রাজনীতি
বিজয়োল্লাস নয়, মসজিদে মসজিদে কৃতজ্ঞতা ও দোয়ায় সিক্ত বিএনপি
NewsView

নিউজভিউ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনের মধ্যে ৪টিতেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে বিশাল এই বিজয়ের পরও রাজপথে কোনো আড়ম্বরপূর্ণ আনন্দ মিছিল বা শোডাউন করেনি দলটি। মূলত জনভোগান্তি এড়াতে এবং কেন্দ্রীয় নীতি মেনে বিজয়োল্লাসের পরিবর্তে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন মসজিদে জুমার নামাজ শেষে এবং বিশেষ সময়ে এই দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় নির্দেশনার আলোকে জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মুসল্লিরা অংশ নেন।
দোয়া মাহফিলগুলোতে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনার পাশাপাশি বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও সুস্বাস্থ্য কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে দলটির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ এই কর্মসূচি প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে বলেন, "জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে বিএনপিকে এই ঐতিহাসিক বিজয় উপহার দিয়েছে। আমরা বিজয়োল্লাস করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়াতে চাই না। তাই আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আমরা ইবাদত ও দোয়ার পথ বেছে নিয়েছি।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই বিজয় কেবল রাজনৈতিক অর্জন নয়, বরং জনগণের আস্থার প্রতিফলন। এই ফলাফল ভবিষ্যতে জনকল্যাণে এবং দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় বিএনপিকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে শক্তি যোগাবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনের মধ্যে ৪টিতেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে বিশাল এই বিজয়ের পরও রাজপথে কোনো আড়ম্বরপূর্ণ আনন্দ মিছিল বা শোডাউন করেনি দলটি। মূলত জনভোগান্তি এড়াতে এবং কেন্দ্রীয় নীতি মেনে বিজয়োল্লাসের পরিবর্তে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন মসজিদে জুমার নামাজ শেষে এবং বিশেষ সময়ে এই দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় নির্দেশনার আলোকে জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মুসল্লিরা অংশ নেন।
দোয়া মাহফিলগুলোতে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনার পাশাপাশি বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও সুস্বাস্থ্য কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে দলটির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ এই কর্মসূচি প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে বলেন, "জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে বিএনপিকে এই ঐতিহাসিক বিজয় উপহার দিয়েছে। আমরা বিজয়োল্লাস করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়াতে চাই না। তাই আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আমরা ইবাদত ও দোয়ার পথ বেছে নিয়েছি।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই বিজয় কেবল রাজনৈতিক অর্জন নয়, বরং জনগণের আস্থার প্রতিফলন। এই ফলাফল ভবিষ্যতে জনকল্যাণে এবং দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় বিএনপিকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে শক্তি যোগাবে।
লোড হচ্ছে...