সারা দেশ
আতঙ্কে গৃহস্থ ও খামারীরা
কোরবানির আগে বাড়ছে গরু চুরি
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে গরু চুরির ঘটনা। একের পর এক খামার ও গৃহস্থের গোয়ালঘরে হানা দিয়ে সংঘবদ্ধ চোরচক্র। কোরবানি ঈদের আগে গরু চুরি বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় নির্ঘুম রাত কাটছে ক্ষুদ্র খামারী ও গৃহস্থদের। অনেকেই রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। তারপরও থামছে না গরু চুরির ঘটনা।
জানা যায়, প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। গভীর রাতে সংঘবদ্ধ চোরচক্র পিকআপ ও ট্রাক নিয়ে এসে প্রথমে আশপাশের পরিস্থিতি পযর্বেক্ষণ করে। পরে সুযোগ বুঝে খামার ও গোয়ালঘরের তালা ভেঙে গরু নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে চোরেরা খামারীদের গতিবিধিও নজরদারিতে রাখছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের গশ্চি এলাকার ক্ষুদ্র খামারী মো. মোরশেদ জানান, নিজের সঞ্চয় ও ব্যাংক ঋণ নিয়ে পাঁচটি গরু পালন করছিলেন তিনি। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বড় আশা ছিল। কিন্তু গত ৯ মে ভোরে বাড়ির পেছনের গোয়ালঘরের দরজার চেইন কেটে দুটি বড় ষাঁড় চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। প্রতিটি ষাঁড়ের বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। তিনি বলেন, রাতভর পাহারায় ছিলাম। ভোরের দিকে শরীর খারাপ লাগায় বিশ্রাম নিতে যাই। সকালে গিয়ে দেখি গোয়ালঘরের দরজা খোলা, চেইন নিচে পড়ে আছে। দুটি ষাঁড় নেই। এখন ঋণের কিস্তি কীভাবে দেব বুঝতে পারছি না।
এর আগে গত ২১ এপ্রিল একই ইউনিয়নের পাঁচখাইন গ্রামের খুইল্যা মিয়ার বাড়ি থেকে একটি গাভী ও একটি ষাঁড় চুরি হয়। পরদিন একই গ্রামের ফজল কন্ট্রাকটরের বাড়ির বাদশা মিয়ার কোরবানির জন্য প্রস্তুত দুটি ষাঁড় চুরি হয়। গত ১২ এপ্রিল রাতে উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের কালাকাতের পাড়ার আরাফা খাতুনের চারটি গরু চুরি হয়। একই রাতে মাইজপাড়া গ্রামের মো. আলাউদ্দিনের গোয়ালঘর থেকেও দুটি ষাঁড় নিয়ে যায় চোরচক্র।
পাহাড়তলী ইউনিয়নের শেখপাড়া গ্রামের আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, আমাদের গোয়ালে ১৫টি গরু রয়েছে। সেখানে ৭টি কোরবানিতে বিক্রির জন্য পালন করা হয়েছে। চুরি ঠেকাতে সিসিটিভি ক্যামরা স্থাপন করা হয়েছে। তবুও আতঙ্ক তাড়া করছে। গরুর গোয়ালের পাশে রাত কাটাতে হচ্ছে। আগে কখনো এভাবে গরু পাহারা দিতে হয়নি।
খামারীরা জানান, কয়েক বছর ধরে দেশীয় গরুর চাহিদা বাড়ায় উপজেলার অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক, প্রবাসফেরত তরুণ ও নিম্ন আয়ের পরিবার ঋণ ও ধারদেনা করে ছোট ছোট খামার গড়ে তুলেছেন। অধিকাংশ খামারী কোরবানির ঈদ সামনে রেখে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু শেষ সময়ে গরু চুরির ঘটনায় তাদের স্বপ্ন ভেঙে পড়েছে। রাউজান সদর ইউনিয়নের গৃহস্থ মো. আবুল কালাম বলেন, একটি গরু লালন-পালনে বছরের পর বছর পরিশ্রম করতে হয়। চোরেরা কয়েক মিনিটে সব শেষ করে দিচ্ছে। আমরা এখন আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।
