নারায়ণগঞ্জসদর
সরকার কয়েকটি ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক দলের কাছে নতিস্বীকার করেছে: ছাত্র ফ্রন্ট
NewsView

শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুষম বিকাশের লক্ষ্যে প্রাথমিকে সংগীত ও শরীরচর্চা শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হলেও, সরকারের সাম্প্রতিক এক সিদ্ধান্তে সেই পদ বাতিল হওয়ায় তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
এই আত্মঘাতি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া শহিদ মিনারের পাদদেশে প্রতিবাদী সমাবেশ করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা। সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেছেন, সরকার ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর চাপে নতিস্বীকার করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানবিক বিকাশের পথ রুদ্ধ করছে।
বেলা ৪টায় চাষাড়া শহিদ মিনারের সামনে আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক নাছিমা সরদার, জেলা সদস্য আহম্মেদ রবিন স্বপ্ন, সরকারি তোলারাম কলেজের সংগঠক ইফতি আহমেদ জিহাদ, এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোঃ সায়েম মিয়া প্রমুখ।
বক্তব্যে নেতারা অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে শিশুদের সুস্থ মানসিক ও শারীরিক বিকাশের পথ উন্মুক্ত করার দাবি জানান।
সমাবেশে ছাত্র ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, সংস্কৃতি কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই শিশুদের সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা ও খেলাধূলায় উৎসাহিত করতে এই পদগুলো সৃষ্টি করা হয়েছিল।
সংগঠনের নেতারা জোর দিয়ে বলেন, বর্তমানে যখন প্রযুক্তিনির্ভর নেশা, মাদক সেবন, কিশোর গ্যাং ও জঙ্গীবাদী প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন শিশুদের সুস্থ বিকাশে সংগীত ও খেলাধূলার গুরুত্ব অনস্বীকার্য।
তাঁরা অভিযোগ করেন, সরকার কয়েকটি ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক দলের কাছে নতিস্বীকার করেছে এবং তাদের হুমকি-ধামকিতে আত্মসমর্পণ করে এই আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তাঁরা সরকারকে অভিযুক্ত করে বলেন, এই চিহ্নিত গোষ্ঠী বাংলাদেশে তালেবানী কায়দায় শিক্ষা কাঠামো তৈরি করে একটি শারীরিক ও মানসিকভাবে পঙ্গু প্রজন্ম তৈরি করতে চাইছে।
নেতৃবৃন্দ অতীতের উদাহরণ টেনে বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলেও হেফাজত ইসলামের দাবির মুখে পাঠ্যপুস্তক থেকে দেশপ্রেম ও অসাম্প্রদায়িক বার্তাবাহী লেখা বাদ দেওয়া হয়েছিল। বক্তারা উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়েও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির প্রভাবে পাঠ্যপুস্তক সংশোধন কমিটি বাতিল, 'আদিবাসী' গ্রাফিতি অপসারণ, এবং পরবর্তীতে মাজার-মন্দির আক্রমণ ও ভাস্কর্য ভাংচুরের মতো ঘটনা ঘটছে।
তাঁদের মতে, শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলনে লাঠিচার্জ করা হলেও ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীকে পৃষ্ঠপোষকতা করার ধারাবাহিকতাতেই প্রাথমিকে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষকের পদ বাতিলের মতো সিদ্ধান্ত এসেছে।
সমাবেশ থেকে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সরকারের এই জনবিরোধী ও শিক্ষাবিরোধী সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানায়। একইসঙ্গে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে প্রাথমিকে শারীরিক ও সংগীতের শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে শিশু-কিশোরদের মানবিক ও সুষম বিকাশের রাস্তা খুলে দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানান।
এই আত্মঘাতি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া শহিদ মিনারের পাদদেশে প্রতিবাদী সমাবেশ করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা। সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেছেন, সরকার ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর চাপে নতিস্বীকার করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানবিক বিকাশের পথ রুদ্ধ করছে।
বেলা ৪টায় চাষাড়া শহিদ মিনারের সামনে আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক নাছিমা সরদার, জেলা সদস্য আহম্মেদ রবিন স্বপ্ন, সরকারি তোলারাম কলেজের সংগঠক ইফতি আহমেদ জিহাদ, এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোঃ সায়েম মিয়া প্রমুখ।
বক্তব্যে নেতারা অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে শিশুদের সুস্থ মানসিক ও শারীরিক বিকাশের পথ উন্মুক্ত করার দাবি জানান।
সমাবেশে ছাত্র ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, সংস্কৃতি কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই শিশুদের সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা ও খেলাধূলায় উৎসাহিত করতে এই পদগুলো সৃষ্টি করা হয়েছিল।
সংগঠনের নেতারা জোর দিয়ে বলেন, বর্তমানে যখন প্রযুক্তিনির্ভর নেশা, মাদক সেবন, কিশোর গ্যাং ও জঙ্গীবাদী প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন শিশুদের সুস্থ বিকাশে সংগীত ও খেলাধূলার গুরুত্ব অনস্বীকার্য।
তাঁরা অভিযোগ করেন, সরকার কয়েকটি ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক দলের কাছে নতিস্বীকার করেছে এবং তাদের হুমকি-ধামকিতে আত্মসমর্পণ করে এই আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তাঁরা সরকারকে অভিযুক্ত করে বলেন, এই চিহ্নিত গোষ্ঠী বাংলাদেশে তালেবানী কায়দায় শিক্ষা কাঠামো তৈরি করে একটি শারীরিক ও মানসিকভাবে পঙ্গু প্রজন্ম তৈরি করতে চাইছে।
নেতৃবৃন্দ অতীতের উদাহরণ টেনে বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলেও হেফাজত ইসলামের দাবির মুখে পাঠ্যপুস্তক থেকে দেশপ্রেম ও অসাম্প্রদায়িক বার্তাবাহী লেখা বাদ দেওয়া হয়েছিল। বক্তারা উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়েও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির প্রভাবে পাঠ্যপুস্তক সংশোধন কমিটি বাতিল, 'আদিবাসী' গ্রাফিতি অপসারণ, এবং পরবর্তীতে মাজার-মন্দির আক্রমণ ও ভাস্কর্য ভাংচুরের মতো ঘটনা ঘটছে।
তাঁদের মতে, শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলনে লাঠিচার্জ করা হলেও ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীকে পৃষ্ঠপোষকতা করার ধারাবাহিকতাতেই প্রাথমিকে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষকের পদ বাতিলের মতো সিদ্ধান্ত এসেছে।
সমাবেশ থেকে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সরকারের এই জনবিরোধী ও শিক্ষাবিরোধী সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানায়। একইসঙ্গে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে প্রাথমিকে শারীরিক ও সংগীতের শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে শিশু-কিশোরদের মানবিক ও সুষম বিকাশের রাস্তা খুলে দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানান।
লোড হচ্ছে...