আন্তর্জাতিক
ইরান চুক্তি না করলে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
ইরান যদি একটি নতুন চুক্তিতে সই না করে, তবে মার্কিন সেনাবাহিনী যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, চলমান যুদ্ধবিরতির সময়টিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের রসদ ও সরঞ্জাম পুনরায় মজুদ করার কাজে ব্যবহার করেছে। ট্রাম্পের নির্দেশ পেলেই ইরানের ওপর পুনরায় বড় ধরনের হামলা শুরু হতে পারে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আমাদের হাতে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ ও সমরসম্ভার মজুদ রয়েছে। যুদ্ধবিরতির এই সময়টিতে আমরা আমাদের শক্তিবৃদ্ধি করেছি। তবে আমাদের হাতে খুব বেশি সময় নেই।” তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, আগামী বুধবার বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে এবং কোনো কার্যকর চুক্তি না হলে তিনি এই মেয়াদ আর বাড়াতে আগ্রহী নন। ট্রাম্পের মতে, চুক্তিতে আসা ছাড়া ইরানি কর্মকর্তাদের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর অবস্থানের বিপরীতে তেহরানও তাদের অনড় অবস্থানের কথা জানিয়েছে। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের সদস্য ও সংসদ সদস্য মোহাম্মদ রেজা মোহসেনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো প্রকার আলোচনায় বসার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অতিরিক্ত সুবিধাবাদী’ ও ‘গোপন উদ্দেশ্যধারী’ হিসেবে অভিযুক্ত করে বলেন, সাম্প্রতিক মার্কিন আগ্রাসন ও পূর্ববর্তী আলোচনার ইতিহাস বিবেচনা করলে নতুন করে আলোচনার কোনো পরিবেশ অবশিষ্ট নেই।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বর্তমানে একটি দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য শান্তি বৈঠকে ইরানের প্রতিনিধি দল পাঠানো নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। ট্রাম্পের এই নতুন হুঁশিয়ারি এবং ইরানের অনড় অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যে পুনরায় রক্তক্ষয়ী সংঘাতের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ইরান যদি একটি নতুন চুক্তিতে সই না করে, তবে মার্কিন সেনাবাহিনী যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, চলমান যুদ্ধবিরতির সময়টিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের রসদ ও সরঞ্জাম পুনরায় মজুদ করার কাজে ব্যবহার করেছে। ট্রাম্পের নির্দেশ পেলেই ইরানের ওপর পুনরায় বড় ধরনের হামলা শুরু হতে পারে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আমাদের হাতে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ ও সমরসম্ভার মজুদ রয়েছে। যুদ্ধবিরতির এই সময়টিতে আমরা আমাদের শক্তিবৃদ্ধি করেছি। তবে আমাদের হাতে খুব বেশি সময় নেই।” তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, আগামী বুধবার বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে এবং কোনো কার্যকর চুক্তি না হলে তিনি এই মেয়াদ আর বাড়াতে আগ্রহী নন। ট্রাম্পের মতে, চুক্তিতে আসা ছাড়া ইরানি কর্মকর্তাদের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর অবস্থানের বিপরীতে তেহরানও তাদের অনড় অবস্থানের কথা জানিয়েছে। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের সদস্য ও সংসদ সদস্য মোহাম্মদ রেজা মোহসেনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো প্রকার আলোচনায় বসার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অতিরিক্ত সুবিধাবাদী’ ও ‘গোপন উদ্দেশ্যধারী’ হিসেবে অভিযুক্ত করে বলেন, সাম্প্রতিক মার্কিন আগ্রাসন ও পূর্ববর্তী আলোচনার ইতিহাস বিবেচনা করলে নতুন করে আলোচনার কোনো পরিবেশ অবশিষ্ট নেই।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বর্তমানে একটি দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য শান্তি বৈঠকে ইরানের প্রতিনিধি দল পাঠানো নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। ট্রাম্পের এই নতুন হুঁশিয়ারি এবং ইরানের অনড় অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যে পুনরায় রক্তক্ষয়ী সংঘাতের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
লোড হচ্ছে...