নারায়ণগঞ্জ
আহত নারীসহ কয়েকজন
শেয়ারহোল্ডারদের ওপর নিট কনসার্নের লোকজনের হামলা
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইলে অবস্থিত বেসরকারিকরণকৃত নিউ লক্ষ্মীনারায়ণ কটন মিলের অভ্যন্তরে বালু ফেলা কেন্দ্র করে শেয়ারহোল্ডারদের সঙ্গে নিট কনসার্ন গ্রুপের লোকজনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার রাতে মিলের অভ্যন্তরে শেয়ারহোল্ডারদের কলোনি সংলগ্ন মসজিদের পাশে বালু ফেলতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।
শেয়ারহোল্ডারদের অভিযোগ, দখলদার নিট কনসার্ন গ্রুপের নিয়োজিত আশিক বাহিনীর সদস্যরা বালু ফেলতে বাধা দেওয়ায় লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে এমিলি, আরমানসহ কয়েকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে এমিলির অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শেয়ারহোল্ডাররা জানান, শতবর্ষী নিউ লক্ষ্মীনারায়ণ কটন মিলটি নিয়ে প্রায় দেড় দশক ধরে বিরোধ চলছে। তাদের দাবি, আইনগত অনুমোদন ছাড়াই ৪৭৩ জন শেয়ারহোল্ডারের শেয়ার নিট কনসার্ন গ্রুপের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। যদিও আইন অনুযায়ী এসব শেয়ার বিক্রির সুযোগ নেই। তারা অভিযোগ করেন, আনুমানিক ৭০০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ মাত্র ৩৫ কোটি টাকায় দখলে নেওয়া হয়েছে এবং শেয়ার বিক্রি করতে রাজি না হওয়া ৫৩ জন শেয়ারহোল্ডার দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।
শেয়ারহোল্ডারদের ভাষ্য, ২০১৫ সালে হাইকোর্টের নির্দেশে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসককে মিলটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মিলটির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ভাঙচুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে। তবে সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে মিলের ভেতরে বহুতল ভবন নির্মাণ, পুকুর ভরাট এবং পুরোনো মন্দির ভেঙে ফেলার মতো কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি) হাইকোর্টে দাখিল করা এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, সরকারের অনুমোদন ছাড়াই ৪৭৩ জন শেয়ারহোল্ডার তাদের শেয়ার নিট কনসার্ন লিমিটেডের কাছে হস্তান্তর করেছেন, যা সরকারের উদ্দেশ্য ব্যাহত করেছে।
শেয়ারহোল্ডারদের দাবি, মিলের অধিকাংশ অংশ নিট কনসার্ন গ্রুপের দখলে থাকলেও শেয়ারহোল্ডারদের কলোনি ও মসজিদ এলাকা এখনো তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এসব এলাকাও দখলে নিতে সম্প্রতি বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। মঙ্গলবার রাতে সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মসজিদের পাশে বালু ফেলতে গেলে বাধা দিলে হামলার ঘটনা ঘটে।
আন্দোলনরতদের দাবি, হামলার সময় শফিক, হারুন, রিফাত, শাহাবুদ্দিন, হেলা, নিজাম, সেকান্দার, ফটিক, আলাউদ্দিনসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।
খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই হামলার অভিযোগে অভিযুক্তরা সরে যায়।
মঙ্গলবার রাতে মিলের অভ্যন্তরে শেয়ারহোল্ডারদের কলোনি সংলগ্ন মসজিদের পাশে বালু ফেলতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।
শেয়ারহোল্ডারদের অভিযোগ, দখলদার নিট কনসার্ন গ্রুপের নিয়োজিত আশিক বাহিনীর সদস্যরা বালু ফেলতে বাধা দেওয়ায় লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে এমিলি, আরমানসহ কয়েকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে এমিলির অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শেয়ারহোল্ডাররা জানান, শতবর্ষী নিউ লক্ষ্মীনারায়ণ কটন মিলটি নিয়ে প্রায় দেড় দশক ধরে বিরোধ চলছে। তাদের দাবি, আইনগত অনুমোদন ছাড়াই ৪৭৩ জন শেয়ারহোল্ডারের শেয়ার নিট কনসার্ন গ্রুপের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। যদিও আইন অনুযায়ী এসব শেয়ার বিক্রির সুযোগ নেই। তারা অভিযোগ করেন, আনুমানিক ৭০০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ মাত্র ৩৫ কোটি টাকায় দখলে নেওয়া হয়েছে এবং শেয়ার বিক্রি করতে রাজি না হওয়া ৫৩ জন শেয়ারহোল্ডার দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।
শেয়ারহোল্ডারদের ভাষ্য, ২০১৫ সালে হাইকোর্টের নির্দেশে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসককে মিলটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মিলটির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ভাঙচুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে। তবে সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে মিলের ভেতরে বহুতল ভবন নির্মাণ, পুকুর ভরাট এবং পুরোনো মন্দির ভেঙে ফেলার মতো কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি) হাইকোর্টে দাখিল করা এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, সরকারের অনুমোদন ছাড়াই ৪৭৩ জন শেয়ারহোল্ডার তাদের শেয়ার নিট কনসার্ন লিমিটেডের কাছে হস্তান্তর করেছেন, যা সরকারের উদ্দেশ্য ব্যাহত করেছে।
শেয়ারহোল্ডারদের দাবি, মিলের অধিকাংশ অংশ নিট কনসার্ন গ্রুপের দখলে থাকলেও শেয়ারহোল্ডারদের কলোনি ও মসজিদ এলাকা এখনো তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এসব এলাকাও দখলে নিতে সম্প্রতি বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। মঙ্গলবার রাতে সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মসজিদের পাশে বালু ফেলতে গেলে বাধা দিলে হামলার ঘটনা ঘটে।
আন্দোলনরতদের দাবি, হামলার সময় শফিক, হারুন, রিফাত, শাহাবুদ্দিন, হেলা, নিজাম, সেকান্দার, ফটিক, আলাউদ্দিনসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।
খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই হামলার অভিযোগে অভিযুক্তরা সরে যায়।
লোড হচ্ছে...