নারায়ণগঞ্জ
ভেজাল মিষ্টি বিক্রির দায়ে ‘সুইট ন্যাশন’ প্রতিষ্ঠানে জরিমানা
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জে খাবারের নামে বিষ পরিবেশন ও মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অভিযোগে ‘সুইট ন্যাশন’ নামক একটি নামী প্রতিষ্ঠানকে বড় অঙ্কের জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও নিষিদ্ধ কেমিক্যাল ব্যবহারের দায়ে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফতুল্লার ইসদাইর রসুলবাগ এলাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কারখানায় এই অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে দেখা যায়, কারখানাটিতে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ কেমিক্যাল ব্যবহার করে মিষ্টি, চকলেট ও কেকসহ বিভিন্ন খাদ্য পণ্য তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া ফ্রিজে মজুত করা চিকেন ড্রামস্টিক, হারিয়ালি কাবাব ও কেকে মেশানো হয়েছে নিষিদ্ধ রং ও কৃত্রিম ফ্লেভার। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় ছিল, কাঁচা মাংসের সঙ্গেই রান্না করা বাসি খাবার রাখা হয়েছিল, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা সহকারী পরিচালক হৃদয় রঞ্জন বণিক জানান, ভোক্তা অধিকারবিরোধী এসব অপরাধের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ কেমিক্যাল ও ভেজাল খাবার জব্দ করে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়। কারখানা মালিককে ভবিষ্যতে কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসন, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযান শেষে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, আসন্ন রমজান ও সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জেলার সকল ভেজাল খাদ্য কারখানার বিরুদ্ধে এমন জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নারায়ণগঞ্জে খাবারের নামে বিষ পরিবেশন ও মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অভিযোগে ‘সুইট ন্যাশন’ নামক একটি নামী প্রতিষ্ঠানকে বড় অঙ্কের জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও নিষিদ্ধ কেমিক্যাল ব্যবহারের দায়ে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফতুল্লার ইসদাইর রসুলবাগ এলাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কারখানায় এই অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে দেখা যায়, কারখানাটিতে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ কেমিক্যাল ব্যবহার করে মিষ্টি, চকলেট ও কেকসহ বিভিন্ন খাদ্য পণ্য তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া ফ্রিজে মজুত করা চিকেন ড্রামস্টিক, হারিয়ালি কাবাব ও কেকে মেশানো হয়েছে নিষিদ্ধ রং ও কৃত্রিম ফ্লেভার। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় ছিল, কাঁচা মাংসের সঙ্গেই রান্না করা বাসি খাবার রাখা হয়েছিল, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা সহকারী পরিচালক হৃদয় রঞ্জন বণিক জানান, ভোক্তা অধিকারবিরোধী এসব অপরাধের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ কেমিক্যাল ও ভেজাল খাবার জব্দ করে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়। কারখানা মালিককে ভবিষ্যতে কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসন, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযান শেষে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, আসন্ন রমজান ও সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জেলার সকল ভেজাল খাদ্য কারখানার বিরুদ্ধে এমন জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
লোড হচ্ছে...