জাতীয়
দুর্গমতার কারণে আলীকদমে হামের চিকিৎসা ব্যাহত
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় হামের প্রকটতা আশঙ্কাজনক আকার ধারণ করেছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলায় শনাক্ত হওয়া রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত আলীকদম উপজেলার বাসিন্দা।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহীন হোসাইন চৌধুরী জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কুরুকপাতা বাজারে একটি অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। ক্যাম্পে একসঙ্গে ৩০ রোগী ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে তিনজন চিকিৎসক, তিনজন নার্স, একজন এমএলএসএস এবং একজন সহকারী সিভিল সার্জন দায়িত্বে আছেন।
চিকিৎসকরা জানান, ক্যাম্প শুরুর প্রথম দিন জ্বর ও শরীরে গুটি নিয়ে আসা ৬৫ জন রোগীর মধ্যে তিনজনের শরীরে হামের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। পরদিন ৫৫ জন রোগী পরীক্ষা করে আরও ছয়জনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. মো. হানিফ চৌধুরী জানান, একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৮ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে, যাদের অধিকাংশই ম্রো ও মারমা সম্প্রদায়ের শিশু। আক্রান্তরা কুরুকপাতা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তবে জেলা সদর, থানচি, রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় এখনো কোনো আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো জানান, সম্প্রতি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথে ১০ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যুর দাবি করেন তিনি। তবে সরকারি তথ্যের অভাবে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নেপিউ পাড়ার বাসিন্দা রেংপোয়াইং ম্রো জানান, তার ১০ বছর বয়সী ছেলে গত সাত দিন ধরে হামে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী। জ্বর, সর্দি-কাশি ও শরীরে লালচে দানা নিয়ে কষ্ট পাচ্ছে শিশুটি। পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও টিকার অভাবে অবস্থার অবনতি হচ্ছে বলে জানান তিনি।
প্রেনপাউ ম্রো বলেন, ‘সাতদিন ধরে আমার ছেলে মারাত্মকভাবে অসুস্থ। চিকিৎসা করাতে পারছি না, খুব কষ্ট হচ্ছে সন্তানের জন্য।’
ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বলেন, দুর্গমতার কারণে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপনের ফলে কিছুটা স্বস্তি এলেও এটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। ক্যাম্পটিকে স্থায়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রূপান্তরের দাবি জানান তিনি।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহীন হোসাইন চৌধুরী জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কুরুকপাতা বাজারে একটি অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। ক্যাম্পে একসঙ্গে ৩০ রোগী ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে তিনজন চিকিৎসক, তিনজন নার্স, একজন এমএলএসএস এবং একজন সহকারী সিভিল সার্জন দায়িত্বে আছেন।
চিকিৎসকরা জানান, ক্যাম্প শুরুর প্রথম দিন জ্বর ও শরীরে গুটি নিয়ে আসা ৬৫ জন রোগীর মধ্যে তিনজনের শরীরে হামের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। পরদিন ৫৫ জন রোগী পরীক্ষা করে আরও ছয়জনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. মো. হানিফ চৌধুরী জানান, একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৮ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে, যাদের অধিকাংশই ম্রো ও মারমা সম্প্রদায়ের শিশু। আক্রান্তরা কুরুকপাতা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তবে জেলা সদর, থানচি, রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় এখনো কোনো আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো জানান, সম্প্রতি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথে ১০ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যুর দাবি করেন তিনি। তবে সরকারি তথ্যের অভাবে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নেপিউ পাড়ার বাসিন্দা রেংপোয়াইং ম্রো জানান, তার ১০ বছর বয়সী ছেলে গত সাত দিন ধরে হামে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী। জ্বর, সর্দি-কাশি ও শরীরে লালচে দানা নিয়ে কষ্ট পাচ্ছে শিশুটি। পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও টিকার অভাবে অবস্থার অবনতি হচ্ছে বলে জানান তিনি।
প্রেনপাউ ম্রো বলেন, ‘সাতদিন ধরে আমার ছেলে মারাত্মকভাবে অসুস্থ। চিকিৎসা করাতে পারছি না, খুব কষ্ট হচ্ছে সন্তানের জন্য।’
ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বলেন, দুর্গমতার কারণে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপনের ফলে কিছুটা স্বস্তি এলেও এটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। ক্যাম্পটিকে স্থায়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রূপান্তরের দাবি জানান তিনি।
লোড হচ্ছে...