সারা দেশ
পানির অভাবে কাপ্তাইয়ের ৩ ইউনিট বন্ধ
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
দীর্ঘদিন বৃষ্টিপাত না হওয়া এবং তীব্র গরমের কারণে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর দ্রুত কমে যাচ্ছে। এতে দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কাপ্তাইয়ের উৎপাদন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। পানির স্বল্পতায় কেন্দ্রটির পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে তিনটি বন্ধ রাখা হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে হ্রদের পানির স্তর নেমে এসেছে ৭৩ দশমিক ৯৯ মিন সি লেভেলে (এমএসএল)। অথচ এই সময়ে পানির স্তর থাকার কথা ছিল ৭৮ দশমিক ০৮ এমএসএল। বৃষ্টির অভাবে প্রতিদিনই পানি কমছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
কেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে চালু থাকা দুটি ইউনিট থেকে মাত্র ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। অথচ কেন্দ্রটির পূর্ণ উৎপাদন সক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াটের বেশি। পানির স্তর আরও কমে ৬৮ এমএসএলে পৌঁছালে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে হ্রদের পানি কমে যাওয়ায় পার্বত্য অঞ্চলের নৌ-যোগাযোগেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। হ্রদের বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় বিলাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, লংগদু ও বাঘাইছড়ি উপজেলার অনেক নৌপথে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিত্যপ্রয়োজনীয় যাতায়াতে ভোগান্তির মুখে পড়ছেন।
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, গত দুই মাসে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত না হওয়ায় হ্রদে পানির প্রবাহ কমেছে। ফলে উৎপাদন সচল রাখতে সীমিত পরিসরে দুটি ইউনিট চালানো হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, মৌসুমি বৃষ্টি শুরু হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
বুধবার (১০ জুন) কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে হ্রদের পানির স্তর নেমে এসেছে ৭৩ দশমিক ৯৯ মিন সি লেভেলে (এমএসএল)। অথচ এই সময়ে পানির স্তর থাকার কথা ছিল ৭৮ দশমিক ০৮ এমএসএল। বৃষ্টির অভাবে প্রতিদিনই পানি কমছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
কেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে চালু থাকা দুটি ইউনিট থেকে মাত্র ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। অথচ কেন্দ্রটির পূর্ণ উৎপাদন সক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াটের বেশি। পানির স্তর আরও কমে ৬৮ এমএসএলে পৌঁছালে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে হ্রদের পানি কমে যাওয়ায় পার্বত্য অঞ্চলের নৌ-যোগাযোগেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। হ্রদের বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় বিলাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, লংগদু ও বাঘাইছড়ি উপজেলার অনেক নৌপথে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিত্যপ্রয়োজনীয় যাতায়াতে ভোগান্তির মুখে পড়ছেন।
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, গত দুই মাসে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত না হওয়ায় হ্রদে পানির প্রবাহ কমেছে। ফলে উৎপাদন সচল রাখতে সীমিত পরিসরে দুটি ইউনিট চালানো হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, মৌসুমি বৃষ্টি শুরু হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
লোড হচ্ছে...