সারা দেশ
তিস্তা মহাপরিকল্পনায় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার, আশায় উত্তরাঞ্চল
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের এই অঙ্গীকারের পর তিস্তাপাড়ের মানুষের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনকারীরাও এ ঘোষণাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং দ্রুত কাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্ষার অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষকদের নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা দেন, জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের তিস্তা ও পানিসংকটের বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে বদ্ধপরিকর।
প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল। তিনি বলেন, দ্রুত মহাপরিকল্পনার রোডম্যাপ তৈরি করে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।
রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামছুজ্জামান সামু বলেন, মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে খরা মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষায় বন্যার দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে। একই সঙ্গে এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।
‘তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও’ সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানিও দ্রুত প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়ন শুরুর আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, প্রতিবছর বর্ষায় নদীভাঙন ও বন্যায় বহু মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন, আবার শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হয়। তাই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নকে তারা দীর্ঘদিনের দাবির বাস্তব রূপ হিসেবে দেখছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে তিস্তা নদীতে পানিপ্রবাহ নেমে আসে ৮০০ থেকে এক হাজার কিউসেকে। অন্যদিকে বর্ষায় প্রবাহ বেড়ে প্রায় চার লাখ কিউসেকে পৌঁছায়, যা প্রায়ই বন্যা ও নদীভাঙনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বর্ষার অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ, শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, নদীভাঙন নিয়ন্ত্রণ এবং উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।
সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্ষার অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষকদের নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা দেন, জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের তিস্তা ও পানিসংকটের বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে বদ্ধপরিকর।
প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল। তিনি বলেন, দ্রুত মহাপরিকল্পনার রোডম্যাপ তৈরি করে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।
রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামছুজ্জামান সামু বলেন, মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে খরা মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষায় বন্যার দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে। একই সঙ্গে এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।
‘তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও’ সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানিও দ্রুত প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়ন শুরুর আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, প্রতিবছর বর্ষায় নদীভাঙন ও বন্যায় বহু মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন, আবার শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হয়। তাই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নকে তারা দীর্ঘদিনের দাবির বাস্তব রূপ হিসেবে দেখছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে তিস্তা নদীতে পানিপ্রবাহ নেমে আসে ৮০০ থেকে এক হাজার কিউসেকে। অন্যদিকে বর্ষায় প্রবাহ বেড়ে প্রায় চার লাখ কিউসেকে পৌঁছায়, যা প্রায়ই বন্যা ও নদীভাঙনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বর্ষার অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ, শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, নদীভাঙন নিয়ন্ত্রণ এবং উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।
লোড হচ্ছে...