জাতীয়
দেশে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে সুখবর
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যে অস্থিরতা বিরাজ করলেও পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে দেশের বাজারে তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে এপ্রিল মাসেও আগের নির্ধারিত দামেই বিক্রি হবে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে মার্চ মাসের নির্ধারিত দামই বহাল থাকবে। ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা, পেট্রল ১১৬ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকা দরে বিক্রি হবে।
উল্লেখ্য যে, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণে গত বছরের মার্চ থেকে ‘স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ সূত্র’ চালু করেছে সরকার। এই পদ্ধতিতে প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারের তেলের দামের ওঠানামা বিশ্লেষণ করে স্থানীয় বাজারে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার এপ্রিল মাসের জন্য দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্যমতে, দেশে বছরে প্রায় ৭৫ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ডিজেল, যা মোট চাহিদার প্রায় ৭৫ শতাংশ। ডিজেল মূলত কৃষি সেচ, গণপরিবহন ও জেনারেটরে ব্যবহৃত হয় বিধায় এর দাম স্থিতিশীল থাকা সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের জন্য স্বস্তিদায়ক। বাকি ২৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ হয় পেট্রল, অকটেন, কেরোসিন ও জেট ফুয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি দিয়ে।
বর্তমানে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ নির্ধারণ করলেও উড়োজাহাজের জেট ফুয়েল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের ফার্নেস অয়েলের দাম প্রতি মাসে সমন্বয় করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি মাসে এলপিজি গ্যাসের দামও বিইআরসি নির্ধারণ করে থাকে।
জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ায় পরিবহন ভাড়া ও নিত্যপণ্যের বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যে অস্থিরতা বিরাজ করলেও পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে দেশের বাজারে তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে এপ্রিল মাসেও আগের নির্ধারিত দামেই বিক্রি হবে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে মার্চ মাসের নির্ধারিত দামই বহাল থাকবে। ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা, পেট্রল ১১৬ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকা দরে বিক্রি হবে।
উল্লেখ্য যে, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণে গত বছরের মার্চ থেকে ‘স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ সূত্র’ চালু করেছে সরকার। এই পদ্ধতিতে প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারের তেলের দামের ওঠানামা বিশ্লেষণ করে স্থানীয় বাজারে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার এপ্রিল মাসের জন্য দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্যমতে, দেশে বছরে প্রায় ৭৫ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ডিজেল, যা মোট চাহিদার প্রায় ৭৫ শতাংশ। ডিজেল মূলত কৃষি সেচ, গণপরিবহন ও জেনারেটরে ব্যবহৃত হয় বিধায় এর দাম স্থিতিশীল থাকা সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের জন্য স্বস্তিদায়ক। বাকি ২৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ হয় পেট্রল, অকটেন, কেরোসিন ও জেট ফুয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি দিয়ে।
বর্তমানে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ নির্ধারণ করলেও উড়োজাহাজের জেট ফুয়েল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের ফার্নেস অয়েলের দাম প্রতি মাসে সমন্বয় করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি মাসে এলপিজি গ্যাসের দামও বিইআরসি নির্ধারণ করে থাকে।
জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ায় পরিবহন ভাড়া ও নিত্যপণ্যের বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
লোড হচ্ছে...