আন্তর্জাতিক
ইউক্রেনে ভয়াবহ জ্বালানি সংকট, রাজধানী ছাড়ার পরামর্শ
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যে ভয়াবহ জ্বালানি সংকটে পড়েছে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ। রাশিয়ার ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শহরের বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় নাগরিকদের সাময়িকভাবে শহর ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছেন মেয়র ভিতালি ক্লিচকো। যাদের বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা আছে, তাদের আপাতত নিরাপদ ও উষ্ণ কোনো স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্লিচকো বলেন, "কিয়েভের ইতিহাসে এই প্রথম এত তীব্র শীতের মধ্যে বিশাল একটি অংশ বিদ্যুৎ ও ঘর গরম রাখার (হিটিং) সুবিধা থেকে বঞ্চিত। জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেক পরিবার দিনে প্রায় ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎবিহীন থাকছে। এমনকি প্রায় ৬ হাজার অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে কেন্দ্রীয় তাপ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।"
মেয়র বর্তমান পরিস্থিতিকে 'রাজধানীর চরম সংকটকাল' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তীব্র শীতের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় ঘর গরম রাখার কোনো উপায় নেই, যা বাসিন্দাদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
তবে মেয়রের এই আহ্বানে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এই বার্তার সমালোচনা করে বলছেন, সবার যাওয়ার মতো বিকল্প জায়গা নেই। নাগরিক সমাজের একাংশের মতে, শহর ছাড়ার এই আহ্বান কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনারই নামান্তর। তাদের দাবি, কর্তৃপক্ষকে বিকল্প উপায়ে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ ও তাপ সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে।
উল্লেখ্য, শীতকালকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে ইউক্রেনের বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে রাশিয়া আক্রমণ জোরদার করায় দেশটির অধিকাংশ শহর এখন গভীর মানবিক সংকটের মুখে। সূত্র: রয়টার্স।
হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যে ভয়াবহ জ্বালানি সংকটে পড়েছে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ। রাশিয়ার ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শহরের বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় নাগরিকদের সাময়িকভাবে শহর ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছেন মেয়র ভিতালি ক্লিচকো। যাদের বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা আছে, তাদের আপাতত নিরাপদ ও উষ্ণ কোনো স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্লিচকো বলেন, "কিয়েভের ইতিহাসে এই প্রথম এত তীব্র শীতের মধ্যে বিশাল একটি অংশ বিদ্যুৎ ও ঘর গরম রাখার (হিটিং) সুবিধা থেকে বঞ্চিত। জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেক পরিবার দিনে প্রায় ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎবিহীন থাকছে। এমনকি প্রায় ৬ হাজার অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে কেন্দ্রীয় তাপ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।"
মেয়র বর্তমান পরিস্থিতিকে 'রাজধানীর চরম সংকটকাল' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তীব্র শীতের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় ঘর গরম রাখার কোনো উপায় নেই, যা বাসিন্দাদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
তবে মেয়রের এই আহ্বানে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এই বার্তার সমালোচনা করে বলছেন, সবার যাওয়ার মতো বিকল্প জায়গা নেই। নাগরিক সমাজের একাংশের মতে, শহর ছাড়ার এই আহ্বান কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনারই নামান্তর। তাদের দাবি, কর্তৃপক্ষকে বিকল্প উপায়ে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ ও তাপ সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে।
উল্লেখ্য, শীতকালকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে ইউক্রেনের বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে রাশিয়া আক্রমণ জোরদার করায় দেশটির অধিকাংশ শহর এখন গভীর মানবিক সংকটের মুখে। সূত্র: রয়টার্স।
লোড হচ্ছে...