খেলা
ইনজুরি টাইমে মার্টিনেলির গোলে শেষ ষোলোয় ব্রাজিল
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করেও ব্রাজিলকে আটকে রাখতে পারেনি জাপান। ইনজুরি টাইমে বদলি খেলোয়াড় গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলির দুর্দান্ত গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোল নিশ্চিত করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
হিউস্টনের গ্যালারি তখন উত্তেজনায় টগবগ করছে। নির্ধারিত ৯০ মিনিট পেরিয়ে ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই ৯৫তম মিনিটে জয়ের নায়ক হয়ে আবির্ভূত হন আর্সেনাল উইঙ্গার মার্টিনেলি। তার গোলেই উল্লাসে ফেটে পড়ে ব্রাজিল শিবির, আর হতাশায় স্তব্ধ হয়ে যায় হাজারো জাপানি সমর্থক।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ছিল জাপানের। ২৯তম মিনিটে ব্রাজিলের মাঝমাঠের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বল কেড়ে নেন কাইসু সানো। এরপর একক প্রচেষ্টায় গোলরক্ষক অ্যালিসনকে পরাস্ত করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে এটিই ছিল সানোর প্রথম গোল।
এক গোল পিছিয়ে পড়ার পর প্রথমার্ধে নিজেদের খুঁজে পায়নি ব্রাজিল। বিরতির পর আক্রমণে গতি আনতে একাদশে পরিবর্তন আনেন কার্লো আনচেলত্তি। আর তাতেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র।
৫৬তম মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মাগালহেসের ক্রস থেকে শক্তিশালী হেডে সমতা ফেরান ক্যাসেমিরো। এরপর একের পর এক আক্রমণে জাপানের রক্ষণকে চাপে রাখে সেলেসাওরা। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট পোস্টে লাগে, আর তাকেহিরো তোমিয়াসু দুইবার গোললাইন থেকে বল ফিরিয়ে দিয়ে জাপানকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন।
তবে শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলের চাপ আর সামলাতে পারেনি এশিয়ার প্রতিনিধিরা। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে মার্টিনেলির নিখুঁত ফিনিশিংয়ে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। সেই গোলেই নাটকীয় জয় নিশ্চিত করে শেষ ষোলের টিকিট কেটে নেয় ব্রাজিল।
৬৮ হাজার ৭৭৭ দর্শকে ঠাসা হিউস্টন স্টেডিয়ামে পুরো ম্যাচজুড়েই ছিল উৎসবের আবহ। বদলি বেঞ্চে থাকা নেইমারকে বড় পর্দায় দেখানো হলে গর্জে ওঠে গ্যালারি। মাঠে আনচেলত্তির কৌশল আর খেলোয়াড়দের ধৈর্যের পুরস্কার মিলেছে শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগে।
এই জয়ে আগামী রোববার নিউ জার্সিতে শেষ ষোলোয় আইভরি কোস্ট ও নরওয়ের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল।
হিউস্টনের গ্যালারি তখন উত্তেজনায় টগবগ করছে। নির্ধারিত ৯০ মিনিট পেরিয়ে ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই ৯৫তম মিনিটে জয়ের নায়ক হয়ে আবির্ভূত হন আর্সেনাল উইঙ্গার মার্টিনেলি। তার গোলেই উল্লাসে ফেটে পড়ে ব্রাজিল শিবির, আর হতাশায় স্তব্ধ হয়ে যায় হাজারো জাপানি সমর্থক।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ছিল জাপানের। ২৯তম মিনিটে ব্রাজিলের মাঝমাঠের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বল কেড়ে নেন কাইসু সানো। এরপর একক প্রচেষ্টায় গোলরক্ষক অ্যালিসনকে পরাস্ত করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে এটিই ছিল সানোর প্রথম গোল।
এক গোল পিছিয়ে পড়ার পর প্রথমার্ধে নিজেদের খুঁজে পায়নি ব্রাজিল। বিরতির পর আক্রমণে গতি আনতে একাদশে পরিবর্তন আনেন কার্লো আনচেলত্তি। আর তাতেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র।
৫৬তম মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মাগালহেসের ক্রস থেকে শক্তিশালী হেডে সমতা ফেরান ক্যাসেমিরো। এরপর একের পর এক আক্রমণে জাপানের রক্ষণকে চাপে রাখে সেলেসাওরা। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট পোস্টে লাগে, আর তাকেহিরো তোমিয়াসু দুইবার গোললাইন থেকে বল ফিরিয়ে দিয়ে জাপানকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন।
তবে শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলের চাপ আর সামলাতে পারেনি এশিয়ার প্রতিনিধিরা। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে মার্টিনেলির নিখুঁত ফিনিশিংয়ে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। সেই গোলেই নাটকীয় জয় নিশ্চিত করে শেষ ষোলের টিকিট কেটে নেয় ব্রাজিল।
৬৮ হাজার ৭৭৭ দর্শকে ঠাসা হিউস্টন স্টেডিয়ামে পুরো ম্যাচজুড়েই ছিল উৎসবের আবহ। বদলি বেঞ্চে থাকা নেইমারকে বড় পর্দায় দেখানো হলে গর্জে ওঠে গ্যালারি। মাঠে আনচেলত্তির কৌশল আর খেলোয়াড়দের ধৈর্যের পুরস্কার মিলেছে শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগে।
এই জয়ে আগামী রোববার নিউ জার্সিতে শেষ ষোলোয় আইভরি কোস্ট ও নরওয়ের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল।
লোড হচ্ছে...