রাজনীতি
স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলমের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্তে সিআইডি
NewsView

নিউজভিউ
নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহ আলমের বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন, প্রতারণা ও ভোটারদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ আমলী আদালত (ফতুল্লা) অভিযোগটি আমলে নিয়ে বিস্তারিত তদন্তের জন্য সিআইডিকে (CID) নির্দেশ দিয়েছেন।
ফতুল্লার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহ আলমকে। এছাড়াও তাঁর স্ত্রী, দুই পুত্র এবং দুই সহযোগী সোহাগ ও শরীফকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মোহাম্মদ শাহ আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচনি প্রচারণায় নিজেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করছেন। তিনি তাঁর বরাদ্দকৃত ‘হরিণ’ প্রতীককে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতীক বলে প্রচার চালাচ্ছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রচারণায় তাঁর কর্মীরা “তারেক রহমানের মার্কা হরিণ মার্কা, দেশনেত্রীর মার্কা হরিণ মার্কা” স্লোগান ব্যবহার করছেন, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ভোটারদের সাথে প্রতারণার শামিল।
বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাড়ি ভূঁইয়া সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরও রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে দলীয় প্রধানদের নাম ও দলীয় ভাবমূর্তি ব্যবহার করছেন। এটি একটি সুস্পষ্ট জালিয়াতি। সাধারণ ভোটাররা যেন বিভ্রান্ত না হয়, সেজন্যই আদালতের শরণাপন্ন হওয়া হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের ভার দিয়েছেন।”
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির মূল জোটের প্রার্থীর পরিবর্তে বহিষ্কৃত নেতার এমন প্রচারণা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বেশ সমালোচনা চলছে। এই মামলার ফলে শাহ আলমের নির্বাচনি প্রচারণায় নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরই আদালত পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।
নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহ আলমের বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন, প্রতারণা ও ভোটারদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ আমলী আদালত (ফতুল্লা) অভিযোগটি আমলে নিয়ে বিস্তারিত তদন্তের জন্য সিআইডিকে (CID) নির্দেশ দিয়েছেন।
ফতুল্লার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহ আলমকে। এছাড়াও তাঁর স্ত্রী, দুই পুত্র এবং দুই সহযোগী সোহাগ ও শরীফকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মোহাম্মদ শাহ আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচনি প্রচারণায় নিজেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করছেন। তিনি তাঁর বরাদ্দকৃত ‘হরিণ’ প্রতীককে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতীক বলে প্রচার চালাচ্ছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রচারণায় তাঁর কর্মীরা “তারেক রহমানের মার্কা হরিণ মার্কা, দেশনেত্রীর মার্কা হরিণ মার্কা” স্লোগান ব্যবহার করছেন, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ভোটারদের সাথে প্রতারণার শামিল।
বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাড়ি ভূঁইয়া সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরও রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে দলীয় প্রধানদের নাম ও দলীয় ভাবমূর্তি ব্যবহার করছেন। এটি একটি সুস্পষ্ট জালিয়াতি। সাধারণ ভোটাররা যেন বিভ্রান্ত না হয়, সেজন্যই আদালতের শরণাপন্ন হওয়া হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের ভার দিয়েছেন।”
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির মূল জোটের প্রার্থীর পরিবর্তে বহিষ্কৃত নেতার এমন প্রচারণা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বেশ সমালোচনা চলছে। এই মামলার ফলে শাহ আলমের নির্বাচনি প্রচারণায় নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরই আদালত পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।
লোড হচ্ছে...