আন্তর্জাতিক
দুটি ট্রেনে ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত ২১
NewsView

নিউজভিউ
স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর করদোভায় দুটি দ্রুতগামী ট্রেনের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে করদোভা শহরের আদামুজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ২১ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ৭৩ জন যাত্রী। উদ্ধারকাজ এখনো চলমান থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যেভাবে ঘটলো দুর্ঘটনা স্প্যানিশ রেল নেটওয়ার্ক অপারেটর ‘আদিফ’ জানায়, মালাগা থেকে মাদ্রিদগামী একটি দ্রুতগামী ট্রেন আদামুজ এলাকার কাছে হঠাৎ লাইনচ্যুত হয়ে পাশের ট্র্যাকে চলে যায়। ঠিক সেই মুহূর্তে বিপরীত দিক (মাদ্রিদ) থেকে হুয়েলভাগামী আরেকটি ট্রেন তীব্র গতিতে ওই ট্র্যাকে চলে এলে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বেসরকারি কোম্পানি ‘ইরিও’র ট্রেনটিতে প্রায় ৩০০ এবং রাষ্ট্রীয় সংস্থা ‘রেনফে’র ট্রেনে প্রায় ১০০ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার কবলে পড়া ট্রেনটি ‘ফ্রেচ্চিয়া ১০০০’ মডেলের, যা ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪০০ কিলোমিটার গতিতে চলতে সক্ষম।
উদ্ধার অভিযানে জটিলতা করদোভা ফায়ার সার্ভিসের প্রধান ফ্রান্সিসকো কারমোনা জানিয়েছেন, ট্রেনের ধ্বংসাবশেষ এমনভাবে দুমড়েমুচড়ে গেছে যে সেখান থেকে জীবিত বা মৃতদেহ উদ্ধার করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে একজনকে উদ্ধার করতে গিয়ে লাশের স্তূপ সরাতে হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আন্দালুসিয়ার সব জরুরি সেবাদানকারী সংস্থা একযোগে কাজ করছে।
তদন্ত ও প্রতিক্রিয়া স্পেনের পরিবহনমন্ত্রী অস্কার পুয়েন্তে এই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত অদ্ভুত’ বলে অভিহিত করেছেন। কারণ ট্রেনটি যে স্থানে লাইনচ্যুত হয়েছে সেটি সম্পূর্ণ সোজা পথ এবং গত বছরের মে মাসেই তা সংস্কার করা হয়েছিল। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন পেতে অন্তত এক মাস সময় লাগতে পারে।
এই ট্র্যাজেডিতে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ গভীর শোক প্রকাশ করে বলেছেন, দেশ আজ এক ‘গভীর বেদনার রাত’ পার করছে। রাজা ষষ্ঠ ফেলিপে এবং রানি লেতিসিয়াও নিহতদের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। এছাড়া ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লেয়েন এই দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করে স্পেনের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন।
রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার পর মাদ্রিদ ও আন্দালুসিয়ার মধ্যে সব ধরণের রেল যোগাযোগ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্বজনদের সহায়তায় মাদ্রিদ, করদোভা ও মালাগাসহ বিভিন্ন স্টেশনে বিশেষ তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র খোলা হয়েছে। উল্লেখ্য, স্পেনের ইতিহাসে এটি ২০১৩ সালের পর সবচেয়ে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স।
স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর করদোভায় দুটি দ্রুতগামী ট্রেনের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে করদোভা শহরের আদামুজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ২১ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ৭৩ জন যাত্রী। উদ্ধারকাজ এখনো চলমান থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যেভাবে ঘটলো দুর্ঘটনা স্প্যানিশ রেল নেটওয়ার্ক অপারেটর ‘আদিফ’ জানায়, মালাগা থেকে মাদ্রিদগামী একটি দ্রুতগামী ট্রেন আদামুজ এলাকার কাছে হঠাৎ লাইনচ্যুত হয়ে পাশের ট্র্যাকে চলে যায়। ঠিক সেই মুহূর্তে বিপরীত দিক (মাদ্রিদ) থেকে হুয়েলভাগামী আরেকটি ট্রেন তীব্র গতিতে ওই ট্র্যাকে চলে এলে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বেসরকারি কোম্পানি ‘ইরিও’র ট্রেনটিতে প্রায় ৩০০ এবং রাষ্ট্রীয় সংস্থা ‘রেনফে’র ট্রেনে প্রায় ১০০ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার কবলে পড়া ট্রেনটি ‘ফ্রেচ্চিয়া ১০০০’ মডেলের, যা ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪০০ কিলোমিটার গতিতে চলতে সক্ষম।
উদ্ধার অভিযানে জটিলতা করদোভা ফায়ার সার্ভিসের প্রধান ফ্রান্সিসকো কারমোনা জানিয়েছেন, ট্রেনের ধ্বংসাবশেষ এমনভাবে দুমড়েমুচড়ে গেছে যে সেখান থেকে জীবিত বা মৃতদেহ উদ্ধার করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে একজনকে উদ্ধার করতে গিয়ে লাশের স্তূপ সরাতে হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আন্দালুসিয়ার সব জরুরি সেবাদানকারী সংস্থা একযোগে কাজ করছে।
তদন্ত ও প্রতিক্রিয়া স্পেনের পরিবহনমন্ত্রী অস্কার পুয়েন্তে এই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত অদ্ভুত’ বলে অভিহিত করেছেন। কারণ ট্রেনটি যে স্থানে লাইনচ্যুত হয়েছে সেটি সম্পূর্ণ সোজা পথ এবং গত বছরের মে মাসেই তা সংস্কার করা হয়েছিল। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন পেতে অন্তত এক মাস সময় লাগতে পারে।
এই ট্র্যাজেডিতে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ গভীর শোক প্রকাশ করে বলেছেন, দেশ আজ এক ‘গভীর বেদনার রাত’ পার করছে। রাজা ষষ্ঠ ফেলিপে এবং রানি লেতিসিয়াও নিহতদের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। এছাড়া ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লেয়েন এই দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করে স্পেনের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন।
রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার পর মাদ্রিদ ও আন্দালুসিয়ার মধ্যে সব ধরণের রেল যোগাযোগ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্বজনদের সহায়তায় মাদ্রিদ, করদোভা ও মালাগাসহ বিভিন্ন স্টেশনে বিশেষ তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র খোলা হয়েছে। উল্লেখ্য, স্পেনের ইতিহাসে এটি ২০১৩ সালের পর সবচেয়ে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স।
লোড হচ্ছে...