সারা দেশ
সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু
ফেসবুক স্ট্যাটাসে হা হা দেওয়ার জেরে সংঘর্ষ
NewsView
নিউজভিউ ডেস্ক
কক্সবাজারের উখিয়ায় সন্তানকে বাঁচাতে যাওয়া মাকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা বিএনপি ও ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে দাবী করেছে ভুক্তভোগীরা। শনিবার রাত ৮ টার দিকে উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের টাইপালং এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগে দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ লেখাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরী হয়। এই ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতারা থানায় এজাহার দিলেও মামলা হয়নি। এরপর থেকেই মূলত থমথমে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
গত শনিবার স্থানীয় ছাত্রদল নেতা জিসানের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে হা হা রিয়েক্ট দেন ছাত্রলীগ নেতা ইউনুস। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ইউনুসকে মারধর শুরু করলে তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যায় এনজিওকর্মী এসএম ইমরান। তখন ইমরানকেও মারধর শুরু করে তারা। খবর পেয়ে ইমরানকে বাঁচাতে তার মা এগিয়ে গেলে বিএনপি নেতারা তাকে মারধর করে। এতে গুরুতর আহত হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন ইমরানের মা ছৈয়দা বেগম। সেখান থেকে তাকে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ছৈয়দা বেগম স্থানীয় সাব্বির আহমদের স্ত্রী।
এ বিষয়ে উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান জানান, ওই নারী হাসপাতালে মারা গেছেন। কিভাবে মারা গেছে সেটা যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কক্সবাজারের উখিয়ায় সন্তানকে বাঁচাতে যাওয়া মাকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা বিএনপি ও ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে দাবী করেছে ভুক্তভোগীরা। শনিবার রাত ৮ টার দিকে উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের টাইপালং এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগে দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ লেখাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরী হয়। এই ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতারা থানায় এজাহার দিলেও মামলা হয়নি। এরপর থেকেই মূলত থমথমে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
গত শনিবার স্থানীয় ছাত্রদল নেতা জিসানের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে হা হা রিয়েক্ট দেন ছাত্রলীগ নেতা ইউনুস। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ইউনুসকে মারধর শুরু করলে তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যায় এনজিওকর্মী এসএম ইমরান। তখন ইমরানকেও মারধর শুরু করে তারা। খবর পেয়ে ইমরানকে বাঁচাতে তার মা এগিয়ে গেলে বিএনপি নেতারা তাকে মারধর করে। এতে গুরুতর আহত হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন ইমরানের মা ছৈয়দা বেগম। সেখান থেকে তাকে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ছৈয়দা বেগম স্থানীয় সাব্বির আহমদের স্ত্রী।
এ বিষয়ে উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান জানান, ওই নারী হাসপাতালে মারা গেছেন। কিভাবে মারা গেছে সেটা যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
লোড হচ্ছে...