লাইফস্টাইল
ধূমপান করেও সবার ক্যানসার হয় না কেন?
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
ধূমপান যে ক্যানসারের অন্যতম বড় কারণ, তা চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রতিষ্ঠিত। তবু দীর্ঘদিন অতিরিক্ত ধূমপান করেও অনেকের ক্যানসার হয় না, আবার ধূমপান না করেও কেউ কেউ ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হন। কেন এমন হয়, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়-এর গবেষকেরা। তাঁদের গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার-এ।
গবেষকেরা বলছেন, ক্যানসারের ঝুঁকি শুধু ধূমপানের পরিমাণের উপর নির্ভর করে না; ব্যক্তির জিনগত গঠনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ধূমপান, মদ্যপান, প্রক্রিয়াজাত খাবার, কিছু রাসায়নিক পদার্থ ও সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি শরীরের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এই ক্ষতির ফলে জিনে পরিবর্তন বা মিউটেশন ঘটলে কোষ অস্বাভাবিকভাবে বিভাজিত হতে শুরু করে এবং তা ক্যানসারে রূপ নিতে পারে।
আগের গবেষণায় বিআরসিএ১’ বা ‘টিপি৫৩ নামের জিনে পরিবর্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় বলে জানা গিয়েছিল। নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, আরও কিছু বংশগত জিনের গঠন বদলে গেলেও ঝুঁকি বাড়তে পারে। তামাকজাত দ্রব্যে থাকা বিষাক্ত উপাদান এসব জিনগত পরিবর্তন ঘটাতে সহায়তা করতে পারে।
বিষয়টি যাচাই করতে গবেষকেরা মানুষের জিনের সঙ্গে মিল আছে এমন চার ধরনের ইঁদুর তৈরি করেন। নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে তাদের শরীরে ডাই-ইথাইলনাইট্রোসামাইন (DEN) নামের একটি রাসায়নিক প্রয়োগ করা হয়, যা তামাকের ধোঁয়া ও কিছু প্রক্রিয়াজাত খাবারে পাওয়া যায়। দেখা যায়, সব ইঁদুরের ক্যানসার হয়নি। যাদের ক্যানসার হয়েছে, তাদের শরীরে নির্দিষ্ট কিছু জিনে মিউটেশন পাওয়া গেছে; অন্যদের সেই জিন অপরিবর্তিত ছিল।
গবেষকদের মতে, এর অর্থ ক্যানসার হওয়া বা না হওয়া অনেকটাই জিনের উপর নির্ভরশীল। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, “আমার ক্যানসার হবে না” ভেবে ধূমপান করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ কখন তামাকের বিষাক্ত উপাদান ডিএনএ-তে ক্ষতি ঘটাবে, তা আগে থেকে বোঝা যায় না।
তাই গবেষণার মূল বার্তা হলো—জিনগত বৈশিষ্ট্য ক্যানসারের ঝুঁকিকে প্রভাবিত করলেও ধূমপান সেই ঝুঁকি বাড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ, এবং ধূমপান ত্যাগ করাই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।
গবেষকেরা বলছেন, ক্যানসারের ঝুঁকি শুধু ধূমপানের পরিমাণের উপর নির্ভর করে না; ব্যক্তির জিনগত গঠনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ধূমপান, মদ্যপান, প্রক্রিয়াজাত খাবার, কিছু রাসায়নিক পদার্থ ও সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি শরীরের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এই ক্ষতির ফলে জিনে পরিবর্তন বা মিউটেশন ঘটলে কোষ অস্বাভাবিকভাবে বিভাজিত হতে শুরু করে এবং তা ক্যানসারে রূপ নিতে পারে।
আগের গবেষণায় বিআরসিএ১’ বা ‘টিপি৫৩ নামের জিনে পরিবর্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় বলে জানা গিয়েছিল। নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, আরও কিছু বংশগত জিনের গঠন বদলে গেলেও ঝুঁকি বাড়তে পারে। তামাকজাত দ্রব্যে থাকা বিষাক্ত উপাদান এসব জিনগত পরিবর্তন ঘটাতে সহায়তা করতে পারে।
বিষয়টি যাচাই করতে গবেষকেরা মানুষের জিনের সঙ্গে মিল আছে এমন চার ধরনের ইঁদুর তৈরি করেন। নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে তাদের শরীরে ডাই-ইথাইলনাইট্রোসামাইন (DEN) নামের একটি রাসায়নিক প্রয়োগ করা হয়, যা তামাকের ধোঁয়া ও কিছু প্রক্রিয়াজাত খাবারে পাওয়া যায়। দেখা যায়, সব ইঁদুরের ক্যানসার হয়নি। যাদের ক্যানসার হয়েছে, তাদের শরীরে নির্দিষ্ট কিছু জিনে মিউটেশন পাওয়া গেছে; অন্যদের সেই জিন অপরিবর্তিত ছিল।
গবেষকদের মতে, এর অর্থ ক্যানসার হওয়া বা না হওয়া অনেকটাই জিনের উপর নির্ভরশীল। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, “আমার ক্যানসার হবে না” ভেবে ধূমপান করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ কখন তামাকের বিষাক্ত উপাদান ডিএনএ-তে ক্ষতি ঘটাবে, তা আগে থেকে বোঝা যায় না।
তাই গবেষণার মূল বার্তা হলো—জিনগত বৈশিষ্ট্য ক্যানসারের ঝুঁকিকে প্রভাবিত করলেও ধূমপান সেই ঝুঁকি বাড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ, এবং ধূমপান ত্যাগ করাই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।
লোড হচ্ছে...