রাজনীতি
আমি প্রশাসক হিসেবে ক্ষমতা দেখানোর পক্ষে নই: অ্যাড. সাখাওয়াত
NHP NewsView

নিউজভিউ
ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং যানজট নিরসনে নগরবাসীকে সম্পৃক্ত করে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। শনিবার (১৪ মার্চ) নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সাথে এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
আলোচনা সভায় সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, "আমি প্রশাসক হিসেবে ক্ষমতা দেখানোর পক্ষে নই। আমি আগের মতোই সাধারণ মানুষের মতো বাজারে যাই, নিজের বাজার নিজেই করি। মানুষের সাথে কথা বলে বুঝেছি, দ্বিগুবাবুর বাজার বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের জন্য একটি বড় সমস্যায় দাঁড়িয়েছে। আমি ইতিমধ্যে নির্দেশ দিয়েছি এই বাজারের সম্পত্তির পরিমাণ ও মালিকানা নিরূপণ করতে। সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করে সেখানেই কাঁচা বাজার বসার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।"
নাসিক প্রশাসক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সিটি করপোরেশন খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য যেসব শেড তৈরি করেছিল, সেখানে অনেক বড় দোকানদার বসে আছে। এমনকি হকারদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া মার্কেটের দোকানগুলো অনেকে বিক্রি করে চলে গেছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "যারা দোকান নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছেন, তাদের বরাদ্দ বাতিল করে উচ্ছেদ করা হবে। সেখানে প্রকৃত হকারদের বসার ব্যবস্থা করা হবে।"
যানজট ও ফুটপাত উচ্ছেদ প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রতিটি পদক্ষেপ নেওয়ার আগে তিনি সংশ্লিষ্টদের সাথে পৃথকভাবে বৈঠক করবেন। তিনি বলেন, "যেদিন ফুটপাত নিয়ে কাজ করব তার আগে আপনাদের ডাকব, আবার যানজট নিরসনে নামার আগেও আপনাদের সাথে বসব। আপনাদের সম্পৃক্ত করেই আমি এই শহরকে সুশৃঙ্খল করতে চাই।"
এছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে তিনি জানান, নন্দীপাড়ার জিউস পুকুরটি পরিষ্কার ও খনন করে সেখানে সৌন্দর্যবর্ধন ও ঘাট নির্মাণ করা হবে। একইসাথে সরকারি অনুদান সাপেক্ষে উত্তর দিকের মন্দিরটিকে একটি 'মডেল মন্দির' হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং যানজট নিরসনে নগরবাসীকে সম্পৃক্ত করে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। শনিবার (১৪ মার্চ) নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সাথে এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
আলোচনা সভায় সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, "আমি প্রশাসক হিসেবে ক্ষমতা দেখানোর পক্ষে নই। আমি আগের মতোই সাধারণ মানুষের মতো বাজারে যাই, নিজের বাজার নিজেই করি। মানুষের সাথে কথা বলে বুঝেছি, দ্বিগুবাবুর বাজার বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের জন্য একটি বড় সমস্যায় দাঁড়িয়েছে। আমি ইতিমধ্যে নির্দেশ দিয়েছি এই বাজারের সম্পত্তির পরিমাণ ও মালিকানা নিরূপণ করতে। সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করে সেখানেই কাঁচা বাজার বসার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।"
নাসিক প্রশাসক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সিটি করপোরেশন খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য যেসব শেড তৈরি করেছিল, সেখানে অনেক বড় দোকানদার বসে আছে। এমনকি হকারদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া মার্কেটের দোকানগুলো অনেকে বিক্রি করে চলে গেছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "যারা দোকান নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছেন, তাদের বরাদ্দ বাতিল করে উচ্ছেদ করা হবে। সেখানে প্রকৃত হকারদের বসার ব্যবস্থা করা হবে।"
যানজট ও ফুটপাত উচ্ছেদ প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রতিটি পদক্ষেপ নেওয়ার আগে তিনি সংশ্লিষ্টদের সাথে পৃথকভাবে বৈঠক করবেন। তিনি বলেন, "যেদিন ফুটপাত নিয়ে কাজ করব তার আগে আপনাদের ডাকব, আবার যানজট নিরসনে নামার আগেও আপনাদের সাথে বসব। আপনাদের সম্পৃক্ত করেই আমি এই শহরকে সুশৃঙ্খল করতে চাই।"
এছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে তিনি জানান, নন্দীপাড়ার জিউস পুকুরটি পরিষ্কার ও খনন করে সেখানে সৌন্দর্যবর্ধন ও ঘাট নির্মাণ করা হবে। একইসাথে সরকারি অনুদান সাপেক্ষে উত্তর দিকের মন্দিরটিকে একটি 'মডেল মন্দির' হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
লোড হচ্ছে...