সারা দেশ
চাঙ্গা ফুলের ব্যবসা
ঈদের পর সিরাজগঞ্জে বিয়ের ধুম
NewsView6
.jpg)
নিউজভিউ ডেস্ক
কোরবানির ঈদের পরেই সিরাজগঞ্জে বিয়ের ধুম পরেছে। ঈদের ছুটিতে কর্মজীবী মানুষ ও প্রবাসীরা বাড়ি ফেরায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক বিয়ের আয়োজন চলছে। আর সেই আয়োজনকে ঘিরে জেলা জুড়ে বেড়েছে ফুলের চাহিদা। গায়ে হলুদ, বাসরঘর, বরযাত্রীর গাড়ি ও সাজসজ্জার জন্য ফুল কিনতে দোকানগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। অনেক ক্ষেত্রে পছন্দের ফুল কিনতে রীতিমতো প্রতিযোগিতারও সৃষ্টি হয়েছে।
প্রতিদিনই শহরের বিএ কলেজ রোড এলাকার ফুলের দোকানগুলোতে দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের ভিড়। স্থায়ী দোকানের পাশাপাশি কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীও ভ্রাম্যমাণ ফুলের দোকান বসিয়েছেন। গোলাপ, রজনীগন্ধা, জারবেরা, গ্লাডিওলাস ও ডালিয়াসহ নানা রঙের ফুলে সাজানো দোকানগুলোতে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
সদর উপজেলার বনবাড়িয়া এলাকা থেকে ফুল কিনতে আসা জাহিদা, রুমা ও সোহেলী জানান, পরিবারের বিয়ের অনুষ্ঠানকে ঘিরেই তারা ফুল কিনতে এসেছেন। কেউ বড় ভাইয়ের বিয়ে, কেউ মামার বিয়ের জন্য গায়ে হলুদের আয়োজন করতে ফুল নিচ্ছেন।
তারা বলেন, ‘ফুলের দাম কিছুটা বেশি হলেও আনন্দের অনুষ্ঠানে ফুল ছাড়া যেন কিছুই পূর্ণতা পায় না। তাই পছন্দের ফুল কিনে আমরা খুবই খুশি।’
মাইক্রোবাস চালক আরমান আলী বলেন, ‘এখন প্রায় প্রতিদিনই বিয়ের গাড়ি নিয়ে যেতে হচ্ছে। অধিকাংশ পরিবারই ফুল দিয়ে গাড়ি সাজাতে চাচ্ছেন। এ কারণে ফুলের দোকানগুলোতেও চাপ বেড়েছে। দেড় থেকে ৩ হাজার টাকায় গাড়ি সাজানো হচ্ছে। এতে ফুলের দোকানে বিক্রি অনেক বেড়েছে।’
অন্য চালক আলাউদ্দিন বলেন, ‘আগের তুলনায় এখন বিয়ের গাড়ির সাজসজ্জায় অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফুল দিয়ে সাজানো গাড়ির চাহিদাও বেড়েছে।’
বরের বোন ও ভাবিরা জানান, ফুলের দাম বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু ভাইয়ের বিয়ে বলে কথা। গাড়ি সাজানো, গায়ে হলুদের আয়োজন আর মেয়েদের সাজে ফুল থাকবেই। আনন্দের দিনে খরচের হিসাব করা যায় না।
অন্যদিকে কনের বোন আয়েশা বলেন, ‘গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানের জন্য ফুল কিনতে এসেছি। দাম একটু বেশি হলেও অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য বাড়াতে ফুলের বিকল্প নেই।’
শহরের কলেজ রোড এলাকার ‘চমক ফুলঘর’-এর মালিক রতন জানান, ঈদের পর থেকেই বিয়ের মৌসুম শুরু হওয়ায় ফুল বিক্রি কয়েকগুণ বেড়েছে। তবে, কয়েক বছর ধরে কাগজ ও প্লাস্টিকের ফুলের ব্যবহার বাড়ায় জীবন্ত ফুলের চাহিদা কিছুটা কমে গিয়েছিল। কিন্তু এবছর মানুষ আবারও প্রাকৃতিক ফুলের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। বাসর-ঘর, গায়ে হলুদ ও গাড়ি সাজাতে জীবন্ত ফুলই বেশি ব্যবহার করছেন। এতে ব্যবসাও ভালো হচ্ছে।
বি এ কলেজ রোড়ে তপু ফুল ঘরের মালিক তপু বলেন, ‘এখন কয়েকদিন বিক্রি ভালো থাকলেও বিয়ের মৌসুম শেষ হলে আবার আগের মতো বিক্রি কমে যাবে। তবে এবারের সাড়া আমাদের জন্য আশাব্যঞ্জক।’
বিয়ের আনন্দ আর উৎসবের আবহে সিরাজগঞ্জের ফুলের বাজারে এখন যেন রং ও সুবাসের উৎসব। ফুলের চাহিদা বাড়ায় খুশি ব্যবসায়ীরা, আর প্রিয়জনের বিশেষ দিনকে আরো স্মরণীয় করতে ব্যস্ত ক্রেতারা।
