পড়তে পারে। যুদ্ধ শুরুর আগে করা চুক্তির কারণে এতদিন ইউরোপ কিছুটা সুরক্ষিত থাকলেও সেই সুবিধা দ্রুত শেষ হয়ে আসছে।
এদিকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় অসাধু ব্যবসায়ীদের ভেতর দাম বেড়ে গেলে অধিক মুনাফায় বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ তেল মজুত করার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। সরকারের একাধিক সংস্থা এর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা অব্যহত রাখায় দেশের নানা অঞ্চল থেকে অবৈধ ভাবে মজুতকৃত হাজার হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হচ্ছে।নারায়ণগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত জানান, "জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। ভোক্তাদের আস্থা অটুট রাখা এবং বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের এই ধরণের তদারকি ও অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে"।
আলম আলোক
আজ বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ভাষণে ইরানের ওপর সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৮ ডলারে পৌঁছায়, যা আগের দিনের তুলনায় ৬.৮ শতাংশ বেশি। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুডের দাম ৬.৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৬.৫২ ডলারে।
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প বলেন, “আমরা খুব দ্রুত এই অভিযান শেষ করব।” তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী তাদের লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি রয়েছে এবং আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই সংঘাত শেষ হতে পারে। তবে কীভাবে বা কোন প্রক্রিয়ায় তা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু ট্রাম্পের বক্তব্যে ছিলনা।
যুদ্ধবিরতি বা কূটনৈতিক সমাধানের কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত না থাকায় বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। ফিলিপ নোভার সিনিয়র বিশ্লেষক প্রিয়াঙ্কা সচদেবা সতর্ক করে বলেন, উত্তেজনা আরও বাড়লে এবং সমুদ্রপথে ঝুঁকি বৃদ্ধি পেলে তেলের দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে।
ইতোমধ্যে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কাতারের জলসীমায় কাতার এনার্জির লিজ নেওয়া একটি তেলবাহী জাহাজে ইরানের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে।
অন্যদিকে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি সতর্ক করে বলেছে, সরবরাহে বিঘ্ন শুরু হলে এর প্রভাব এপ্রিল থেকেই ইউরোপের অর্থনীতিতে পড়তে পারে। যুদ্ধ শুরুর আগে করা চুক্তির কারণে এতদিন ইউরোপ কিছুটা সুরক্ষিত থাকলেও সেই সুবিধা দ্রুত শেষ হয়ে আসছে।
এদিকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় অসাধু ব্যবসায়ীদের ভেতর দাম বেড়ে গেলে অধিক মুনাফায় বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ তেল মজুত করার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। সরকারের একাধিক সংস্থা এর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা অব্যহত রাখায় দেশের নানা অঞ্চল থেকে অবৈধ ভাবে মজুতকৃত হাজার হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হচ্ছে।নারায়ণগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত জানান, "জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। ভোক্তাদের আস্থা অটুট রাখা এবং বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের এই ধরণের তদারকি ও অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে"।
আলম আলোক
লোড হচ্ছে...