সারা দেশ
ওজন ৩৫ মণ
কোরবানির জন্য প্রস্তুত ‘নেইমার’
NewsView

নেইমারের খাদ্য তালিকায় রাখা হয়েছে খৈল, ভুষি, খড়, ভুট্টার গুড়া, ভাত ও সবুজ ঘাষ
নিউজভিউ ডেস্ক
আর মাত্র ১০/১১ দিন পর কোরবানির ঈদ। এরই মধ্যেই সাড়া ফেলেছে যশোরের অভয়নগর উপজেলার সাড়ে পাঁচ ফুট উচ্চতার বিশালদেহী ‘নেইমার’ নামের ষাঁড়। বিক্রির জন্য প্রস্তুত প্রায় ৩৫ মণ ওজনের ষাঁড়টির দাম হাকানো হচ্ছে ১২ লাখ টাকা।
বিশালদেহী ষাঁড়টির শরীর কিছুটা বাদামী রঙের। মাথা, মুখ ও গলার সামনের অংশ দেখতে সাদাটে। পা, পেট আর বাদামী রঙের শরীরে কয়েকটি সাদাটে স্ট্রাইপ যোগ করেছে বাড়তি চেহারা। মাথার সামনের চুলের স্টাইল বেশ খানিকটা ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার নেইমারের মতো। তাই শখ করে মালিক ষাঁড়টির নাম রেখেছেন ‘নেইমার’।
ষাঁড়টির মালিক যশোরের অভয়নগর উপজেলার ডাঙামশিয়াহাটি গ্রামের নিরাঞ্জন পাঁড়ের ছেলে দেবু পাঁড়ে (৩৩)। তিন বছরের অধিক সময় ধরে একান্তই নিজের পরিবারের সদস্য মনে করে যত্ন আর ভালবাসা দিয়ে বড় করে তুলেছেন নেইমারকে।
সরেজমিনে দেবু পাড়ের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির পশ্চিম পাশে টিনের তৈরী একটি গোয়াল ঘরের পাশে ছাদ দেওয়া একটি প্রশস্তু কক্ষ। এই কক্ষেই নেইমার একাই থাকে। ষাঁড়টির গলায় কোনো দড়ি না থাকায় মাঝে মধ্যে ঘর থেকে উঠানে বেরিয়ে পায়চারি করছে আর ফেলে রাখা ঘাষ ও পাত্রে রাখা খাবার খাচ্ছে। গরুটি অণ্যন্ত শান্ত স্বভাবের হওয়ায় এবং কারও ক্ষতি না করায় সাধারণত গরুটিকে বেঁধে রাখা হয় না।
নেইমারকে এক নজর দেখতে দেখতে প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে আসছেন অনেকে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউবা আবার ভিডিও করছেন। সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন পড়সি অমিও ধর। তিনি জানান, পরম মমতা আর যত্নে দেবু ষাঁড়টিকে বড় করেছেন। বিক্রি হবে জেনে বিশালাকৃতির ষাঁড়টি দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে অনেকে দেখতে আসছে।
দেবু পাড়ে জানান, ছোট বেলা থেকেই পশু পালনের প্রতি তার আগ্রহ থাকায় গরু পরিচর্যায় তিনি বাবা-মাকে সহযোগিণা করতেন। এরপর পড়াশোনা শেষ করে ২০২২ সাল থেকে তিনি পারিবারিক খামার গড়ে তোলেন। বর্তমানে ৬টি গরু আছে তার খামারে। তার মধ্যে ষাঁড় আছে দুটি। তাদের খাদ্য তালিকায় রাখা হয়েছে খৈল, ভুষি, খড়, ভুট্টার গুড়া, সামান্য ভাত ও সবুজ ঘাষ। প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার টাকার খাবার ও তিনবার করে স্নান করাতে হয় নেইমারকে।
তিনি বলেন, তিন বছরের অধিক সময় ধরে ভালবাসা আর শ্রম দিয়ে নিজের ছেলের মত করে লালন পালন করছি নেইমারকে। সু-উচ্চ দেহ, আকর্ষনীয় শারিরীক গঠন এবং মাথার সামনের চুলের বিশেষ স্টাইলের কারণে ফেলেক্স ভি জাতের এই গরুটি সহজেই অন্য যে কোনো গরু থেকে আলাদা নজর কাড়ছে। বর্তমানে নেইমারের ৩৫ মণ ওজন হতে পারে। অনেকেই গরুটি কেনার জন্য দাম জানতে চেয়েছেন। ভাল দাম না বলায় ষাঁড়টি এখনো বিক্রি করতে পারিনি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ঈদের আগেই ষাঁড়টি বিক্রি হবে। আমি ১২ লাখ টাকা হলে ছেড়ে দেব।
অভয়নগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ষাঁড়টিকে আমি দেখতে গিয়েছিলাম। আদর করে ওরা ষাঁড়টিকে নেইমার বলে ডাকে। বিশালাকৃতি তবে ওজন মাপা হয়নি। সম্পূর্ণ স্বাভাবিক পরিবেশে প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে দেবু ও তার পরিবার নেইমারকে বড় করে তুলেছেন। আশা করছি, বিক্রি করে তিনি উপযুক্ত মূল্য পাবেন।
