রাজনীতিসদর
স্বৈরাচারের পতন হলেও কিছু দলের নেতাকর্মী পুরোনো পথেই হাঁটছেন: মুফতি সিরাজী
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন বক্তাবলী ইউনিয়নের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার এবং কৃষিখাতকে পুনরুজ্জীবিত করার বিশেষ ঘোষণা দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুফতি ইসমাঈল সিরাজী। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিনভর বক্তাবলী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি গণসংযোগ ও পথসভায় অংশ নিয়ে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।
বক্তাবলীতে আয়োজিত এক পথসভায় মুফতি সিরাজী বলেন, “বিগত সময়ে যারা এই জনপদের জনপ্রতিনিধি ছিলেন, তারা উন্নয়নের বদলে সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম চালিয়েছেন। ভয়ভীতি দেখিয়ে মানুষের বসতভিটা ও কৃষিজমি দখল করা হয়েছিল। জেল-জুলুমের হুমকি দিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছিল। আজ তারা জনরোষের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।”
তিনি বর্তমান পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে আরও বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের পর স্বৈরাচারের পতন হলেও কিছু দলের নেতাকর্মী এখনো সেই পুরোনো পথেই হাঁটছেন। জমি দখল আর মামলা-বাণিজ্যের মাধ্যমে তারা সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছেন। আমি তাদের সতর্ক করে বলতে চাই, এই অন্যায়ের পরিণাম হবে অত্যন্ত ভয়াবহ।”
নির্বাচনী অঙ্গীকার: মুফতি ইসমাঈল সিরাজী ভোটারদের আশ্বস্ত করে বলেন, “আপনারা যদি আমাকে আপনাদের সেবক হিসেবে নির্বাচিত করেন, তবে বক্তাবলীর প্রতিটি ইঞ্চি বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এই অঞ্চলের প্রধান সম্পদ হচ্ছে কৃষি। আমরা এমন কার্যকর উদ্যোগ নেব যাতে প্রতিটি কৃষি জমি পুনরায় উৎপাদনমুখী হয় এবং কৃষকরা তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পান।”
গণসংযোগকালে হাতপাখা প্রতীকের এই প্রার্থী প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় গিয়ে ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এসময় তাঁর সাথে ইসলামী আন্দোলন ও সহযোগী সংগঠনের জেলা ও থানা পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সাধারণ মানুষের মধ্যে তাঁর এই সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন বক্তাবলী ইউনিয়নের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার এবং কৃষিখাতকে পুনরুজ্জীবিত করার বিশেষ ঘোষণা দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুফতি ইসমাঈল সিরাজী। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিনভর বক্তাবলী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি গণসংযোগ ও পথসভায় অংশ নিয়ে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।
বক্তাবলীতে আয়োজিত এক পথসভায় মুফতি সিরাজী বলেন, “বিগত সময়ে যারা এই জনপদের জনপ্রতিনিধি ছিলেন, তারা উন্নয়নের বদলে সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম চালিয়েছেন। ভয়ভীতি দেখিয়ে মানুষের বসতভিটা ও কৃষিজমি দখল করা হয়েছিল। জেল-জুলুমের হুমকি দিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছিল। আজ তারা জনরোষের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।”
তিনি বর্তমান পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে আরও বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের পর স্বৈরাচারের পতন হলেও কিছু দলের নেতাকর্মী এখনো সেই পুরোনো পথেই হাঁটছেন। জমি দখল আর মামলা-বাণিজ্যের মাধ্যমে তারা সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছেন। আমি তাদের সতর্ক করে বলতে চাই, এই অন্যায়ের পরিণাম হবে অত্যন্ত ভয়াবহ।”
নির্বাচনী অঙ্গীকার: মুফতি ইসমাঈল সিরাজী ভোটারদের আশ্বস্ত করে বলেন, “আপনারা যদি আমাকে আপনাদের সেবক হিসেবে নির্বাচিত করেন, তবে বক্তাবলীর প্রতিটি ইঞ্চি বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এই অঞ্চলের প্রধান সম্পদ হচ্ছে কৃষি। আমরা এমন কার্যকর উদ্যোগ নেব যাতে প্রতিটি কৃষি জমি পুনরায় উৎপাদনমুখী হয় এবং কৃষকরা তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পান।”
গণসংযোগকালে হাতপাখা প্রতীকের এই প্রার্থী প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় গিয়ে ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এসময় তাঁর সাথে ইসলামী আন্দোলন ও সহযোগী সংগঠনের জেলা ও থানা পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সাধারণ মানুষের মধ্যে তাঁর এই সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।
লোড হচ্ছে...