জাতীয়
হরমুজ প্রণালি হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ১২ জাহাজ
NewsView4
-69aaa633306ff.jpg)
নিউজভিউ ডেস্ক
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এর হামলার আগে ১৫ টি জাহাজ হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর অতিক্রম করে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া শুরু করেছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা হওয়ার পূর্বে এসব জাহাজ যাত্রা শুরু করায় এখনো সরবরাহে বড় কোন বিঘ্ন ঘটেনি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে আসা ১৫টি জাহাজের মধ্যে ইতিমধ্যে ১২টি চট্টগ্রাম বন্দরে এ পৌঁছেছে এবং বাকি তিনটি চলতি সপ্তাহে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এসব জাহাজে মোট প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টন পণ্য রয়েছে যার মধ্যে চারটিতে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি, দুটিতে এলপিজি এবং নয়টিতে সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল ক্লিংকারসহ জিপসাম, চুনাপাথর ও পাথর মিলিয়ে প্রায় ৫ লাখ ১৫ হাজার টন উপকরণ রয়েছে। কাতার থেকে প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি বহনকারী ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ ইতিমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। আর ওমানের সোহার বন্দর থেকে ২২ হাজার ১৭২ টন এলপিজি নিয়ে ‘সেভান’ রোববার পৌঁছানোর কথা; একইভাবে ‘আল গালায়েল’ ও ‘লুসাইল’ নামে আরও দুটি এলএনজিবাহী জাহাজ শিগগিরই বন্দরের জলসীমায় পৌঁছাতে পারে। তবে ‘লিব্রেথা’ নামে আরেকটি এলএনজিবাহী জাহাজ এখনো হরমুজ প্রণালির ভেতরে অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে সেটি প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে কি না।
সংশ্লিষ্টরা জানান গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর তেহরানের প্রতিক্রিয়ায় এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে; কারণ ২০২৪–২৫ অর্থবছরে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য, যার বড় অংশ জ্বালানি, আমদানি করেছে।
বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে আসা ১৫টি জাহাজের মধ্যে ইতিমধ্যে ১২টি চট্টগ্রাম বন্দরে এ পৌঁছেছে এবং বাকি তিনটি চলতি সপ্তাহে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এসব জাহাজে মোট প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টন পণ্য রয়েছে যার মধ্যে চারটিতে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি, দুটিতে এলপিজি এবং নয়টিতে সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল ক্লিংকারসহ জিপসাম, চুনাপাথর ও পাথর মিলিয়ে প্রায় ৫ লাখ ১৫ হাজার টন উপকরণ রয়েছে। কাতার থেকে প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি বহনকারী ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ ইতিমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। আর ওমানের সোহার বন্দর থেকে ২২ হাজার ১৭২ টন এলপিজি নিয়ে ‘সেভান’ রোববার পৌঁছানোর কথা; একইভাবে ‘আল গালায়েল’ ও ‘লুসাইল’ নামে আরও দুটি এলএনজিবাহী জাহাজ শিগগিরই বন্দরের জলসীমায় পৌঁছাতে পারে। তবে ‘লিব্রেথা’ নামে আরেকটি এলএনজিবাহী জাহাজ এখনো হরমুজ প্রণালির ভেতরে অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে সেটি প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে কি না।
সংশ্লিষ্টরা জানান গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর তেহরানের প্রতিক্রিয়ায় এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে; কারণ ২০২৪–২৫ অর্থবছরে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য, যার বড় অংশ জ্বালানি, আমদানি করেছে।
লোড হচ্ছে...