নারায়ণগঞ্জ
রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের বর্ণাঢ্য আয়োজন আজ
NewsView

নিউজভিউ
রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপনে বর্ণাঢ্য আয়োজন করেছে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট। আজ (১৭ জুলাই) শুক্রবার বিকাল ৫টায় শহরের আলী আহাম্মদ চুনকা নগর মিলনায়তনের পঞ্চম তলার পরীক্ষণ হলে এ অনুষ্ঠান হবে। এতে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক দিনা তাজরিন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও দুই মহান কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে এই আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে সকল সংস্কৃতিমনা মানুষকে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
জানা যায়, বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম—উভয়েই বিভিন্ন সময়ে নারায়ণগঞ্জে এসেছিলেন। তাঁদের পদচারণায় সমৃদ্ধ এই জনপদের সাংস্কৃতিক ইতিহাস আজও গৌরবের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়। সেই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে ধারণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যেও প্রতিবছর নানা আয়োজনে তাঁদের স্মরণ করা হয়।
বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংগীত ও মানবতাবাদী চেতনার বিকাশে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের অবদান অনন্য। রবীন্দ্রনাথ তাঁর সাহিত্যকর্মে বাঙালির জীবন, প্রকৃতি, প্রেম ও মানবিক মূল্যবোধকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরেছেন। অন্যদিকে কাজী নজরুল ইসলাম সাম্য, দ্রোহ, মানবমুক্তি ও অসাম্প্রদায়িকতার চেতনাকে তাঁর সাহিত্য ও সংগীতে শক্তিশালীভাবে প্রকাশ করেছেন। তাঁদের সৃষ্টিকর্ম আজও বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম ভিত্তি।
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট বিভিন্ন সময়ই রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন করে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজকের আয়োজন। আলোচনা সভা, সংগীতানুষ্ঠান, আবৃত্তি, নৃত্য কিংবা নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে দুই কবির সাহিত্য ও দর্শনকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এ আয়োজনের লক্ষ্য বলে জোটনেতারা জানান।
এছাড়াও জোটের অন্তর্ভুক্ত একাধিক সংগঠন পৃথকভাবে এবং সম্মিলিতভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে।
আজকের মূল অনুষ্ঠানে থাকবে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের জীবন, সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে আলোচনা, তাঁদের রচিত গান পরিবেশনা, কবিতা আবৃত্তি এবং নৃত্য। এসব পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করবেন নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটভুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মনি সুপান্থ। এতে বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিল্পী, সাহিত্যিক, আবৃত্তিশিল্পী, সংগীতশিল্পী এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।
আয়োজকদের মতে, বর্তমান সময়ে মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও বিস্তৃত করতে রবীন্দ্র-নজরুলের আদর্শ ও সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই লক্ষ্য থেকেই এ ধরনের আয়োজন নিয়মিতভাবে করে আসছে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট।
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষ থেকে জেলার সকল সংস্কৃতিমনা মানুষ, শিক্ষার্থী, শিল্পী, সাহিত্যপ্রেমী এবং সাধারণ নাগরিককে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে দুই মহান কবির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং সাংস্কৃতিক উৎসবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপনে বর্ণাঢ্য আয়োজন করেছে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট। আজ (১৭ জুলাই) শুক্রবার বিকাল ৫টায় শহরের আলী আহাম্মদ চুনকা নগর মিলনায়তনের পঞ্চম তলার পরীক্ষণ হলে এ অনুষ্ঠান হবে। এতে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক দিনা তাজরিন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও দুই মহান কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে এই আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে সকল সংস্কৃতিমনা মানুষকে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
জানা যায়, বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম—উভয়েই বিভিন্ন সময়ে নারায়ণগঞ্জে এসেছিলেন। তাঁদের পদচারণায় সমৃদ্ধ এই জনপদের সাংস্কৃতিক ইতিহাস আজও গৌরবের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়। সেই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে ধারণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যেও প্রতিবছর নানা আয়োজনে তাঁদের স্মরণ করা হয়।
বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংগীত ও মানবতাবাদী চেতনার বিকাশে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের অবদান অনন্য। রবীন্দ্রনাথ তাঁর সাহিত্যকর্মে বাঙালির জীবন, প্রকৃতি, প্রেম ও মানবিক মূল্যবোধকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরেছেন। অন্যদিকে কাজী নজরুল ইসলাম সাম্য, দ্রোহ, মানবমুক্তি ও অসাম্প্রদায়িকতার চেতনাকে তাঁর সাহিত্য ও সংগীতে শক্তিশালীভাবে প্রকাশ করেছেন। তাঁদের সৃষ্টিকর্ম আজও বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম ভিত্তি।
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট বিভিন্ন সময়ই রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন করে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজকের আয়োজন। আলোচনা সভা, সংগীতানুষ্ঠান, আবৃত্তি, নৃত্য কিংবা নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে দুই কবির সাহিত্য ও দর্শনকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এ আয়োজনের লক্ষ্য বলে জোটনেতারা জানান।
এছাড়াও জোটের অন্তর্ভুক্ত একাধিক সংগঠন পৃথকভাবে এবং সম্মিলিতভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে।
আজকের মূল অনুষ্ঠানে থাকবে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের জীবন, সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে আলোচনা, তাঁদের রচিত গান পরিবেশনা, কবিতা আবৃত্তি এবং নৃত্য। এসব পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করবেন নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটভুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মনি সুপান্থ। এতে বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিল্পী, সাহিত্যিক, আবৃত্তিশিল্পী, সংগীতশিল্পী এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।
আয়োজকদের মতে, বর্তমান সময়ে মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও বিস্তৃত করতে রবীন্দ্র-নজরুলের আদর্শ ও সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই লক্ষ্য থেকেই এ ধরনের আয়োজন নিয়মিতভাবে করে আসছে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট।
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষ থেকে জেলার সকল সংস্কৃতিমনা মানুষ, শিক্ষার্থী, শিল্পী, সাহিত্যপ্রেমী এবং সাধারণ নাগরিককে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে দুই মহান কবির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং সাংস্কৃতিক উৎসবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
লোড হচ্ছে...