আন্তর্জাতিক
ইসরায়েলে ফের হামলা, সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত
NHP NewsView

নিউজভিউ
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। সোমবার (০২ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে তাদের প্রতিশোধমূলক হামলার ১১তম ধাপে ইসরায়েলের বির আস-সাব বা বিরশেবা শহরকে নিশানা করা হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির তথ্যমতে এই হামলায় শহরটির একটি কৌশলগত যোগাযোগ শিল্প কমপ্লেক্সে আঘাত হানা হয়েছে। লক্ষ্যবস্তু হওয়া ওই ভবনটিতে মাইক্রোসফটসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক কোম্পানির কার্যালয় ছিল বলে জানা গেছে। ইরান এই হামলার একটি ছবি প্রকাশ করে ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দাবি করলেও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি এবং নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এর আগে আইআরজিসি জানিয়েছিল যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ইরানে বোমাবর্ষণের জবাবে তারা বড় ধরনের পাল্টা অভিযান শুরু করেছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী তারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের মোট ২৭টি সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
এছাড়া ইসরায়েলের তেল নোফ বিমানঘাঁটি, তেল আবিবে অবস্থিত সেনাবাহিনীর কমান্ড সদরদপ্তর 'হা-কিরিয়া' এবং একটি বৃহৎ প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্সেও হামলার দাবি করেছে সংস্থাটি। ইরানি বাহিনী জানিয়েছে যে তারা ধাপে ধাপে আরও ভিন্ন ও কঠোর প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেবে যা তাদের ভাষায় হবে 'পরপর আঘাত'। তবে এসব পাল্টাপাল্টি হামলায় এখন পর্যন্ত কতজন হতাহত হয়েছে বা প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত সে বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। সোমবার (০২ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে তাদের প্রতিশোধমূলক হামলার ১১তম ধাপে ইসরায়েলের বির আস-সাব বা বিরশেবা শহরকে নিশানা করা হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির তথ্যমতে এই হামলায় শহরটির একটি কৌশলগত যোগাযোগ শিল্প কমপ্লেক্সে আঘাত হানা হয়েছে। লক্ষ্যবস্তু হওয়া ওই ভবনটিতে মাইক্রোসফটসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক কোম্পানির কার্যালয় ছিল বলে জানা গেছে। ইরান এই হামলার একটি ছবি প্রকাশ করে ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দাবি করলেও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি এবং নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এর আগে আইআরজিসি জানিয়েছিল যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ইরানে বোমাবর্ষণের জবাবে তারা বড় ধরনের পাল্টা অভিযান শুরু করেছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী তারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের মোট ২৭টি সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
এছাড়া ইসরায়েলের তেল নোফ বিমানঘাঁটি, তেল আবিবে অবস্থিত সেনাবাহিনীর কমান্ড সদরদপ্তর 'হা-কিরিয়া' এবং একটি বৃহৎ প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্সেও হামলার দাবি করেছে সংস্থাটি। ইরানি বাহিনী জানিয়েছে যে তারা ধাপে ধাপে আরও ভিন্ন ও কঠোর প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেবে যা তাদের ভাষায় হবে 'পরপর আঘাত'। তবে এসব পাল্টাপাল্টি হামলায় এখন পর্যন্ত কতজন হতাহত হয়েছে বা প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত সে বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
লোড হচ্ছে...