নারায়ণগঞ্জরূপগঞ্জ
নিখোঁজের ২দিন পর শীতলক্ষ্যা থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার
NHP NewsView

নিউজভিউ
শীতলক্ষ্যা নদীর পাড় থেকে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে দাউদপুর ইউনিয়নের খইসার গ্রাম সংলগ্ন নদীর পাড়ে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা খবর দিলে ইছাপুরা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তা উদ্ধার করেন।
নিহত যুবকের নাম রবিউল আউয়াল রবিন (২৫)। সে ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার মনজুরুল কাদেরের ছেলে এবং নরসিংদীর পলাশ এলাকায় অবস্থিত প্রাণ-আরএফএল কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।
স্বজনরা জানায়, রবিন গত রবিবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন। তাকে খুঁজে না পেয়ে পরিবার নরসিংদীর পলাশ থানা, বিভিন্ন হাসপাতাল ও কালিগঞ্জ থানায় হন্যে হয়ে সন্ধান চালায়। পরে তাঁর কর্মস্থলে গিয়ে জানা যায়, রবিন গত শনিবার থেকেই অফিসে ছিলেন না। রহস্যজনকভাবে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন এবং মানিব্যাগ অফিসেই রেখে বের হয়েছিলেন। এরপর থেকেই তাঁর আর কোনো হদিস মিলছিল না। মঙ্গলবার রাতে রূপগঞ্জ নৌ-পুলিশের ফোন পেয়ে স্বজনরা এসে রবিনের মরদেহ শনাক্ত করেন।
ইছাপুরা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক রঞ্জন কুমার জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো দুর্ঘটনা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
শীতলক্ষ্যা নদীর পাড় থেকে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে দাউদপুর ইউনিয়নের খইসার গ্রাম সংলগ্ন নদীর পাড়ে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা খবর দিলে ইছাপুরা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তা উদ্ধার করেন।
নিহত যুবকের নাম রবিউল আউয়াল রবিন (২৫)। সে ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার মনজুরুল কাদেরের ছেলে এবং নরসিংদীর পলাশ এলাকায় অবস্থিত প্রাণ-আরএফএল কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।
স্বজনরা জানায়, রবিন গত রবিবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন। তাকে খুঁজে না পেয়ে পরিবার নরসিংদীর পলাশ থানা, বিভিন্ন হাসপাতাল ও কালিগঞ্জ থানায় হন্যে হয়ে সন্ধান চালায়। পরে তাঁর কর্মস্থলে গিয়ে জানা যায়, রবিন গত শনিবার থেকেই অফিসে ছিলেন না। রহস্যজনকভাবে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন এবং মানিব্যাগ অফিসেই রেখে বের হয়েছিলেন। এরপর থেকেই তাঁর আর কোনো হদিস মিলছিল না। মঙ্গলবার রাতে রূপগঞ্জ নৌ-পুলিশের ফোন পেয়ে স্বজনরা এসে রবিনের মরদেহ শনাক্ত করেন।
ইছাপুরা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক রঞ্জন কুমার জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো দুর্ঘটনা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
লোড হচ্ছে...