নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা বর্তমানে দেশের অন্যতম দ্রুততম বর্ধনশীল শহর: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব
NewsView

নিউজভিউ
দ্রুত বর্ধনশীল দুই বাণিজ্যিক শহর নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লাকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। ‘নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ’ এবং ‘কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ-২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। এর ফলে এই দুই গুরুত্বপূর্ণ শহর এখন থেকে নিজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীনে পরিকল্পিত উন্নয়নের নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রেস সচিব জানান, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা বর্তমানে দেশের অন্যতম দ্রুততম বর্ধনশীল শহর। প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক মানুষ কর্মসংস্থান ও উন্নত জীবনের আশায় এসব শহরে বসতি গড়ছে। এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ মোকাবিলা এবং অপরিকল্পিত নগরায়ন রোধে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) মতো একটি শক্তিশালী ও পৃথক স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা গঠন করা ছিল সময়ের দাবি। এই দুই কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শহরগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা বা মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা সম্ভব হবে।
নতুন এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে মহাপরিকল্পনা তৈরি, ভূমি ক্রয় ও লিজ প্রদান এবং ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষমতা পাবে। এছাড়া উন্নয়ন ফি নির্ধারণ ও আদায়ের ক্ষমতাও থাকবে এই সংস্থাগুলোর হাতে। এটি কেবল ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো এলাকার ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়নে কাজ করবে।
শহরগুলোকে পরিবেশবান্ধব রাখতে এই অধ্যাদেশে কঠোর আইনি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মহাপরিকল্পনার বাইরে গিয়ে ভূমির ব্যবহার, বিধিবহির্ভূত ভবন নির্মাণ, জলাধার ও নিচু জমি ভরাট, খাল বা প্রাকৃতিক জলাশয়ের প্রবাহে বাধা সৃষ্টি এবং জমির শ্রেণি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। বিশেষ করে খেলার মাঠ, উদ্যান এবং প্রাকৃতিক জলাশয় সংরক্ষণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই খসড়ায়।
সরকার আশা করছে, এই উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দুটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হলে নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা হবে টেকসই, বাসযোগ্য এবং আধুনিক নগর উন্নয়নের এক অনন্য উদাহরণ।
দ্রুত বর্ধনশীল দুই বাণিজ্যিক শহর নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লাকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। ‘নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ’ এবং ‘কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ-২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। এর ফলে এই দুই গুরুত্বপূর্ণ শহর এখন থেকে নিজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীনে পরিকল্পিত উন্নয়নের নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রেস সচিব জানান, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা বর্তমানে দেশের অন্যতম দ্রুততম বর্ধনশীল শহর। প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক মানুষ কর্মসংস্থান ও উন্নত জীবনের আশায় এসব শহরে বসতি গড়ছে। এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ মোকাবিলা এবং অপরিকল্পিত নগরায়ন রোধে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) মতো একটি শক্তিশালী ও পৃথক স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা গঠন করা ছিল সময়ের দাবি। এই দুই কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শহরগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা বা মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা সম্ভব হবে।
নতুন এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে মহাপরিকল্পনা তৈরি, ভূমি ক্রয় ও লিজ প্রদান এবং ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষমতা পাবে। এছাড়া উন্নয়ন ফি নির্ধারণ ও আদায়ের ক্ষমতাও থাকবে এই সংস্থাগুলোর হাতে। এটি কেবল ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো এলাকার ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়নে কাজ করবে।
শহরগুলোকে পরিবেশবান্ধব রাখতে এই অধ্যাদেশে কঠোর আইনি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মহাপরিকল্পনার বাইরে গিয়ে ভূমির ব্যবহার, বিধিবহির্ভূত ভবন নির্মাণ, জলাধার ও নিচু জমি ভরাট, খাল বা প্রাকৃতিক জলাশয়ের প্রবাহে বাধা সৃষ্টি এবং জমির শ্রেণি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। বিশেষ করে খেলার মাঠ, উদ্যান এবং প্রাকৃতিক জলাশয় সংরক্ষণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই খসড়ায়।
সরকার আশা করছে, এই উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দুটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হলে নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা হবে টেকসই, বাসযোগ্য এবং আধুনিক নগর উন্নয়নের এক অনন্য উদাহরণ।
লোড হচ্ছে...