রাজনীতিবন্দর
ক্ষমতার ভাগ নিতে নয়, অধিকার ফিরিয়ে দিতে এসেছি: তারিকুল সুজন
NewsView

নিউজভিউ
বন্দর উপজেলাকে একটি পরিকল্পিত আধুনিক নগর ও বিশেষায়িত শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বন্দর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনব্যাপী নিবিড় গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গণসংযোগকালে তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই শহর ও বন্দর এলাকা চরম অবহেলা, দুর্নীতি এবং দখলদারিত্বের শিকার হয়েছে। আমি এখানে ক্ষমতার ভাগ নিতে আসিনি, বরং সাধারণ মানুষের লুণ্ঠিত অধিকার ফিরিয়ে দিতে লড়াই করছি। জনগণের পাশে থেকে আমরা নারায়ণগঞ্জকে একটি নিরাপদ, বাসযোগ্য এবং বৈষম্যহীন শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
প্রচারণাকালে সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, কেবল জনপ্রতিনিধি পরিবর্তন নয়, এখন সময় এসেছে প্রচলিত শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন করার। বন্দরের শিল্পাঞ্চলকে শ্রমিক ও মালিকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত অঞ্চল হিসেবে রূপান্তর করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
এদিন বন্দরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় তারিকুল ইসলাম সুজনকে কাছে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা জানান। স্থানীয়রা জানান, বাস্তবসম্মত সমাধান এবং জনবান্ধব রাজনীতির অঙ্গীকার নিয়ে আসা এই তরুণ প্রার্থীর প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো।
গণসংহতি আন্দোলনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এ সময় ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রচারপত্র বিলি করেন এবং বিকল্প ধারার রাজনীতি শক্তিশালী করতে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান।
বন্দর উপজেলাকে একটি পরিকল্পিত আধুনিক নগর ও বিশেষায়িত শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বন্দর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনব্যাপী নিবিড় গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গণসংযোগকালে তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই শহর ও বন্দর এলাকা চরম অবহেলা, দুর্নীতি এবং দখলদারিত্বের শিকার হয়েছে। আমি এখানে ক্ষমতার ভাগ নিতে আসিনি, বরং সাধারণ মানুষের লুণ্ঠিত অধিকার ফিরিয়ে দিতে লড়াই করছি। জনগণের পাশে থেকে আমরা নারায়ণগঞ্জকে একটি নিরাপদ, বাসযোগ্য এবং বৈষম্যহীন শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
প্রচারণাকালে সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, কেবল জনপ্রতিনিধি পরিবর্তন নয়, এখন সময় এসেছে প্রচলিত শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন করার। বন্দরের শিল্পাঞ্চলকে শ্রমিক ও মালিকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত অঞ্চল হিসেবে রূপান্তর করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
এদিন বন্দরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় তারিকুল ইসলাম সুজনকে কাছে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা জানান। স্থানীয়রা জানান, বাস্তবসম্মত সমাধান এবং জনবান্ধব রাজনীতির অঙ্গীকার নিয়ে আসা এই তরুণ প্রার্থীর প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো।
গণসংহতি আন্দোলনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এ সময় ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রচারপত্র বিলি করেন এবং বিকল্প ধারার রাজনীতি শক্তিশালী করতে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান।
লোড হচ্ছে...