নারায়ণগঞ্জসদর
শুভ হত্যা মামলার বাদী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জে আলোচিত শুভ হত্যা মামলার বাদী মাকসুদা বেগমের আকস্মিক মৃত্যুতে মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ছেলে হত্যার বিচার দাবিতে শুরু থেকেই রাজপথে সরব থাকা এই মায়ের এমন মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বাদীর অনুপস্থিতিতে আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো স্থবিরতা আসবে না।
রোববার (৩ মে) নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, মামলার বাদীর মৃত্যু হলে নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপক্ষই স্বয়ং বাদী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং এতে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি হবে না। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইতিমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত আছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২ মে) বিকেলে ফতুল্লার স্টেডিয়াম এলাকায় অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফেরার পথে এক দুর্ঘটনার শিকার হন মাকসুদা বেগম। অটোর চাকার সঙ্গে পরনের কাপড় পেঁচিয়ে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরবর্তীকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার স্বামী সোহেল দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি এবং ইতিমধ্যে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
গত ২৯ মার্চ ফতুল্লার ইসদাইর এলাকা থেকে ২১ বছর বয়সী শুভ অপহৃত হওয়ার পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় মাকসুদা বেগম বাদী হয়ে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাখাওয়াত ইসলাম রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। মৃত্যুর মাত্র কয়েকদিন আগে তিনি গণমাধ্যমের কাছে বিচার প্রক্রিয়ার ধীরগতি ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেতে দেরি হওয়া নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। সেই সাহসী মায়ের এমন আকস্মিক প্রস্থান এখন মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে গভীর সন্দেহের জন্ম দিয়েছে।
নারায়ণগঞ্জে আলোচিত শুভ হত্যা মামলার বাদী মাকসুদা বেগমের আকস্মিক মৃত্যুতে মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ছেলে হত্যার বিচার দাবিতে শুরু থেকেই রাজপথে সরব থাকা এই মায়ের এমন মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বাদীর অনুপস্থিতিতে আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো স্থবিরতা আসবে না।
রোববার (৩ মে) নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, মামলার বাদীর মৃত্যু হলে নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপক্ষই স্বয়ং বাদী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং এতে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি হবে না। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইতিমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত আছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২ মে) বিকেলে ফতুল্লার স্টেডিয়াম এলাকায় অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফেরার পথে এক দুর্ঘটনার শিকার হন মাকসুদা বেগম। অটোর চাকার সঙ্গে পরনের কাপড় পেঁচিয়ে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরবর্তীকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার স্বামী সোহেল দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি এবং ইতিমধ্যে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
গত ২৯ মার্চ ফতুল্লার ইসদাইর এলাকা থেকে ২১ বছর বয়সী শুভ অপহৃত হওয়ার পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় মাকসুদা বেগম বাদী হয়ে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাখাওয়াত ইসলাম রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। মৃত্যুর মাত্র কয়েকদিন আগে তিনি গণমাধ্যমের কাছে বিচার প্রক্রিয়ার ধীরগতি ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেতে দেরি হওয়া নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। সেই সাহসী মায়ের এমন আকস্মিক প্রস্থান এখন মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে গভীর সন্দেহের জন্ম দিয়েছে।
লোড হচ্ছে...