রাজনীতিবন্দর
আমি ভাগবাটোয়ারার রাজনীতি করতে আসিনি: তারিকুল সুজন
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন বলেছেন, নির্বাচিত হলে বন্দর ঘাটকে সম্পূর্ণ টোল ফ্রি করা হবে। একইসঙ্গে আধুনিক ও নিরাপদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই ঘাটকে সাধারণ মানুষের জন্য জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হবে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বন্দর এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণাকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এসব প্রতিশ্রুতির কথা জানান।
তারিকুল ইসলাম সুজন অভিযোগ করে বলেন, বন্দর ঘাট দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষ ও ব্যবসায়ী পারাপার হলেও সেখানে কোনো নিরাপত্তা নেই। বছরের পর বছর ধরে অব্যবস্থাপনা আর অযৌক্তিক টোল আদায়ের নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমি ভাগবাটোয়ারার রাজনীতি করতে আসিনি। ঘাটে কোনো ধরনের অনিয়ম, চাঁদাবাজি বা জুলুম বরদাশত করা হবে না। যারা ঘাটের টাকা লুট করছে, তাদের দিন শেষ।”
নির্বাচিত হলে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মাথাল প্রতীকের এই প্রার্থী বলেন, বন্দর ঘাটে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। আধুনিক জেটি স্থাপন, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং প্রশিক্ষিত কর্মীদের মাধ্যমে একটি সুশৃঙ্খল পারাপার ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। ঘাটটি কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে নয়, বরং জনগণের সম্পদে পরিণত হবে।
বন্দরবাসীর ন্যায্য অধিকার আদায়ে পাশে থাকার অঙ্গীকার করে তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, উন্নয়নের নামে কেবল গুটিকয়েক মানুষের পকেট ভারী করার দিন শেষ করতে হবে। তিনি আগামী নির্বাচনে উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সাম্যের পক্ষে দাঁড়িয়ে ‘মাথাল’ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে জয়যুক্ত করার জন্য নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের ভোটারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন বলেছেন, নির্বাচিত হলে বন্দর ঘাটকে সম্পূর্ণ টোল ফ্রি করা হবে। একইসঙ্গে আধুনিক ও নিরাপদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই ঘাটকে সাধারণ মানুষের জন্য জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হবে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বন্দর এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণাকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এসব প্রতিশ্রুতির কথা জানান।
তারিকুল ইসলাম সুজন অভিযোগ করে বলেন, বন্দর ঘাট দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষ ও ব্যবসায়ী পারাপার হলেও সেখানে কোনো নিরাপত্তা নেই। বছরের পর বছর ধরে অব্যবস্থাপনা আর অযৌক্তিক টোল আদায়ের নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমি ভাগবাটোয়ারার রাজনীতি করতে আসিনি। ঘাটে কোনো ধরনের অনিয়ম, চাঁদাবাজি বা জুলুম বরদাশত করা হবে না। যারা ঘাটের টাকা লুট করছে, তাদের দিন শেষ।”
নির্বাচিত হলে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মাথাল প্রতীকের এই প্রার্থী বলেন, বন্দর ঘাটে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। আধুনিক জেটি স্থাপন, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং প্রশিক্ষিত কর্মীদের মাধ্যমে একটি সুশৃঙ্খল পারাপার ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। ঘাটটি কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে নয়, বরং জনগণের সম্পদে পরিণত হবে।
বন্দরবাসীর ন্যায্য অধিকার আদায়ে পাশে থাকার অঙ্গীকার করে তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, উন্নয়নের নামে কেবল গুটিকয়েক মানুষের পকেট ভারী করার দিন শেষ করতে হবে। তিনি আগামী নির্বাচনে উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সাম্যের পক্ষে দাঁড়িয়ে ‘মাথাল’ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে জয়যুক্ত করার জন্য নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের ভোটারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
লোড হচ্ছে...