আদালত
জুলাই গণহত্যা
শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ দাখিল
NewsView

নিউজভিউ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে ট্রাইব্যুনাল-১ এর রেজিস্ট্রারের কাছে তদন্ত সংস্থার বিস্তারিত প্রতিবেদন ও অভিযোগনামা জমা দেওয়া হয়।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, গত জুলাই ও আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে নারায়ণগঞ্জে নজিরবিহীন এবং পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। তদন্ত সংস্থার দাবি, দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় নারায়ণগঞ্জে প্রাণহানির সংখ্যা ছিল উদ্বেগজনক। এসব হত্যাকাণ্ডে সরাসরি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ মেলায় এই চার্জ দাখিল করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের তালিকায় যারা রয়েছেন মামলার প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক প্রভাবশালী সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। এছাড়া তাঁর ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন (অয়ন ওসমান) এবং ভাতিজা আজমেরী ওসমানকেও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে। প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম নিশ্চিত করেছেন যে, তদন্তে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সশস্ত্র ক্যাডারদের সংশ্লিষ্টতার অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেছে।
প্রসিকিউশনের বক্তব্য প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম গণমাধ্যমকে বলেন, "নারায়ণগঞ্জে যেভাবে পরিকল্পিতভাবে গণহত্যা চালানো হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের আওতায় মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য। আমরা পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্রসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে চার্জ দাখিল করেছি। এদের মধ্যে শামীম ওসমান পরিবারের সদস্যরা অন্যতম।"
পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্ত ১২ জনের বিরুদ্ধেই ইতোমধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তবে তদন্ত ও গ্রেপ্তারের স্বার্থে শামীম ওসমান পরিবারের সদস্য বাদে বাকি অভিযুক্তদের নাম এই মুহূর্তে প্রকাশ করা হয়নি। খুব শীঘ্রই ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই শামীম ওসমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপনে রয়েছেন। তাদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে ট্রাইব্যুনাল-১ এর রেজিস্ট্রারের কাছে তদন্ত সংস্থার বিস্তারিত প্রতিবেদন ও অভিযোগনামা জমা দেওয়া হয়।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, গত জুলাই ও আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে নারায়ণগঞ্জে নজিরবিহীন এবং পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। তদন্ত সংস্থার দাবি, দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় নারায়ণগঞ্জে প্রাণহানির সংখ্যা ছিল উদ্বেগজনক। এসব হত্যাকাণ্ডে সরাসরি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ মেলায় এই চার্জ দাখিল করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের তালিকায় যারা রয়েছেন মামলার প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক প্রভাবশালী সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। এছাড়া তাঁর ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন (অয়ন ওসমান) এবং ভাতিজা আজমেরী ওসমানকেও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে। প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম নিশ্চিত করেছেন যে, তদন্তে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সশস্ত্র ক্যাডারদের সংশ্লিষ্টতার অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেছে।
প্রসিকিউশনের বক্তব্য প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম গণমাধ্যমকে বলেন, "নারায়ণগঞ্জে যেভাবে পরিকল্পিতভাবে গণহত্যা চালানো হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের আওতায় মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য। আমরা পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্রসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে চার্জ দাখিল করেছি। এদের মধ্যে শামীম ওসমান পরিবারের সদস্যরা অন্যতম।"
পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্ত ১২ জনের বিরুদ্ধেই ইতোমধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তবে তদন্ত ও গ্রেপ্তারের স্বার্থে শামীম ওসমান পরিবারের সদস্য বাদে বাকি অভিযুক্তদের নাম এই মুহূর্তে প্রকাশ করা হয়নি। খুব শীঘ্রই ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই শামীম ওসমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপনে রয়েছেন। তাদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
লোড হচ্ছে...