জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর দুপুর ও বিকেলের খাবার বাজেট মাত্র ১৫০ টাকা
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
সরকারি ব্যয় কমাতে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদে মিতব্যয়িতা নিশ্চিত করতে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তিনি নিজের আপ্যায়ন বাজেটে আমূল পরিবর্তন এনেছেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাঁর দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাস্তা মিলিয়ে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে মাত্র ১৫০ টাকা।
বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ্যে আনেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই ব্যয় সংকোচন নীতি আগের সরকারের তুলনায় অবিশ্বাস্য। পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে এই একই খাতের বাজেট বর্তমানের চেয়ে অন্তত ৫ গুণ বেশি ছিল।
গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভার আপ্যায়ন সূচির কথা উল্লেখ করে ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, নোয়াব প্রতিনিধিদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজের মেন্যুতে ছিল অত্যন্ত সাধারণ ও দেশীয় খাবার— ভাত, ছোট চিংড়ি দিয়ে লাউ, ঢেঁড়শ ভাজা, সেদ্ধ ডিমের তরকারি, ডাল ও দই।
উপদেষ্টা তাঁর পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রটোকল বা বিলাসিতার চেয়ে কাজের গতি এবং মিতব্যয়িতাকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। দুপুরের খাবার ও বিকালের নাস্তা মিলিয়ে মাত্র ১৫০ টাকার এই বাজেট প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে মিতব্যয়িতার একটি শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, নোয়াব প্রতিনিধিদের সঙ্গে ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং সংবাদ শিল্পের বর্তমান সংকট নিরসনে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে আলোচনার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ জীবনযাপন এবং আপ্যায়নের মিতব্যয়ী চিত্রটিই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
সরকারি ব্যয় কমাতে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদে মিতব্যয়িতা নিশ্চিত করতে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তিনি নিজের আপ্যায়ন বাজেটে আমূল পরিবর্তন এনেছেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাঁর দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাস্তা মিলিয়ে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে মাত্র ১৫০ টাকা।
বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ্যে আনেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই ব্যয় সংকোচন নীতি আগের সরকারের তুলনায় অবিশ্বাস্য। পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে এই একই খাতের বাজেট বর্তমানের চেয়ে অন্তত ৫ গুণ বেশি ছিল।
গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভার আপ্যায়ন সূচির কথা উল্লেখ করে ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, নোয়াব প্রতিনিধিদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজের মেন্যুতে ছিল অত্যন্ত সাধারণ ও দেশীয় খাবার— ভাত, ছোট চিংড়ি দিয়ে লাউ, ঢেঁড়শ ভাজা, সেদ্ধ ডিমের তরকারি, ডাল ও দই।
উপদেষ্টা তাঁর পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রটোকল বা বিলাসিতার চেয়ে কাজের গতি এবং মিতব্যয়িতাকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। দুপুরের খাবার ও বিকালের নাস্তা মিলিয়ে মাত্র ১৫০ টাকার এই বাজেট প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে মিতব্যয়িতার একটি শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, নোয়াব প্রতিনিধিদের সঙ্গে ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং সংবাদ শিল্পের বর্তমান সংকট নিরসনে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে আলোচনার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ জীবনযাপন এবং আপ্যায়নের মিতব্যয়ী চিত্রটিই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
লোড হচ্ছে...