রাজনীতি
সারাদেশে তীব্র লোডশেডিং
‘বিদ্যুৎ মাঝে মাঝে যায় নাকি আসে’ প্রশ্ন আসিফ মাহমুদের
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
সারাদেশে অসহনীয় গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। বিশেষ করে শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলের পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে। এমন চরম বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীক্ষ্ণ প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি প্রশ্ন করেছেন, ‘মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ যায়? না কি মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ আসে?’
বুধবার (২২ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। তার এই প্রশ্নটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের ক্ষোভের প্রতিধ্বনি হিসেবে দেখা দিচ্ছে। লোডশেডিংয়ের বর্তমান পরিস্থিতিতে জনভোগান্তি যখন তুঙ্গে, তখন একজন রাজনৈতিক নেতার এমন মন্তব্য সাধারণ মানুষের কষ্টের চিত্রকেই ফুটিয়ে তুলেছে বলে মনে করছেন নেটিজেনরা।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলমান এই সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ ভারতের আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া। এর ফলে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা বিদ্যুতের পরিমাণ প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত ১টার পর আদানির ওই ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের জাতীয় গ্রিডে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে আদানি থেকে ১ হাজার ৪৪৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এলেও বুধবার দুপুর ১২টায় তা কমে দাঁড়ায় মাত্র ৭৫১ মেগাওয়াটে। সরবরাহের এই বিশাল ঘাটতির কারণে লোডশেডিংয়ের মাত্রা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। মঙ্গলবার যেখানে সন্ধ্যার পিকে লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৮৪০ মেগাওয়াট, সেখানে বুধবার দুপুরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৭১ মেগাওয়াটে।
তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে দীর্ঘ সময়ের এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় চরম ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ গেলে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টার আগে দেখা মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া না গেলেও আদানির কেন্দ্রটি সচল না হওয়া পর্যন্ত এই ভোগান্তি অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
সারাদেশে অসহনীয় গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। বিশেষ করে শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলের পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে। এমন চরম বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীক্ষ্ণ প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি প্রশ্ন করেছেন, ‘মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ যায়? না কি মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ আসে?’
বুধবার (২২ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। তার এই প্রশ্নটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের ক্ষোভের প্রতিধ্বনি হিসেবে দেখা দিচ্ছে। লোডশেডিংয়ের বর্তমান পরিস্থিতিতে জনভোগান্তি যখন তুঙ্গে, তখন একজন রাজনৈতিক নেতার এমন মন্তব্য সাধারণ মানুষের কষ্টের চিত্রকেই ফুটিয়ে তুলেছে বলে মনে করছেন নেটিজেনরা।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলমান এই সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ ভারতের আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া। এর ফলে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা বিদ্যুতের পরিমাণ প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত ১টার পর আদানির ওই ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের জাতীয় গ্রিডে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে আদানি থেকে ১ হাজার ৪৪৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এলেও বুধবার দুপুর ১২টায় তা কমে দাঁড়ায় মাত্র ৭৫১ মেগাওয়াটে। সরবরাহের এই বিশাল ঘাটতির কারণে লোডশেডিংয়ের মাত্রা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। মঙ্গলবার যেখানে সন্ধ্যার পিকে লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৮৪০ মেগাওয়াট, সেখানে বুধবার দুপুরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৭১ মেগাওয়াটে।
তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে দীর্ঘ সময়ের এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় চরম ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ গেলে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টার আগে দেখা মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া না গেলেও আদানির কেন্দ্রটি সচল না হওয়া পর্যন্ত এই ভোগান্তি অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
লোড হচ্ছে...