আন্তর্জাতিক
আলোচনার শুরুর প্রস্তুতি সুইজারল্যান্ডে
হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে ইরানের দাবি নাকচ করল যুক্তরাষ্ট্র
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
সুইজারল্যান্ডে শান্তি আলোচনা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা। এর মধ্যেই ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলছেন ভিন্ন কথা। এ অবস্থায় শান্তি আলোচনার পরিবেশ জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র রয়টার্স
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ওয়াশিংটন ছেড়েছেন। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান বলেছে, আজ রোববার আলোচনা শুরু হবে।
আলোচনা চলাকালে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সম্মত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। লেবাননে অব্যাহত ইসরায়েলি হামলার জেরে গতকাল শনিবার ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বলেছে, ওই নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অব্যাহত আছে।
মোজতবা খামেনির উপদেষ্টা মোহাম্মদ মোখবার অভিযোগ করেছেন, ইরানের সঙ্গে হওয়া ১৪ দফা অন্তর্বর্তী চুক্তির প্রথম শর্ত বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে। ওই শর্তে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতির কথা বলা ছিল।
এমন পরিস্থিতি শান্তি আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। আলোচনার লক্ষ্য হলো, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া ইরান–যুক্তরাষ্ট্র অন্তর্বর্তী চুক্তি এগিয়ে নেওয়া। গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। এর উদ্দেশ্য, দুই দেশের মধ্যে প্রায় চার মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটানো।
লেবাননে ইসরায়েলের হামলা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে আইআরজিসি। তারা সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালির কাছে আসা জাহাজগুলো ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
অবশ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, শনিবার ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এসব জাহাজে করে বিশ্ববাজারের জন্য ১ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি তেল পরিবহন করা হচ্ছে।
সেন্টকম আরও বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অব্যাহত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চলাকালে এবং এর পরেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য কোনো টোল বা ফি নেওয়া হবে না। তবে যদি শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে এমন ফি আরোপ করতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প আরও লিখেছেন, শান্তিচুক্তি না হলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র যে ভূমিকা পালন করছে, তার বিনিময়ে টোল আদায়ের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির উপদেষ্টা মোহাম্মদ মোখবার অভিযোগ করেছেন, ইরানের সঙ্গে হওয়া ১৪ দফা অন্তর্বর্তী চুক্তির প্রথম শর্ত বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে। ওই শর্তে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতির কথা রয়েছে।
মোহাম্মদ মোখবার বলেন, চুক্তি যদি শুধু কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকে এবং বাস্তবে কার্যকর না হয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল ও গ্যাস সরবরাহও স্বাভাবিক হবে না।
এদিকে লেবাননের যুদ্ধবিরতি বেশ নাজুক অবস্থার মধ্যে আছে বলে মনে হচ্ছে। কারণ, ইসরায়েলি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ পরস্পরের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে যুদ্ধবিরতি বহাল থাকবে। একই সঙ্গে বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার মতো কোনো আলামত তিনি দেখেননি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সুইজারল্যান্ডে আলোচনায় অংশ নেওয়া ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। এ দলে আরও আছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং নিরাপত্তা, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও তেল খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ওদিকে মার্কিন প্রতিনিধিদলে জেডি ভ্যান্সের পাশাপাশি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার রয়েছেন।
রোববার গ্রিনিচ মান সময় রাত ৯টার দিকে ভ্যান্স সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হন। মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজ বিমানঘাঁটি থেকে উড়োজাহাজে ওঠার আগে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আলোচকেরা সম্ভবত ‘কয়েক দিন’ বৈঠক করবেন।
ভ্যান্স আরও বলেন, ‘আমি আশা করি, আমরা আলোচনায় পারমাণবিক ইস্যুতে এগোতে পারব। একই সঙ্গে লেবাননে যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত বিষয়েও আলোচনা এগিয়ে নিতে পারব।’
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, অতীতে চুক্তি কার্যকর করতে অপর পক্ষের ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার ইরান সুইজারল্যান্ডের আলোচনায় প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের ওপর জোর দেবে।
