নারায়ণগঞ্জসদর
দিগুবাবুর বাজারে ৯০০ কেজি জব্দ, দুই দোকানে জরিমানা
NewsView

পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নারায়ণগঞ্জ প্রশাসন। শনিবার (৮ নভেম্বর) রাতে নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকারি বাজার দিগুবাবুর বাজারে র্যাব-১১, জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের এক যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ পলিথিন জব্দ করা হয়।
এই অভিযানে নামহীন দুটি দোকান থেকে প্রায় ৯০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলেই দোকান দুইটিকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। র্যাব-১১ এর সিপিসি-১ আল মাসুদ খান জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি দোকানে ১০ হাজার এবং অপরটিতে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদ খান জানান, পরিবেশের ক্ষতিকারক নিষিদ্ধ এই পলিথিন ব্যাপকভাবে ব্যবহার হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতেই তারা অভিযান পরিচালনা করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "এখানে প্রাথমিকভাবে সতর্কতামূলক জরিমানা করা হয়েছে। কিন্তু যদি তারা পরবর্তীতে এই পলিথিন বিক্রি বন্ধ না করে, তাহলে জরিমানা বাড়ানো হবে এবং কারাদণ্ড দেওয়া হবে।"
রাশেদ খান আরও বলেন, পরিবেশকে রক্ষা করতে হলে নিষিদ্ধ এই পলিথিনের ব্যবহার রোধ করতে হবে। তিনি মনে করেন, শুধুমাত্র অভিযানের মাধ্যমে এটি পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়, বরং সকল নাগরিকের সচেতনতা সৃষ্টি হলেই এই পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব হবে।
অভিযানের সময় আশেপাশের দোকানগুলোতেও সতর্কতামূলক বার্তা দেওয়া হয়েছে যাতে কেউ এই ধরনের নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার না করে।
এই অভিযানে নামহীন দুটি দোকান থেকে প্রায় ৯০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলেই দোকান দুইটিকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। র্যাব-১১ এর সিপিসি-১ আল মাসুদ খান জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি দোকানে ১০ হাজার এবং অপরটিতে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদ খান জানান, পরিবেশের ক্ষতিকারক নিষিদ্ধ এই পলিথিন ব্যাপকভাবে ব্যবহার হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতেই তারা অভিযান পরিচালনা করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "এখানে প্রাথমিকভাবে সতর্কতামূলক জরিমানা করা হয়েছে। কিন্তু যদি তারা পরবর্তীতে এই পলিথিন বিক্রি বন্ধ না করে, তাহলে জরিমানা বাড়ানো হবে এবং কারাদণ্ড দেওয়া হবে।"
রাশেদ খান আরও বলেন, পরিবেশকে রক্ষা করতে হলে নিষিদ্ধ এই পলিথিনের ব্যবহার রোধ করতে হবে। তিনি মনে করেন, শুধুমাত্র অভিযানের মাধ্যমে এটি পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়, বরং সকল নাগরিকের সচেতনতা সৃষ্টি হলেই এই পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব হবে।
অভিযানের সময় আশেপাশের দোকানগুলোতেও সতর্কতামূলক বার্তা দেওয়া হয়েছে যাতে কেউ এই ধরনের নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার না করে।
লোড হচ্ছে...