জাতীয়
চলে গেলেন কারিনা, দেশে আনা হচ্ছে কাল
NewsView5

নিউজভিউ
শোকে স্তব্ধ দেশের শোবিজ অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। চিরতরে চলে গেলেন তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর, অভিনেত্রী ও চিত্রনাট্যকার কারিনা কায়সার। ভারতের চেন্নাইয়ের ভেলোরে খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত রাতে মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৩০ বছর।
কারিনা কায়সারের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন তাঁর বাবা, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড় কায়সার হামিদ। তিনি জানান, ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার সময় হঠাৎ কারিনার রক্তচাপ (ব্লাড প্রেশার) আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে আর বাঁচাতে পারেননি।
কারিনা কায়সারের মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে আজ শনিবার (১৬ মে) সকালে তাঁর বাবা কায়সার হামিদ গণমাধ্যমকে জানান, মরদেহ প্রিজার্ভ বা সংরক্ষণের কিছু আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে। সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ করে আজ বেলা ৩টার ফ্লাইট ধরা সম্ভব ছিল না। তাই সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে আগামীকাল রোববার চেন্নাই থেকে ফ্লাইটে তাঁর মরদেহ ঢাকায় আনা হবে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরেই লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছিলেন কারিনা। শুরুতে তিনি সাধারণ জ্বরে আক্রান্ত হলেও পরে শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ এবং ই-জনিত কারণে তাঁর লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে প্রথমে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল।
পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার (১১ মে) রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা প্রথমে তাঁর ফুসফুসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চিকিৎসা শুরু করেন এবং একই সাথে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের (যকৃৎ প্রতিস্থাপন) প্রস্তুতিও চলছিল। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ওপারে পাড়ি জমান এই তরুণ প্রতিভা।
বরেণ্য দাবাড়ু রানী হামিদের নাতনি কারিনা কায়সার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্ট তৈরি করে তরুণ দর্শকদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। কনটেন্ট ক্রিয়েশনের পাশাপাশি তিনি ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্ম ও নাটকের জগতেও নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করছিলেন। অভিনয়ের পাশাপাশি দক্ষ চিত্রনাট্যকার হিসেবেও পরিচিত ছিলেন তিনি। তাঁর অভিনীত ও আলোচিত কাজের মধ্যে রয়েছে জনপ্রিয় সিরিজ ‘ইন্টার্নশিপ’ এবং চলচ্চিত্র ‘৩৬-২৪-৩৬’।
কারিনা কায়সারের এই আকস্মিক ও অকাল মৃত্যুতে শোবিজ অঙ্গনের সহকর্মী, নির্মাতা ও তাঁর ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে অনেকেই তাঁর সাথে কাটানো স্মৃতি ভাগ করে গভীর শোক প্রকাশ করছেন।
কারিনা কায়সারের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন তাঁর বাবা, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড় কায়সার হামিদ। তিনি জানান, ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার সময় হঠাৎ কারিনার রক্তচাপ (ব্লাড প্রেশার) আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে আর বাঁচাতে পারেননি।
কারিনা কায়সারের মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে আজ শনিবার (১৬ মে) সকালে তাঁর বাবা কায়সার হামিদ গণমাধ্যমকে জানান, মরদেহ প্রিজার্ভ বা সংরক্ষণের কিছু আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে। সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ করে আজ বেলা ৩টার ফ্লাইট ধরা সম্ভব ছিল না। তাই সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে আগামীকাল রোববার চেন্নাই থেকে ফ্লাইটে তাঁর মরদেহ ঢাকায় আনা হবে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরেই লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছিলেন কারিনা। শুরুতে তিনি সাধারণ জ্বরে আক্রান্ত হলেও পরে শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ এবং ই-জনিত কারণে তাঁর লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে প্রথমে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল।
পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার (১১ মে) রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা প্রথমে তাঁর ফুসফুসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চিকিৎসা শুরু করেন এবং একই সাথে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের (যকৃৎ প্রতিস্থাপন) প্রস্তুতিও চলছিল। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ওপারে পাড়ি জমান এই তরুণ প্রতিভা।
বরেণ্য দাবাড়ু রানী হামিদের নাতনি কারিনা কায়সার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্ট তৈরি করে তরুণ দর্শকদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। কনটেন্ট ক্রিয়েশনের পাশাপাশি তিনি ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্ম ও নাটকের জগতেও নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করছিলেন। অভিনয়ের পাশাপাশি দক্ষ চিত্রনাট্যকার হিসেবেও পরিচিত ছিলেন তিনি। তাঁর অভিনীত ও আলোচিত কাজের মধ্যে রয়েছে জনপ্রিয় সিরিজ ‘ইন্টার্নশিপ’ এবং চলচ্চিত্র ‘৩৬-২৪-৩৬’।
কারিনা কায়সারের এই আকস্মিক ও অকাল মৃত্যুতে শোবিজ অঙ্গনের সহকর্মী, নির্মাতা ও তাঁর ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে অনেকেই তাঁর সাথে কাটানো স্মৃতি ভাগ করে গভীর শোক প্রকাশ করছেন।
লোড হচ্ছে...