রাজনীতি
নারায়ণগঞ্জে চারটি আসনে বিএনপি ও একটিতে এনসিপির জয়
NewsView

নিউজভিউ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনের চূড়ান্ত ফল ঘোষিত হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনে জেলার রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। ৫টি আসনের মধ্যে ৪টিতেই বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াত জোটভুক্ত এনসিপি প্রার্থী। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে বড় জয় পেয়েছেন বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু। তিনি ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ার হোসেন মোল্লা পেয়েছেন ৯১ হাজার ৬৯০ ভোট। এই আসনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৬৩.৯৬ শতাংশ। বিপুল ভোটের এই ব্যবধান রূপগঞ্জে বিএনপির শক্তিশালী সাংগঠনিক অবস্থানের প্রমাণ দিচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বিশ্লেষকরা।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়েছেন নজরুল ইসলাম আজাদ। তিনি ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৩ ভোট পেয়ে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. ইলিয়াস মোল্লাকে পরাজিত করেন। ইলিয়াস মোল্লা পেয়েছেন ৮২ হাজার ৯৮৭ ভোট। ৬৫ শতাংশ ভোটার উপস্থিতির এই আসনে নজরুল ইসলাম আজাদের প্রায় ৪২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় রাজনৈতিক মহলে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে শেষ পর্যন্ত জয় পেয়েছেন বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নান। তিনি ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১৮ ভোট।
সোনারগাঁয়ের এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ২০ হাজার ৩৭৯ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। এই আসনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৫৭.৪১ শতাংশ।
জেলায় একমাত্র ব্যতিক্রমী ফলাফল এসেছে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে। এখানে বিএনপি জোটের শরিক এনসিপি প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিন ১ লাখ ৬ হাজার ১৭১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী পেয়েছেন ৮০ হাজার ৬১৯ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহ আলম ৩৯ হাজার ৫৮৯ ভোট পেয়ে চমক দেখিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই আসনে জোটগত ভোট বিভাজন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর অবস্থান এনসিপি প্রার্থীর জয়কে সহজ করেছে।
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর জয় পেয়েছেন বিএনপির আবুল কালাম। তিনি ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবিএম সিরাজুল মামুন পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ১৯৬ ভোট। তবে এই আসনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল জেলার মধ্যে সবচেয়ে কম, মাত্র ৫৬.৫১ শতাংশ। এখানে মাকসুদ হোসেনের মতো স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৩৪ হাজার ১৫১ ভোট প্রাপ্তিও মূল ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সামগ্রিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেলায় মোট ৪৭ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরাই আধিপত্য বজায় রেখেছেন। ভোটগ্রহণের হার ৫৬ শতাংশ থেকে ৬৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও নির্বাচন প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ছিল বলে সাধারণ ভোটারদের অভিমত। নতুন নির্বাচিত এই প্রতিনিধিদের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো স্থানীয় উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কার্যকর উন্নতি করা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনের চূড়ান্ত ফল ঘোষিত হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনে জেলার রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। ৫টি আসনের মধ্যে ৪টিতেই বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াত জোটভুক্ত এনসিপি প্রার্থী। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে বড় জয় পেয়েছেন বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু। তিনি ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ার হোসেন মোল্লা পেয়েছেন ৯১ হাজার ৬৯০ ভোট। এই আসনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৬৩.৯৬ শতাংশ। বিপুল ভোটের এই ব্যবধান রূপগঞ্জে বিএনপির শক্তিশালী সাংগঠনিক অবস্থানের প্রমাণ দিচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বিশ্লেষকরা।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়েছেন নজরুল ইসলাম আজাদ। তিনি ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৩ ভোট পেয়ে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. ইলিয়াস মোল্লাকে পরাজিত করেন। ইলিয়াস মোল্লা পেয়েছেন ৮২ হাজার ৯৮৭ ভোট। ৬৫ শতাংশ ভোটার উপস্থিতির এই আসনে নজরুল ইসলাম আজাদের প্রায় ৪২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় রাজনৈতিক মহলে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে শেষ পর্যন্ত জয় পেয়েছেন বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নান। তিনি ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১৮ ভোট।
সোনারগাঁয়ের এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ২০ হাজার ৩৭৯ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। এই আসনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৫৭.৪১ শতাংশ।
জেলায় একমাত্র ব্যতিক্রমী ফলাফল এসেছে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে। এখানে বিএনপি জোটের শরিক এনসিপি প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিন ১ লাখ ৬ হাজার ১৭১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী পেয়েছেন ৮০ হাজার ৬১৯ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহ আলম ৩৯ হাজার ৫৮৯ ভোট পেয়ে চমক দেখিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই আসনে জোটগত ভোট বিভাজন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর অবস্থান এনসিপি প্রার্থীর জয়কে সহজ করেছে।
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর জয় পেয়েছেন বিএনপির আবুল কালাম। তিনি ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবিএম সিরাজুল মামুন পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ১৯৬ ভোট। তবে এই আসনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল জেলার মধ্যে সবচেয়ে কম, মাত্র ৫৬.৫১ শতাংশ। এখানে মাকসুদ হোসেনের মতো স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৩৪ হাজার ১৫১ ভোট প্রাপ্তিও মূল ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সামগ্রিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেলায় মোট ৪৭ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরাই আধিপত্য বজায় রেখেছেন। ভোটগ্রহণের হার ৫৬ শতাংশ থেকে ৬৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও নির্বাচন প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ছিল বলে সাধারণ ভোটারদের অভিমত। নতুন নির্বাচিত এই প্রতিনিধিদের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো স্থানীয় উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কার্যকর উন্নতি করা।
লোড হচ্ছে...