খেলা
তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয় স্পেনের
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে স্পেন। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য বিস্তার করে খেলা স্পেন ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি নিজেদের করে নেয়। অন্যদিকে, লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য শেষ ম্যাচটি শেষ হয় হতাশাজনক পরাজয়ে।
৮০ হাজারের বেশি দর্শকে পরিপূর্ণ মেটলাইফ স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে স্পষ্ট আধিপত্য দেখায় স্পেন। বিপরীতে আর্জেন্টিনা পুরো ১২০ মিনিটে একবারও প্রতিপক্ষের গোলমুখে অন-টার্গেট শট নিতে পারেনি। মেসিও স্প্যানিশ রক্ষণভাগের কড়া মার্কিংয়ে কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন।
প্রথমার্ধে ম্যাচে কয়েকটি বিতর্কিত মুহূর্ত তৈরি হয়। ১৫তম মিনিটে আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের কঠিন ট্যাকলে ডানি ওলমো আহত হলেও স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ শুধু ফাউলের বাঁশি বাজান, কোনো কার্ড দেখাননি। কিছুক্ষণ পর আলেক্স বায়েনার কনুইয়ের আঘাতের শিকার হন মেসি, সেখানেও শাস্তি এড়িয়ে যায় স্পেন।
৪১তম মিনিটে মিকেল ওয়ারজাবালের ওপর ফাউল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। পরে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লে তার জায়গায় নামেন নিকোলাস ওটামেন্ডি।
হাফটাইমে ম্যারাডোনা, শাকিরা ও জাস্টিন বিবারকে নিয়ে ২৭ মিনিটের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান হলেও দ্বিতীয়ার্ধে স্পেনের ছন্দে কোনো ভাটা পড়েনি। লুইস ডি লা ফুয়েন্তে বদলি হিসেবে পেদ্রি, ফেরান তোরেস, নিকো উইলিয়ামস ও মিকেল মেরিনোকে নামানোর পর স্পেনের আক্রমণের গতি আরও বেড়ে যায়।
আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন। তোরেস, পেদ্রি, কুবারসি, রদ্রি ও ইয়ামালের একাধিক প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন তিনি।
৮২তম মিনিটে প্রতিবাদ করায় হলুদ কার্ড দেখেন এনজো ফার্নান্দেজ। অতিরিক্ত সময়ে পাও কুবারসির ওপর বিপজ্জনক ট্যাকল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা।
এর আগে নিকো উইলিয়ামসের একটি গোল ফাউলের কারণে বাতিল হলেও ১০৬তম মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। পেদ্রো পোরোর ক্রসে নিকো উইলিয়ামস হেডে বল নামিয়ে দিলে ফেরান তোরেস শক্তিশালী শটে জাল খুঁজে নেন। সেই গোলই শেষ পর্যন্ত স্পেনকে এনে দেয় বিশ্বকাপের শিরোপা।
গোল হজমের পর শেষ মুহূর্তে সমতা ফেরানোর চেষ্টা করেও কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে একটিও অন-টার্গেট শট নিতে না পারা আলবিসেলেস্তেদের জন্য ফাইনালটি ছিল সম্পূর্ণ হতাশার।
এই জয়ের মাধ্যমে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলো স্পেন। অন্যদিকে, ৩৯ বছর বয়সী লিওনেল মেসির সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ শেষ হলো স্বপ্নভঙ্গের বেদনাতেই।
৮০ হাজারের বেশি দর্শকে পরিপূর্ণ মেটলাইফ স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে স্পষ্ট আধিপত্য দেখায় স্পেন। বিপরীতে আর্জেন্টিনা পুরো ১২০ মিনিটে একবারও প্রতিপক্ষের গোলমুখে অন-টার্গেট শট নিতে পারেনি। মেসিও স্প্যানিশ রক্ষণভাগের কড়া মার্কিংয়ে কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন।
প্রথমার্ধে ম্যাচে কয়েকটি বিতর্কিত মুহূর্ত তৈরি হয়। ১৫তম মিনিটে আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের কঠিন ট্যাকলে ডানি ওলমো আহত হলেও স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ শুধু ফাউলের বাঁশি বাজান, কোনো কার্ড দেখাননি। কিছুক্ষণ পর আলেক্স বায়েনার কনুইয়ের আঘাতের শিকার হন মেসি, সেখানেও শাস্তি এড়িয়ে যায় স্পেন।
৪১তম মিনিটে মিকেল ওয়ারজাবালের ওপর ফাউল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। পরে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লে তার জায়গায় নামেন নিকোলাস ওটামেন্ডি।
হাফটাইমে ম্যারাডোনা, শাকিরা ও জাস্টিন বিবারকে নিয়ে ২৭ মিনিটের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান হলেও দ্বিতীয়ার্ধে স্পেনের ছন্দে কোনো ভাটা পড়েনি। লুইস ডি লা ফুয়েন্তে বদলি হিসেবে পেদ্রি, ফেরান তোরেস, নিকো উইলিয়ামস ও মিকেল মেরিনোকে নামানোর পর স্পেনের আক্রমণের গতি আরও বেড়ে যায়।
আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন। তোরেস, পেদ্রি, কুবারসি, রদ্রি ও ইয়ামালের একাধিক প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন তিনি।
৮২তম মিনিটে প্রতিবাদ করায় হলুদ কার্ড দেখেন এনজো ফার্নান্দেজ। অতিরিক্ত সময়ে পাও কুবারসির ওপর বিপজ্জনক ট্যাকল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা।
এর আগে নিকো উইলিয়ামসের একটি গোল ফাউলের কারণে বাতিল হলেও ১০৬তম মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। পেদ্রো পোরোর ক্রসে নিকো উইলিয়ামস হেডে বল নামিয়ে দিলে ফেরান তোরেস শক্তিশালী শটে জাল খুঁজে নেন। সেই গোলই শেষ পর্যন্ত স্পেনকে এনে দেয় বিশ্বকাপের শিরোপা।
গোল হজমের পর শেষ মুহূর্তে সমতা ফেরানোর চেষ্টা করেও কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে একটিও অন-টার্গেট শট নিতে না পারা আলবিসেলেস্তেদের জন্য ফাইনালটি ছিল সম্পূর্ণ হতাশার।
এই জয়ের মাধ্যমে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলো স্পেন। অন্যদিকে, ৩৯ বছর বয়সী লিওনেল মেসির সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ শেষ হলো স্বপ্নভঙ্গের বেদনাতেই।
লোড হচ্ছে...