এ বিষয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) নিজাম উদ্দিন দেওয়ান বলেন, গরু চুরির ঘটনাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও নির্ধারিত পয়েন্টে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। রাত্রীকালীন টহলও জোরদার করা হয়েছে। কয়েকটি চক্রকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং খামারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে গরু চুরির ঘটনা। একের পর এক খামার ও গৃহস্থের গোয়ালঘরে হানা দিয়ে সংঘবদ্ধ চোরচক্র। কোরবানি ঈদের আগে গরু চুরি বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় নির্ঘুম রাত কাটছে ক্ষুদ্র খামারী ও গৃহস্থদের। অনেকেই রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। তারপরও থামছে না গরু চুরির ঘটনা।
জানা যায়, প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। গভীর রাতে সংঘবদ্ধ চোরচক্র পিকআপ ও ট্রাক নিয়ে এসে প্রথমে আশপাশের পরিস্থিতি পযর্বেক্ষণ করে। পরে সুযোগ বুঝে খামার ও গোয়ালঘরের তালা ভেঙে গরু নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে চোরেরা খামারীদের গতিবিধিও নজরদারিতে রাখছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের গশ্চি এলাকার ক্ষুদ্র খামারী মো. মোরশেদ জানান, নিজের সঞ্চয় ও ব্যাংক ঋণ নিয়ে পাঁচটি গরু পালন করছিলেন তিনি। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বড় আশা ছিল। কিন্তু গত ৯ মে ভোরে বাড়ির পেছনের গোয়ালঘরের দরজার চেইন কেটে দুটি বড় ষাঁড় চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। প্রতিটি ষাঁড়ের বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। তিনি বলেন, রাতভর পাহারায় ছিলাম। ভোরের দিকে শরীর খারাপ লাগায় বিশ্রাম নিতে যাই। সকালে গিয়ে দেখি গোয়ালঘরের দরজা খোলা, চেইন নিচে পড়ে আছে। দুটি ষাঁড় নেই। এখন ঋণের কিস্তি কীভাবে দেব বুঝতে পারছি না।
এর আগে গত ২১ এপ্রিল একই ইউনিয়নের পাঁচখাইন গ্রামের খুইল্যা মিয়ার বাড়ি থেকে একটি গাভী ও একটি ষাঁড় চুরি হয়। পরদিন একই গ্রামের ফজল কন্ট্রাকটরের বাড়ির বাদশা মিয়ার কোরবানির জন্য প্রস্তুত দুটি ষাঁড় চুরি হয়। গত ১২ এপ্রিল রাতে উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের কালাকাতের পাড়ার আরাফা খাতুনের চারটি গরু চুরি হয়। একই রাতে মাইজপাড়া গ্রামের মো. আলাউদ্দিনের গোয়ালঘর থেকেও দুটি ষাঁড় নিয়ে যায় চোরচক্র।
পাহাড়তলী ইউনিয়নের শেখপাড়া গ্রামের আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, আমাদের গোয়ালে ১৫টি গরু রয়েছে। সেখানে ৭টি কোরবানিতে বিক্রির জন্য পালন করা হয়েছে। চুরি ঠেকাতে সিসিটিভি ক্যামরা স্থাপন করা হয়েছে। তবুও আতঙ্ক তাড়া করছে। গরুর গোয়ালের পাশে রাত কাটাতে হচ্ছে। আগে কখনো এভাবে গরু পাহারা দিতে হয়নি।
খামারীরা জানান, কয়েক বছর ধরে দেশীয় গরুর চাহিদা বাড়ায় উপজেলার অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক, প্রবাসফেরত তরুণ ও নিম্ন আয়ের পরিবার ঋণ ও ধারদেনা করে ছোট ছোট খামার গড়ে তুলেছেন। অধিকাংশ খামারী কোরবানির ঈদ সামনে রেখে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু শেষ সময়ে গরু চুরির ঘটনায় তাদের স্বপ্ন ভেঙে পড়েছে। রাউজান সদর ইউনিয়নের গৃহস্থ মো. আবুল কালাম বলেন, একটি গরু লালন-পালনে বছরের পর বছর পরিশ্রম করতে হয়। চোরেরা কয়েক মিনিটে সব শেষ করে দিচ্ছে। আমরা এখন আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।
এ বিষয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) নিজাম উদ্দিন দেওয়ান বলেন, গরু চুরির ঘটনাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও নির্ধারিত পয়েন্টে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। রাত্রীকালীন টহলও জোরদার করা হয়েছে। কয়েকটি চক্রকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং খামারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
লোড হচ্ছে...