নারায়ণগঞ্জসদর
মশার প্রজননস্থল আগেভাগেই ধ্বংস করা হচ্ছে: ডিসি
NHP NewsView

নিউজভিউ
বর্ষা মৌসুম আসার আগেই ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জে সমন্বিত ও আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে সদর উপজেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনকালে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির বলেন, মশার প্রজননস্থল ও বিস্তারের জায়গাগুলো আগেভাগেই চিহ্নিত করে ধ্বংস করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক জানান, প্রতিবছর বর্ষা ও পরবর্তী সময়ে এডিস মশার প্রকোপ দেখা দিলেও বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আগাম প্রস্তুতির ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে। এবারের কার্যক্রমে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে, যেখানে বিডি ক্লিন, স্কাউটস ও স্থানীয় বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের সদস্যরা অংশ নিচ্ছেন।

ডিসি রায়হান কবির আরও উল্লেখ করেন, নারায়ণগঞ্জে মশার প্রাদুর্ভাব তুলনামূলক বেশি হওয়ায় পরিবেশ পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। শীতলক্ষ্যা ও বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত চ্যানেলগুলোর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমবে এবং জনভোগান্তি লাঘব হবে। তিনি জানান, কালিয়ানি খাল খননের জন্য প্রায় ৫ কিলোমিটার অংশে সরকারি অনুমোদন পাওয়া গেছে এবং বরাদ্দ পাওয়া মাত্রই এর কাজ শুরু হবে।
প্রাথমিকভাবে সদর উপজেলার নলখালি, বগডুমারি ও ওবদার খালের প্রায় ৪০০ মিটার এলাকায় এই অভিযান শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন এবং জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও একই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। বর্ষা মৌসুমের আগেই প্রায় ৮ থেকে ৮.৫ কিলোমিটার খাল পরিষ্কার ও খননের পরিকল্পনা রয়েছে বলে ডিসি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জেলা প্রশাসক উপস্থিত স্বেচ্ছাসেবকদের শপথ পাঠ করান। এ সময় সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবযানী কর, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর, সাদিয়া আক্তার এবং সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াছির আরাফাত রুবেলসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বর্ষা মৌসুম আসার আগেই ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জে সমন্বিত ও আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে সদর উপজেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনকালে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির বলেন, মশার প্রজননস্থল ও বিস্তারের জায়গাগুলো আগেভাগেই চিহ্নিত করে ধ্বংস করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক জানান, প্রতিবছর বর্ষা ও পরবর্তী সময়ে এডিস মশার প্রকোপ দেখা দিলেও বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আগাম প্রস্তুতির ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে। এবারের কার্যক্রমে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে, যেখানে বিডি ক্লিন, স্কাউটস ও স্থানীয় বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের সদস্যরা অংশ নিচ্ছেন।

ডিসি রায়হান কবির আরও উল্লেখ করেন, নারায়ণগঞ্জে মশার প্রাদুর্ভাব তুলনামূলক বেশি হওয়ায় পরিবেশ পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। শীতলক্ষ্যা ও বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত চ্যানেলগুলোর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমবে এবং জনভোগান্তি লাঘব হবে। তিনি জানান, কালিয়ানি খাল খননের জন্য প্রায় ৫ কিলোমিটার অংশে সরকারি অনুমোদন পাওয়া গেছে এবং বরাদ্দ পাওয়া মাত্রই এর কাজ শুরু হবে।
প্রাথমিকভাবে সদর উপজেলার নলখালি, বগডুমারি ও ওবদার খালের প্রায় ৪০০ মিটার এলাকায় এই অভিযান শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন এবং জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও একই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। বর্ষা মৌসুমের আগেই প্রায় ৮ থেকে ৮.৫ কিলোমিটার খাল পরিষ্কার ও খননের পরিকল্পনা রয়েছে বলে ডিসি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জেলা প্রশাসক উপস্থিত স্বেচ্ছাসেবকদের শপথ পাঠ করান। এ সময় সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবযানী কর, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর, সাদিয়া আক্তার এবং সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াছির আরাফাত রুবেলসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
লোড হচ্ছে...