নারায়ণগঞ্জ
ফতুল্লায় হোসিয়ারি ব্যবসায়ী হত্যা, আটক ২
NewsView5

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় হোসিয়ারি ব্যবসায়ী মো. হারুন খালাসী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানার মামলা সূত্রে জানা যায়, নিহত মো. হারুন খালাসী (৪৬) দীর্ঘদিন ধরে ফতুল্লা খান সাহেব আলী ওসমানী স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় একটি হোসিয়ারি কারখানা পরিচালনা করতেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার জন্য তিনি কারখানায় নগদ টাকা রাখেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তার মোবাইল ফোন থেকে সন্দেহজনক বার্তা পেয়ে কারখানায় গিয়ে অফিস কক্ষ তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ভিক্টোরিয়া মর্গে পাঠায়। পরে নিহতের স্ত্রী রেখা বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, গ্রেফতারকৃত মোসা. মীম (২০) ও রানা হোসেন (২৪) নিহতের কারখানায় কাজ করতেন। ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও বিরোধের জেরে তারা পরিকল্পিতভাবে হারুন খালাসীকে চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে। পরে কারখানার কাপড় বাঁধার গার্ডার দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে তাকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের দাবি।
পরে শ্রমিকদের বেতনের জন্য রাখা দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে কারখানার দরজায় তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে ফতুল্লা মডেল থানা অভিযান চালিয়ে ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকা থেকে দুই আসামিকে আটক করে। সঙ্গে নিহতের তিনটি মোবাইল ফোন ও নগদ এক লাখ ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, আদালতে হাজির করা হলে আসামিরা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানার মামলা সূত্রে জানা যায়, নিহত মো. হারুন খালাসী (৪৬) দীর্ঘদিন ধরে ফতুল্লা খান সাহেব আলী ওসমানী স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় একটি হোসিয়ারি কারখানা পরিচালনা করতেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার জন্য তিনি কারখানায় নগদ টাকা রাখেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তার মোবাইল ফোন থেকে সন্দেহজনক বার্তা পেয়ে কারখানায় গিয়ে অফিস কক্ষ তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ভিক্টোরিয়া মর্গে পাঠায়। পরে নিহতের স্ত্রী রেখা বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, গ্রেফতারকৃত মোসা. মীম (২০) ও রানা হোসেন (২৪) নিহতের কারখানায় কাজ করতেন। ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও বিরোধের জেরে তারা পরিকল্পিতভাবে হারুন খালাসীকে চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে। পরে কারখানার কাপড় বাঁধার গার্ডার দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে তাকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের দাবি।
পরে শ্রমিকদের বেতনের জন্য রাখা দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে কারখানার দরজায় তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে ফতুল্লা মডেল থানা অভিযান চালিয়ে ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকা থেকে দুই আসামিকে আটক করে। সঙ্গে নিহতের তিনটি মোবাইল ফোন ও নগদ এক লাখ ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, আদালতে হাজির করা হলে আসামিরা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
লোড হচ্ছে...