ইতিমধ্যে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠেয় বৈঠকগুলোতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনির অংশ নেবেন।
সুইজারল্যান্ডে শান্তি আলোচনা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা। এর মধ্যেই ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলছেন ভিন্ন কথা। এ অবস্থায় শান্তি আলোচনার পরিবেশ জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র রয়টার্স
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ওয়াশিংটন ছেড়েছেন। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান বলেছে, আজ রোববার আলোচনা শুরু হবে।
আলোচনা চলাকালে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সম্মত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। লেবাননে অব্যাহত ইসরায়েলি হামলার জেরে গতকাল শনিবার ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বলেছে, ওই নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অব্যাহত আছে।
মোজতবা খামেনির উপদেষ্টা মোহাম্মদ মোখবার অভিযোগ করেছেন, ইরানের সঙ্গে হওয়া ১৪ দফা অন্তর্বর্তী চুক্তির প্রথম শর্ত বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে। ওই শর্তে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতির কথা বলা ছিল।
এমন পরিস্থিতি শান্তি আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। আলোচনার লক্ষ্য হলো, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া ইরান–যুক্তরাষ্ট্র অন্তর্বর্তী চুক্তি এগিয়ে নেওয়া। গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। এর উদ্দেশ্য, দুই দেশের মধ্যে প্রায় চার মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটানো।
লেবাননে ইসরায়েলের হামলা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে আইআরজিসি। তারা সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালির কাছে আসা জাহাজগুলো ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
অবশ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, শনিবার ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এসব জাহাজে করে বিশ্ববাজারের জন্য ১ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি তেল পরিবহন করা হচ্ছে।
সেন্টকম আরও বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অব্যাহত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চলাকালে এবং এর পরেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য কোনো টোল বা ফি নেওয়া হবে না। তবে যদি শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে এমন ফি আরোপ করতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প আরও লিখেছেন, শান্তিচুক্তি না হলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র যে ভূমিকা পালন করছে, তার বিনিময়ে টোল আদায়ের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির উপদেষ্টা মোহাম্মদ মোখবার অভিযোগ করেছেন, ইরানের সঙ্গে হওয়া ১৪ দফা অন্তর্বর্তী চুক্তির প্রথম শর্ত বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে। ওই শর্তে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতির কথা রয়েছে।
মোহাম্মদ মোখবার বলেন, চুক্তি যদি শুধু কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকে এবং বাস্তবে কার্যকর না হয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল ও গ্যাস সরবরাহও স্বাভাবিক হবে না।
এদিকে লেবাননের যুদ্ধবিরতি বেশ নাজুক অবস্থার মধ্যে আছে বলে মনে হচ্ছে। কারণ, ইসরায়েলি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ পরস্পরের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে যুদ্ধবিরতি বহাল থাকবে। একই সঙ্গে বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার মতো কোনো আলামত তিনি দেখেননি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সুইজারল্যান্ডে আলোচনায় অংশ নেওয়া ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। এ দলে আরও আছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং নিরাপত্তা, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও তেল খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ওদিকে মার্কিন প্রতিনিধিদলে জেডি ভ্যান্সের পাশাপাশি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার রয়েছেন।
রোববার গ্রিনিচ মান সময় রাত ৯টার দিকে ভ্যান্স সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হন। মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজ বিমানঘাঁটি থেকে উড়োজাহাজে ওঠার আগে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আলোচকেরা সম্ভবত ‘কয়েক দিন’ বৈঠক করবেন।
ভ্যান্স আরও বলেন, ‘আমি আশা করি, আমরা আলোচনায় পারমাণবিক ইস্যুতে এগোতে পারব। একই সঙ্গে লেবাননে যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত বিষয়েও আলোচনা এগিয়ে নিতে পারব।’
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, অতীতে চুক্তি কার্যকর করতে অপর পক্ষের ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার ইরান সুইজারল্যান্ডের আলোচনায় প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের ওপর জোর দেবে।
ইতিমধ্যে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠেয় বৈঠকগুলোতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনির অংশ নেবেন।
লোড হচ্ছে...