অর্থ-বাণিজ্যরূপগঞ্জ
রূপগঞ্জে বকেয়া বেতনের দাবিতে রণক্ষেত্র মহাসড়ক, আহত ১০
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বকেয়া বেতনের দাবিতে একটি রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া একটার দিকে উপজেলার বরপা এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এই রণক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়। এতে পুলিশ ও শ্রমিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
বি ব্রাদার্স গার্মেন্টস কোম্পানি লিমিটেড নামের ওই কারখানার শ্রমিকরা জানান, গত মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে সকালে তারা কারখানার ভেতরে কর্মবিরতি শুরু করেন। কারখানাটির মালিক আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য জহিরুল হক ভূঁইয়া। শ্রমিকদের অভিযোগ, বেতন চাইলে তাদের মারধর ও চাকরিচ্যুতির হুমকি দেওয়া হয়। দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভের পর দাবি আদায় না হওয়ায় দুপুর পৌনে একটার দিকে তারা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন।
মহাসড়ক অবরোধের ফলে ব্যস্ততম এই সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আসাদুজ্জামান জানান, পুলিশ ও প্রশাসন শ্রমিকদের বুঝিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তারা উত্তেজিত হয়ে ইট-পাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস (টিয়ারশেল) নিক্ষেপ করে। দুপুর দুইটা পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে মহাসড়কে আটকে পড়া বেশ কিছু যানবাহন ভাঙচুর করেন বিক্ষোভকারীরা। টিয়ারশেলের আঘাতে অন্তত ১০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
অতিরিক্ত ডিআইজি আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, "মালিকপক্ষ আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে বকেয়া পরিশোধের আশ্বাস দিলেও শ্রমিকরা তা মানতে রাজি হননি। একপর্যায়ে তারা পুলিশ ও প্রশাসনের ওপর চড়াও হন। পরে অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে টিয়ারশেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।" এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বকেয়া বেতনের দাবিতে একটি রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া একটার দিকে উপজেলার বরপা এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এই রণক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়। এতে পুলিশ ও শ্রমিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
বি ব্রাদার্স গার্মেন্টস কোম্পানি লিমিটেড নামের ওই কারখানার শ্রমিকরা জানান, গত মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে সকালে তারা কারখানার ভেতরে কর্মবিরতি শুরু করেন। কারখানাটির মালিক আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য জহিরুল হক ভূঁইয়া। শ্রমিকদের অভিযোগ, বেতন চাইলে তাদের মারধর ও চাকরিচ্যুতির হুমকি দেওয়া হয়। দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভের পর দাবি আদায় না হওয়ায় দুপুর পৌনে একটার দিকে তারা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন।
মহাসড়ক অবরোধের ফলে ব্যস্ততম এই সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আসাদুজ্জামান জানান, পুলিশ ও প্রশাসন শ্রমিকদের বুঝিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তারা উত্তেজিত হয়ে ইট-পাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস (টিয়ারশেল) নিক্ষেপ করে। দুপুর দুইটা পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে মহাসড়কে আটকে পড়া বেশ কিছু যানবাহন ভাঙচুর করেন বিক্ষোভকারীরা। টিয়ারশেলের আঘাতে অন্তত ১০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
অতিরিক্ত ডিআইজি আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, "মালিকপক্ষ আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে বকেয়া পরিশোধের আশ্বাস দিলেও শ্রমিকরা তা মানতে রাজি হননি। একপর্যায়ে তারা পুলিশ ও প্রশাসনের ওপর চড়াও হন। পরে অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে টিয়ারশেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।" এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
লোড হচ্ছে...