বিয়ে উপলক্ষ্যে পছন্দের ফুল কিনছেন তরুণীরা
কোরবানির ঈদের পরেই সিরাজগঞ্জে বিয়ের ধুম পরেছে। ঈদের ছুটিতে কর্মজীবী মানুষ ও প্রবাসীরা বাড়ি ফেরায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক বিয়ের আয়োজন চলছে। আর সেই আয়োজনকে ঘিরে জেলা জুড়ে বেড়েছে ফুলের চাহিদা। গায়ে হলুদ, বাসরঘর, বরযাত্রীর গাড়ি ও সাজসজ্জার জন্য ফুল কিনতে দোকানগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। অনেক ক্ষেত্রে পছন্দের ফুল কিনতে রীতিমতো প্রতিযোগিতারও সৃষ্টি হয়েছে।
প্রতিদিনই শহরের বিএ কলেজ রোড এলাকার ফুলের দোকানগুলোতে দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের ভিড়। স্থায়ী দোকানের পাশাপাশি কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীও ভ্রাম্যমাণ ফুলের দোকান বসিয়েছেন। গোলাপ, রজনীগন্ধা, জারবেরা, গ্লাডিওলাস ও ডালিয়াসহ নানা রঙের ফুলে সাজানো দোকানগুলোতে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
সদর উপজেলার বনবাড়িয়া এলাকা থেকে ফুল কিনতে আসা জাহিদা, রুমা ও সোহেলী জানান, পরিবারের বিয়ের অনুষ্ঠানকে ঘিরেই তারা ফুল কিনতে এসেছেন। কেউ বড় ভাইয়ের বিয়ে, কেউ মামার বিয়ের জন্য গায়ে হলুদের আয়োজন করতে ফুল নিচ্ছেন।
তারা বলেন, ‘ফুলের দাম কিছুটা বেশি হলেও আনন্দের অনুষ্ঠানে ফুল ছাড়া যেন কিছুই পূর্ণতা পায় না। তাই পছন্দের ফুল কিনে আমরা খুবই খুশি।’
মাইক্রোবাস চালক আরমান আলী বলেন, ‘এখন প্রায় প্রতিদিনই বিয়ের গাড়ি নিয়ে যেতে হচ্ছে। অধিকাংশ পরিবারই ফুল দিয়ে গাড়ি সাজাতে চাচ্ছেন। এ কারণে ফুলের দোকানগুলোতেও চাপ বেড়েছে। দেড় থেকে ৩ হাজার টাকায় গাড়ি সাজানো হচ্ছে। এতে ফুলের দোকানে বিক্রি অনেক বেড়েছে।’
অন্য চালক আলাউদ্দিন বলেন, ‘আগের তুলনায় এখন বিয়ের গাড়ির সাজসজ্জায় অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফুল দিয়ে সাজানো গাড়ির চাহিদাও বেড়েছে।’
বরের বোন ও ভাবিরা জানান, ফুলের দাম বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু ভাইয়ের বিয়ে বলে কথা। গাড়ি সাজানো, গায়ে হলুদের আয়োজন আর মেয়েদের সাজে ফুল থাকবেই। আনন্দের দিনে খরচের হিসাব করা যায় না।
অন্যদিকে কনের বোন আয়েশা বলেন, ‘গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানের জন্য ফুল কিনতে এসেছি। দাম একটু বেশি হলেও অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য বাড়াতে ফুলের বিকল্প নেই।’
শহরের কলেজ রোড এলাকার ‘চমক ফুলঘর’-এর মালিক রতন জানান, ঈদের পর থেকেই বিয়ের মৌসুম শুরু হওয়ায় ফুল বিক্রি কয়েকগুণ বেড়েছে। তবে, কয়েক বছর ধরে কাগজ ও প্লাস্টিকের ফুলের ব্যবহার বাড়ায় জীবন্ত ফুলের চাহিদা কিছুটা কমে গিয়েছিল। কিন্তু এবছর মানুষ আবারও প্রাকৃতিক ফুলের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। বাসর-ঘর, গায়ে হলুদ ও গাড়ি সাজাতে জীবন্ত ফুলই বেশি ব্যবহার করছেন। এতে ব্যবসাও ভালো হচ্ছে।
বি এ কলেজ রোড়ে তপু ফুল ঘরের মালিক তপু বলেন, ‘এখন কয়েকদিন বিক্রি ভালো থাকলেও বিয়ের মৌসুম শেষ হলে আবার আগের মতো বিক্রি কমে যাবে। তবে এবারের সাড়া আমাদের জন্য আশাব্যঞ্জক।’
বিয়ের আনন্দ আর উৎসবের আবহে সিরাজগঞ্জের ফুলের বাজারে এখন যেন রং ও সুবাসের উৎসব। ফুলের চাহিদা বাড়ায় খুশি ব্যবসায়ীরা, আর প্রিয়জনের বিশেষ দিনকে আরো স্মরণীয় করতে ব্যস্ত ক্রেতারা।
বিয়ে উপলক্ষ্যে পছন্দের ফুল কিনছেন তরুণীরা
লোড হচ্ছে...