আর মাত্র ১০/১১ দিন পর কোরবানির ঈদ। এরই মধ্যেই সাড়া ফেলেছে যশোরের অভয়নগর উপজেলার সাড়ে পাঁচ ফুট উচ্চতার বিশালদেহী ‘নেইমার’ নামের ষাঁড়। বিক্রির জন্য প্রস্তুত প্রায় ৩৫ মণ ওজনের ষাঁড়টির দাম হাকানো হচ্ছে ১২ লাখ টাকা।
বিশালদেহী ষাঁড়টির শরীর কিছুটা বাদামী রঙের। মাথা, মুখ ও গলার সামনের অংশ দেখতে সাদাটে। পা, পেট আর বাদামী রঙের শরীরে কয়েকটি সাদাটে স্ট্রাইপ যোগ করেছে বাড়তি চেহারা। মাথার সামনের চুলের স্টাইল বেশ খানিকটা ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার নেইমারের মতো। তাই শখ করে মালিক ষাঁড়টির নাম রেখেছেন ‘নেইমার’।
ষাঁড়টির মালিক যশোরের অভয়নগর উপজেলার ডাঙামশিয়াহাটি গ্রামের নিরাঞ্জন পাঁড়ের ছেলে দেবু পাঁড়ে (৩৩)। তিন বছরের অধিক সময় ধরে একান্তই নিজের পরিবারের সদস্য মনে করে যত্ন আর ভালবাসা দিয়ে বড় করে তুলেছেন নেইমারকে।
সরেজমিনে দেবু পাড়ের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির পশ্চিম পাশে টিনের তৈরী একটি গোয়াল ঘরের পাশে ছাদ দেওয়া একটি প্রশস্তু কক্ষ। এই কক্ষেই নেইমার একাই থাকে। ষাঁড়টির গলায় কোনো দড়ি না থাকায় মাঝে মধ্যে ঘর থেকে উঠানে বেরিয়ে পায়চারি করছে আর ফেলে রাখা ঘাষ ও পাত্রে রাখা খাবার খাচ্ছে। গরুটি অণ্যন্ত শান্ত স্বভাবের হওয়ায় এবং কারও ক্ষতি না করায় সাধারণত গরুটিকে বেঁধে রাখা হয় না।
নেইমারকে এক নজর দেখতে দেখতে প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে আসছেন অনেকে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউবা আবার ভিডিও করছেন। সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন পড়সি অমিও ধর। তিনি জানান, পরম মমতা আর যত্নে দেবু ষাঁড়টিকে বড় করেছেন। বিক্রি হবে জেনে বিশালাকৃতির ষাঁড়টি দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে অনেকে দেখতে আসছে।
দেবু পাড়ে জানান, ছোট বেলা থেকেই পশু পালনের প্রতি তার আগ্রহ থাকায় গরু পরিচর্যায় তিনি বাবা-মাকে সহযোগিণা করতেন। এরপর পড়াশোনা শেষ করে ২০২২ সাল থেকে তিনি পারিবারিক খামার গড়ে তোলেন। বর্তমানে ৬টি গরু আছে তার খামারে। তার মধ্যে ষাঁড় আছে দুটি। তাদের খাদ্য তালিকায় রাখা হয়েছে খৈল, ভুষি, খড়, ভুট্টার গুড়া, সামান্য ভাত ও সবুজ ঘাষ। প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার টাকার খাবার ও তিনবার করে স্নান করাতে হয় নেইমারকে।
তিনি বলেন, তিন বছরের অধিক সময় ধরে ভালবাসা আর শ্রম দিয়ে নিজের ছেলের মত করে লালন পালন করছি নেইমারকে। সু-উচ্চ দেহ, আকর্ষনীয় শারিরীক গঠন এবং মাথার সামনের চুলের বিশেষ স্টাইলের কারণে ফেলেক্স ভি জাতের এই গরুটি সহজেই অন্য যে কোনো গরু থেকে আলাদা নজর কাড়ছে। বর্তমানে নেইমারের ৩৫ মণ ওজন হতে পারে। অনেকেই গরুটি কেনার জন্য দাম জানতে চেয়েছেন। ভাল দাম না বলায় ষাঁড়টি এখনো বিক্রি করতে পারিনি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ঈদের আগেই ষাঁড়টি বিক্রি হবে। আমি ১২ লাখ টাকা হলে ছেড়ে দেব।
অভয়নগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ষাঁড়টিকে আমি দেখতে গিয়েছিলাম। আদর করে ওরা ষাঁড়টিকে নেইমার বলে ডাকে। বিশালাকৃতি তবে ওজন মাপা হয়নি। সম্পূর্ণ স্বাভাবিক পরিবেশে প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে দেবু ও তার পরিবার নেইমারকে বড় করে তুলেছেন। আশা করছি, বিক্রি করে তিনি উপযুক্ত মূল্য পাবেন।
লোড হচ্ছে...