জাতীয়
ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, হিজড়া ও হকারদের যাত্রী হয়রানি রোধে কঠোর পদক্ষেপ
NewsView

নিউজভিউ
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধ এবং হিজড়া ও হকারদের হাতে যাত্রী হয়রানি রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি রেলভবনে রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাসিক পর্যালোচনা সভায় এসব বিষয়ে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ট্রেনে তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) কেউ যাতে বিনা টিকিটে প্রবেশ করে সাধারণ যাত্রীদের উপদ্রব বা হয়রানি করতে না পারে, সেজন্য বিশেষ তৎপরতা শুরু করবে রেলওয়ে। একইসঙ্গে চলন্ত ট্রেনে হকারদের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবেশ ঠেকাতেও কড়াকড়ি আরোপ করা হবে। যাত্রী নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে কক্সবাজার লাইনে চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এই সমস্যা নিরসনে পাথর নিক্ষেপপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চুরি ও ছিনতাই প্রতিরোধে রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কোনো স্থানে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে তা অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন জানান, রেলযাত্রাকে নিরাপদ ও জনবান্ধব করতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা হয়রানি সহ্য করা হবে না। পাথর নিক্ষেপ রোধে স্থানীয় জনমত গঠন এবং ট্রেনে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধ এবং হিজড়া ও হকারদের হাতে যাত্রী হয়রানি রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি রেলভবনে রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাসিক পর্যালোচনা সভায় এসব বিষয়ে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ট্রেনে তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) কেউ যাতে বিনা টিকিটে প্রবেশ করে সাধারণ যাত্রীদের উপদ্রব বা হয়রানি করতে না পারে, সেজন্য বিশেষ তৎপরতা শুরু করবে রেলওয়ে। একইসঙ্গে চলন্ত ট্রেনে হকারদের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবেশ ঠেকাতেও কড়াকড়ি আরোপ করা হবে। যাত্রী নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে কক্সবাজার লাইনে চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এই সমস্যা নিরসনে পাথর নিক্ষেপপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চুরি ও ছিনতাই প্রতিরোধে রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কোনো স্থানে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে তা অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন জানান, রেলযাত্রাকে নিরাপদ ও জনবান্ধব করতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা হয়রানি সহ্য করা হবে না। পাথর নিক্ষেপ রোধে স্থানীয় জনমত গঠন এবং ট্রেনে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।
লোড হচ্ছে...