নারায়ণগঞ্জবন্দর
মার্চ মাসে বন্দর থানায় ৪৭ মামলা
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় মার্চ মাস জুড়ে বিভিন্ন অপরাধে মোট ৪৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এই সময়ে থানায় কোনো হত্যা বা ডাকাতির মতো বড় ধরনের চাঞ্চল্যকর অপরাধের খবর পাওয়া যায়নি। বুধবার (১ এপ্রিল) বন্দর থানার মাসিক অপরাধ পরিসংখ্যান থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
মার্চ মাসে বন্দর থানা পুলিশের প্রধান লক্ষ্য ছিল মাদক নির্মূল। মোট ৪৭টি মামলার মধ্যে ২৬টিই ছিল মাদক সংক্রান্ত। এই অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ৩ হাজার ৭১৬ পিস ইয়াবা, ৭৫০ গ্রাম গাঁজা এবং ২৮ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৩৩ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, মাদক মামলা ছাড়াও গত মাসে ১টি ধর্ষণ, ৩টি নারী ও শিশু নির্যাতন, ৩টি চুরি, ১টি অস্ত্র আইন এবং ১টি পুলিশ আক্রান্ত হওয়ার মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া দ্রুত বিচার আইনে ১টি এবং অন্যান্য ধারায় আরও ১১টি মামলা রুজু হয়েছে।
অপরাধ দমনের পাশাপাশি পলাতক আসামিদের ধরতেও সক্রিয় ছিল বন্দর থানা পুলিশ। মাসব্যাপী বিশেষ অভিযানে জিআর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ২৭ জন, সিআর মামলার ২৯ জন এবং সাজাপ্রাপ্ত ৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বন্দর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ জানান, বছরের অন্যান্য মাসের তুলনায় মার্চ মাসে বন্দরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বেশ সন্তোষজনক ছিল। তিনি বলেন, “আমরা মাদকের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছি। গত মাসে ২৬টি মাদক মামলায় ৩৩ জন কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বন্দরের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে।
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় মার্চ মাস জুড়ে বিভিন্ন অপরাধে মোট ৪৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এই সময়ে থানায় কোনো হত্যা বা ডাকাতির মতো বড় ধরনের চাঞ্চল্যকর অপরাধের খবর পাওয়া যায়নি। বুধবার (১ এপ্রিল) বন্দর থানার মাসিক অপরাধ পরিসংখ্যান থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
মার্চ মাসে বন্দর থানা পুলিশের প্রধান লক্ষ্য ছিল মাদক নির্মূল। মোট ৪৭টি মামলার মধ্যে ২৬টিই ছিল মাদক সংক্রান্ত। এই অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ৩ হাজার ৭১৬ পিস ইয়াবা, ৭৫০ গ্রাম গাঁজা এবং ২৮ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৩৩ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, মাদক মামলা ছাড়াও গত মাসে ১টি ধর্ষণ, ৩টি নারী ও শিশু নির্যাতন, ৩টি চুরি, ১টি অস্ত্র আইন এবং ১টি পুলিশ আক্রান্ত হওয়ার মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া দ্রুত বিচার আইনে ১টি এবং অন্যান্য ধারায় আরও ১১টি মামলা রুজু হয়েছে।
অপরাধ দমনের পাশাপাশি পলাতক আসামিদের ধরতেও সক্রিয় ছিল বন্দর থানা পুলিশ। মাসব্যাপী বিশেষ অভিযানে জিআর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ২৭ জন, সিআর মামলার ২৯ জন এবং সাজাপ্রাপ্ত ৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বন্দর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ জানান, বছরের অন্যান্য মাসের তুলনায় মার্চ মাসে বন্দরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বেশ সন্তোষজনক ছিল। তিনি বলেন, “আমরা মাদকের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছি। গত মাসে ২৬টি মাদক মামলায় ৩৩ জন কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বন্দরের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে।
লোড হচ্ছে...