রাজনীতিসদর
নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন এনসিপি নেতা তনু
NewsView

নিউজ ভিউ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনের নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী আহমেদুর রহমান তনু। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে নির্বাচন থেকে সরলেও তিনি রাজনীতি বা দল ত্যাগ করছেন না বলে স্পষ্ট করেছেন।
বিবৃতিতে আহমেদুর রহমান তনু বলেন, “নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা নিয়ে আমি এনসিপির পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করার ইচ্ছা থেকেই আমার এই যাত্রা শুরু হয়েছিল। তবে বর্তমান পারিপার্শ্বিক রাজনৈতিক বাস্তবতা ও ব্যক্তিগত নানা বিষয় বিবেচনা করে আমি এই মুহূর্তে নির্বাচনে না লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তিনি স্পষ্টভাবে জানান, এটি তার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং এর পেছনে অন্য কোনো দল বা গোষ্ঠীর চাপ বা বিরূপ মনোভাব নেই।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার ঘোষণা দিয়েছেন এই তরুণ নেতা। তিনি বলেন, “মত ও পথের ভিন্নতা থাকলেও দেশের স্বার্থে কাজ করার সুযোগ সবসময় থাকে। আমি ভবিষ্যতেও গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নিজের অবস্থান থেকে কাজ করে যাব।” গত দেড় বছর ধরে যেভাবে মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন, ভবিষ্যতেও ‘সদর-বন্দরের সন্তান’ হিসেবে একইভাবে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
অনেকের মনে সংশয় থাকলেও তনু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছাড়ছেন না। পরিস্থিতি বিবেচনায় কেবল ভোটের লড়াই থেকে বিরত থাকছেন তিনি। তার এই সিদ্ধান্তের ফলে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে এনসিপির রাজনৈতিক কৌশল এখন কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই দেখার বিষয়।
বিবৃতিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও জনগণের কল্যাণে এবং একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ে তিনি সবসময় সোচ্চার থাকবেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনের নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী আহমেদুর রহমান তনু। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে নির্বাচন থেকে সরলেও তিনি রাজনীতি বা দল ত্যাগ করছেন না বলে স্পষ্ট করেছেন।
বিবৃতিতে আহমেদুর রহমান তনু বলেন, “নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা নিয়ে আমি এনসিপির পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করার ইচ্ছা থেকেই আমার এই যাত্রা শুরু হয়েছিল। তবে বর্তমান পারিপার্শ্বিক রাজনৈতিক বাস্তবতা ও ব্যক্তিগত নানা বিষয় বিবেচনা করে আমি এই মুহূর্তে নির্বাচনে না লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তিনি স্পষ্টভাবে জানান, এটি তার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং এর পেছনে অন্য কোনো দল বা গোষ্ঠীর চাপ বা বিরূপ মনোভাব নেই।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার ঘোষণা দিয়েছেন এই তরুণ নেতা। তিনি বলেন, “মত ও পথের ভিন্নতা থাকলেও দেশের স্বার্থে কাজ করার সুযোগ সবসময় থাকে। আমি ভবিষ্যতেও গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নিজের অবস্থান থেকে কাজ করে যাব।” গত দেড় বছর ধরে যেভাবে মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন, ভবিষ্যতেও ‘সদর-বন্দরের সন্তান’ হিসেবে একইভাবে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
অনেকের মনে সংশয় থাকলেও তনু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছাড়ছেন না। পরিস্থিতি বিবেচনায় কেবল ভোটের লড়াই থেকে বিরত থাকছেন তিনি। তার এই সিদ্ধান্তের ফলে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে এনসিপির রাজনৈতিক কৌশল এখন কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই দেখার বিষয়।
বিবৃতিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও জনগণের কল্যাণে এবং একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ে তিনি সবসময় সোচ্চার থাকবেন।
লোড হচ্ছে...