নারায়ণগঞ্জসদর
মাহবুবুর রহমান মাসুমের পিতার মৃত্যুবার্ষিকীতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল
NewsView

নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুমের পিতা, ভাষা সৈনিক মরহুম আলহাজ্ব এম আবু বকর সিদ্দিকীর ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গত ১২ নভেম্বর মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্ষীয়ান এই নেতার প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানটি বাদ জোহর শহরের আলম খান লেনস্থ আদর্শ মহিলা মাদ্রাসা সোসাইটি ভবনে সম্পন্ন হয়। এই আয়োজনে মরহুমের দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
মরহুম আবু বকর সিদ্দিকীর আত্মার মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত এই মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তাঁর আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংবাদিক সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত বিশিষ্টজনদের মধ্যে ছিলেন: নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি প্রার্থী মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, বাংলাদেশ হোসিয়ারি সমিতির সভাপতি বদিউজ্জামান বদু, এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আহমেদুর রহমান তনু, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টু।
এছাড়াও, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি বিল্লাল হোসেন রবিন, সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন পন্টি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাফিজ আশরাফ, রফিকুল ইসলাম রফিক, আমির হোসেন স্মিথ, কাজী ইসলাম মিয়াসহ নারায়ণগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ এবং ব্যবসায়িক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এতে অংশ নেন।
দোয়া মাহফিল শেষে মরহুমের বড় ছেলে শহিদ বাঙ্গালী ও চতুর্থ ছেলে অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম নারায়ণগঞ্জবাসীর কাছে তাঁদের পিতার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষভাবে দোয়া প্রার্থনা করেন।
প্রসঙ্গত, মরহুম এম আবু বকর সিদ্দিক ছিলেন একাধারে ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় সৈনিক এবং সমাজসেবী। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে কারাবরণ করেন। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়ে নারায়ণগঞ্জে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। পরবর্তীতে তিনি রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেও, তাঁর রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস “আবার সূর্য উঠবে” সেই সময়ে পাঠক সমাজে বিপুল সমাদৃত হয়েছিল।
তিনি ইসলামিক সোসাইটি অব নারায়ণগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ আদর্শ স্কুলের সভাপতির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মহিলা মাদ্রাসার প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং কিন্ডার কেয়ার স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। ব্যবসা ক্ষেত্রেও তাঁর ছিল উজ্জ্বল উপস্থিতি; তিনি নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের প্রথম আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, নারায়ণগঞ্জ আটা-ময়দা মিল মালিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ধান-চাল মিলস মালিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৩ সালের ১২ নভেম্বর ৭৫ বছর বয়সে এই বিশিষ্ট ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেন।
মরহুম আবু বকর সিদ্দিকীর আত্মার মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত এই মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তাঁর আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংবাদিক সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত বিশিষ্টজনদের মধ্যে ছিলেন: নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি প্রার্থী মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, বাংলাদেশ হোসিয়ারি সমিতির সভাপতি বদিউজ্জামান বদু, এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আহমেদুর রহমান তনু, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টু।
এছাড়াও, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি বিল্লাল হোসেন রবিন, সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন পন্টি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাফিজ আশরাফ, রফিকুল ইসলাম রফিক, আমির হোসেন স্মিথ, কাজী ইসলাম মিয়াসহ নারায়ণগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ এবং ব্যবসায়িক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এতে অংশ নেন।
দোয়া মাহফিল শেষে মরহুমের বড় ছেলে শহিদ বাঙ্গালী ও চতুর্থ ছেলে অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম নারায়ণগঞ্জবাসীর কাছে তাঁদের পিতার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষভাবে দোয়া প্রার্থনা করেন।
প্রসঙ্গত, মরহুম এম আবু বকর সিদ্দিক ছিলেন একাধারে ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় সৈনিক এবং সমাজসেবী। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে কারাবরণ করেন। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়ে নারায়ণগঞ্জে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। পরবর্তীতে তিনি রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেও, তাঁর রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস “আবার সূর্য উঠবে” সেই সময়ে পাঠক সমাজে বিপুল সমাদৃত হয়েছিল।
তিনি ইসলামিক সোসাইটি অব নারায়ণগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ আদর্শ স্কুলের সভাপতির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মহিলা মাদ্রাসার প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং কিন্ডার কেয়ার স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। ব্যবসা ক্ষেত্রেও তাঁর ছিল উজ্জ্বল উপস্থিতি; তিনি নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের প্রথম আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, নারায়ণগঞ্জ আটা-ময়দা মিল মালিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ধান-চাল মিলস মালিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৩ সালের ১২ নভেম্বর ৭৫ বছর বয়সে এই বিশিষ্ট ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেন।
লোড হচ্ছে...