খেলা
মালভিনাস ব্যানারে বিতর্ক, আর্জেন্টিনার পাশে হোয়াইট হাউস
NewsView5
.jpg)
নিউজভিউ ডেস্ক
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর ফকল্যান্ড (মালভিনাস) দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে আর্জেন্টিনা দলের ব্যানার প্রদর্শন নতুন কূটনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ঘটনাটি ফিফার রাজনৈতিক বার্তাবিষয়ক বিধি লঙ্ঘন করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখার আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে খেলোয়াড়দের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা মাঠে 'লাস মালভিনাস সন আর্জেন্তিনাস' (মালভিনাস আর্জেন্টিনার) লেখা ব্যানার প্রদর্শন করেন। বিষয়টি নিয়ে ফিফা তদন্ত করতে পারে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
শুক্রবার হোয়াইট হাউসের ফিফা টাস্কফোর্সপ্রধান অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যেকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে এবং আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দেরও নিজেদের অবস্থান প্রকাশের অধিকার আছে। তিনি এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর কথাও উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, বিষয়টি ফিফার নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত হওয়া উচিত। এক মুখপাত্র বলেন, "বিশ্বকাপ হয়তো আমাদের নয়, কিন্তু ফকল্যান্ড অবশ্যই আমাদের।"
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের সরকারও ব্যানার প্রদর্শনের সমালোচনা করে বলেছে, খেলাধুলাকে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার মঞ্চে পরিণত করা উচিত নয়। তারা এ ঘটনায় ফিফার বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
দক্ষিণ আটলান্টিকের এই দ্বীপপুঞ্জকে আর্জেন্টিনা মালভিনাস নামে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে। তবে এটি বর্তমানে যুক্তরাজ্যের একটি স্বশাসিত বিদেশি অঞ্চল। ২০১৩ সালের গণভোটে দ্বীপটির ৯৯ শতাংশের বেশি ভোটার যুক্তরাজ্যের অধীনেই থাকার পক্ষে মত দেন।
এদিকে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর আর্জেন্টিনার ভাইস প্রেসিডেন্ট ভিক্টোরিয়া ভিয়াররুয়েল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, "এটি শুধু একটি ফুটবল ম্যাচ ছিল না, মালভিনাস আর্জেন্টিনার।"
উল্লেখ্য, ফকল্যান্ড বা মালভিনাস দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে ১৯৮২ সালে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যে ৭৪ দিনের যুদ্ধ হয়েছিল। সেই যুদ্ধে ২৫৫ জন ব্রিটিশ সেনা, তিনজন দ্বীপবাসী এবং ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন সেনা নিহত হন।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা মাঠে 'লাস মালভিনাস সন আর্জেন্তিনাস' (মালভিনাস আর্জেন্টিনার) লেখা ব্যানার প্রদর্শন করেন। বিষয়টি নিয়ে ফিফা তদন্ত করতে পারে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
শুক্রবার হোয়াইট হাউসের ফিফা টাস্কফোর্সপ্রধান অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যেকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে এবং আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দেরও নিজেদের অবস্থান প্রকাশের অধিকার আছে। তিনি এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর কথাও উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, বিষয়টি ফিফার নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত হওয়া উচিত। এক মুখপাত্র বলেন, "বিশ্বকাপ হয়তো আমাদের নয়, কিন্তু ফকল্যান্ড অবশ্যই আমাদের।"
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের সরকারও ব্যানার প্রদর্শনের সমালোচনা করে বলেছে, খেলাধুলাকে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার মঞ্চে পরিণত করা উচিত নয়। তারা এ ঘটনায় ফিফার বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
দক্ষিণ আটলান্টিকের এই দ্বীপপুঞ্জকে আর্জেন্টিনা মালভিনাস নামে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে। তবে এটি বর্তমানে যুক্তরাজ্যের একটি স্বশাসিত বিদেশি অঞ্চল। ২০১৩ সালের গণভোটে দ্বীপটির ৯৯ শতাংশের বেশি ভোটার যুক্তরাজ্যের অধীনেই থাকার পক্ষে মত দেন।
এদিকে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর আর্জেন্টিনার ভাইস প্রেসিডেন্ট ভিক্টোরিয়া ভিয়াররুয়েল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, "এটি শুধু একটি ফুটবল ম্যাচ ছিল না, মালভিনাস আর্জেন্টিনার।"
উল্লেখ্য, ফকল্যান্ড বা মালভিনাস দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে ১৯৮২ সালে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যে ৭৪ দিনের যুদ্ধ হয়েছিল। সেই যুদ্ধে ২৫৫ জন ব্রিটিশ সেনা, তিনজন দ্বীপবাসী এবং ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন সেনা নিহত হন।
লোড হচ্ছে...