আন্তর্জাতিক
কিমের সঙ্গে বন্ধুত্ব, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে দূরত্ব ট্রাম্পের
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
ইরান যুদ্ধকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন সমীকরণের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের ইঙ্গিত দেওয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ার পরিসর কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প জানান, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক সামরিক মহড়ার আকার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, এসব মহড়া ব্যয়বহুল এবং উত্তর কোরিয়ার কাছে অপ্রয়োজনীয়ভাবে শত্রুতাপূর্ণ বার্তা পাঠায়। একই পোস্টে কিম জং উনের সঙ্গে নিজের ‘ভালো সম্পর্কের’ কথাও তুলে ধরেন তিনি।
ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে ইরান ইস্যুও জড়িয়ে আছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট অভিযোগ করেছেন, ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে বিরত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টায় দক্ষিণ কোরিয়া সহযোগিতা করেনি। এর পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা ব্যয় ভাগাভাগি নিয়েও তাঁর অসন্তোষ রয়েছে।
এদিকে ট্রাম্পের কিম-ঘনিষ্ঠতার নতুন ইঙ্গিতকে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আবারও আলোচনায় বসার প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। ২০১৯ সালের পর দুই নেতার মধ্যে আর কোনো শীর্ষ বৈঠক হয়নি। তবে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যে কিমের সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগ পুনরায় সক্রিয় করার আগ্রহ স্পষ্ট হয়েছে। সোমবার ট্রাম্প আরও জানান, তাঁর দেওয়া কূটনৈতিক বার্তার জবাব কিম দিয়েছেন।
ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে অবশ্য দক্ষিণ কোরিয়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক জোটের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যৌথ ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ মহড়া পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী শুরু হয়েছে।
প্রায় ১৮ হাজার দক্ষিণ কোরীয় সেনা অংশ নেওয়ার কথা থাকা এই মহড়ার মূল লক্ষ্য উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় দুই দেশের যৌথ সামরিক সক্ষমতা বাড়ানো। ফলে মহড়ার পরিসর কমে গেলে আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি ও যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়া জোটের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা।
অন্যদিকে উত্তর কোরিয়া সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক আরও গভীর করেছে এবং নিজেদের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধরে রেখেছে। এ অবস্থায় ওয়াশিংটনের মিত্র দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে পিয়ংইয়ংয়ের দিকে ট্রাম্পের নতুন করে ঝুঁকে পড়া মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
ট্রাম্পের এই নীতির পেছনে ইরান যুদ্ধ কতটা প্রভাব ফেলছে, সেটিই এখন আলোচনার অন্যতম বিষয়। একই সঙ্গে কিমের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন বৈঠক হলে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন কতটা অগ্রগতি করতে পারবে, তা নিয়েও রয়েছে বড় অনিশ্চয়তা।
রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প জানান, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক সামরিক মহড়ার আকার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, এসব মহড়া ব্যয়বহুল এবং উত্তর কোরিয়ার কাছে অপ্রয়োজনীয়ভাবে শত্রুতাপূর্ণ বার্তা পাঠায়। একই পোস্টে কিম জং উনের সঙ্গে নিজের ‘ভালো সম্পর্কের’ কথাও তুলে ধরেন তিনি।
ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে ইরান ইস্যুও জড়িয়ে আছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট অভিযোগ করেছেন, ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে বিরত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টায় দক্ষিণ কোরিয়া সহযোগিতা করেনি। এর পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা ব্যয় ভাগাভাগি নিয়েও তাঁর অসন্তোষ রয়েছে।
এদিকে ট্রাম্পের কিম-ঘনিষ্ঠতার নতুন ইঙ্গিতকে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আবারও আলোচনায় বসার প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। ২০১৯ সালের পর দুই নেতার মধ্যে আর কোনো শীর্ষ বৈঠক হয়নি। তবে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যে কিমের সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগ পুনরায় সক্রিয় করার আগ্রহ স্পষ্ট হয়েছে। সোমবার ট্রাম্প আরও জানান, তাঁর দেওয়া কূটনৈতিক বার্তার জবাব কিম দিয়েছেন।
ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে অবশ্য দক্ষিণ কোরিয়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক জোটের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যৌথ ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ মহড়া পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী শুরু হয়েছে।
প্রায় ১৮ হাজার দক্ষিণ কোরীয় সেনা অংশ নেওয়ার কথা থাকা এই মহড়ার মূল লক্ষ্য উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় দুই দেশের যৌথ সামরিক সক্ষমতা বাড়ানো। ফলে মহড়ার পরিসর কমে গেলে আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি ও যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়া জোটের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা।
অন্যদিকে উত্তর কোরিয়া সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক আরও গভীর করেছে এবং নিজেদের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধরে রেখেছে। এ অবস্থায় ওয়াশিংটনের মিত্র দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে পিয়ংইয়ংয়ের দিকে ট্রাম্পের নতুন করে ঝুঁকে পড়া মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
ট্রাম্পের এই নীতির পেছনে ইরান যুদ্ধ কতটা প্রভাব ফেলছে, সেটিই এখন আলোচনার অন্যতম বিষয়। একই সঙ্গে কিমের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন বৈঠক হলে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন কতটা অগ্রগতি করতে পারবে, তা নিয়েও রয়েছে বড় অনিশ্চয়তা।
লোড হচ্ছে...